১০ জুলাই, ২০২৬ | ২৬ আষাঢ়, ১৪৩৩ | ২৪ মহর্‌রম, ১৪৪৮


শিরোনাম
  ●  প্রতিক্রিয়া : ৫ না ৮—রোহিঙ্গা ক্যাম্পে আসলে কতজন নিহত? সংখ্যার এই বিভ্রান্তির দায় কার?   ●  লম্বরীপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নেতৃত্বে রমজান আলী   ●  পাতেলী খালের তীরে ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি ৪৭ বছর পর আবারও আলোচনায় শাহজাহান চৌধুরী   ●  মরিচ্যা বাজারের মডেল মসজিদ ও মার্কেট পরিদর্শনে ইউএনও রিফাত আসমা   ●  দক্ষিণ এশিয়ার সেরা গোল রক্ষক জিকুকে সংবর্ধিত করলো ক্রীড়া সাংবাদিকদের শীর্ষ সংগঠন বিএসপিএ   ●  কৃষিখাতের উন্নয়নে নিরলস ভাবে কাজ করছে সরকার   ●  বদরখালী সমবায় কৃষি ও উপনিবেশ সমিতির বার্ষিক সাধারণ সভায় এমপি জাফর আলম   ●  টেকনাফে প্যারাবনে আটটি বস্তায় মিলল বিদেশি৩৮৮ক্যান বিয়ার ও৭৬ বোতল মদ   ●  মানুষের কথা বলেই যাবে কক্সবাজার বার্তা   ●  টেকনাফে বিদেশী হুইস্কিসহ মাদক কারবারী আটক

টেকনাফ থানার সাবেক এ এসআই মাহফুজ ৭ লাখ ইয়াবাসহ গ্রেফতার

yaba

ফেনীর লালপোল এলাকা থেকে ৬ লাখ ৮০ হাজার ইয়াবাসহ টেকনাফ থানার সাবেক এসআই (বর্তমানে পুলিশের বিশেষ শাখায় কর্মরত) মাহফুজুর রহমান (৩৫)কে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব-৭। এসময় তার গাড়ি চালককেও গ্রেপ্তার করা হয়।

শনিবার রাত সাড়ে ১১ টায় ফেনীর লালপুল এলাকায় দ্রুতগামী একটি প্রাইভেট কার একটি শিশুকে ধাক্কা দিয়ে পালিয়ে যাবার সময় তাড়া করে সেটিকে আটক করে র‌্যাব। এরপর গাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে জব্দ করা হয় ইয়াবার চালান। যার আনুমানিক মূল্যে ২৭ কোটি ২০ লাখ টাকা।

এসময় গ্রেপ্তারকৃতদের কাছ থেকে মাদক বিক্রির ৭ লাখ টাকা, ৪টি মোবাইল ও বিভিন্ন ব্যাংকের ৮টি ক্রেডিট কার্ড উদ্ধার করা হয়।

র‌্যাব ৭ এর পরিচালক লে. কর্ণেল মিফতাহ উদ্দিন আহমেদ জানান, ইয়াবাসহ আটক মাহফুজুর রহমান পুলিশের এএসআই। বর্তমানে সে এসবি ঢাকা টেকনিক্যাল সেকশনে কর্মরত। জিজ্ঞাসাবাদে আটক মাহফুজ জানিয়েছে ২০১১-২০১৩ সালে কক্সবাজার জেলার টেকনাফে চাকুরি করার সময় ইয়াবা ব্যবসায়ীদের সাথে তার সখ্যতা হয়।’

তিনি জানান, ‘ কক্সবাজার থেকে আনা ৬ লাখ ৮০ হাজার পিস ইয়াবার চালানটি ঢাকায় পৌছে দিতে কক্সবাজার গোয়েন্দা পুলিশের এএসআই মো. বেলাল ও চট্টগ্রাম জেলা পুলিশের কুমিরা পুলিশ ফাড়ির ইনচার্জ এসআই মো. আশিক তাকে অনুরোধ করেছে বলে র‌্যাবকে জানিয়েছে গ্রেপ্তার হওয়া মাহফুজ।’

র‌্যাব ৭ এর পরিচালক আরো জানান, ‘ঢাকায় তার কাছ থেকে ইয়াবাগুলো হাইকোর্টের জনৈক মহুরী মো. মোতালেব, এ্যাডভোকেট জাকির, এসবি কনস্টেবল শাহীন, কাশেম, গিয়াসদের বুঝে নেয়ার কথা ছিল। এছাড়াও তার নোট বুকে ১৪ জনের সাথে বিভিন্ন সময়ে ইয়াবা লেনদেনের ২৮ কোটি ৪৪ লক্ষ ১৩ হাজার টাকার হিসাব পাওয়া গেছে।’

তবে সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত সাংবাদিকদের সামনে গ্রেপ্তারকৃত পুলিশসহ চালককে হাজির করেনি র‌্যাব-৭।

এ ঘটনায় গাড়ির মালিক পুলিশের এএসআই মাহফুজুর রহমান ও ড্রাইভার জাবেদ আলীকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে র‌্যাব।

 

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।