২৩ জুন, ২০২৬ | ৯ আষাঢ়, ১৪৩৩ | ৭ মহর্‌রম, ১৪৪৮


শিরোনাম
  ●  লম্বরীপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নেতৃত্বে রমজান আলী   ●  পাতেলী খালের তীরে ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি ৪৭ বছর পর আবারও আলোচনায় শাহজাহান চৌধুরী   ●  মরিচ্যা বাজারের মডেল মসজিদ ও মার্কেট পরিদর্শনে ইউএনও রিফাত আসমা   ●  দক্ষিণ এশিয়ার সেরা গোল রক্ষক জিকুকে সংবর্ধিত করলো ক্রীড়া সাংবাদিকদের শীর্ষ সংগঠন বিএসপিএ   ●  কৃষিখাতের উন্নয়নে নিরলস ভাবে কাজ করছে সরকার   ●  বদরখালী সমবায় কৃষি ও উপনিবেশ সমিতির বার্ষিক সাধারণ সভায় এমপি জাফর আলম   ●  টেকনাফে প্যারাবনে আটটি বস্তায় মিলল বিদেশি৩৮৮ক্যান বিয়ার ও৭৬ বোতল মদ   ●  মানুষের কথা বলেই যাবে কক্সবাজার বার্তা   ●  টেকনাফে বিদেশী হুইস্কিসহ মাদক কারবারী আটক   ●  নজিবুল ইসলামের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি : গ্রামীণ জনপদের মানুষের মুখে হাসি

জাকের মোস্তফা হত্যা মামলার ৩ আসামী টেকনাফে আটক

000014-e14035999355871-641x330

শহরের বহুল আলোচিত জাকের মোস্তাফা খুনের ১৯ দিন পর এজাহার নামীয় ২জনসহ ৩ আসামীকে স্থানীয় জনতার সহযোগিতায় আটক করেছে টেকনাফ থানা পুলিশ।
গত ১৮এপ্রিল শনিবার রাত ১১টা দিকে টেকনাফ পৌর এলাকার কলেজ পাড়ার একটি বাড়ি ঘেরাও করে স্থানীয় জনতার সহযোগিতায় পুলিশ তাদের আটক করেন।
পরে টেকনাফ থানা পুলিশ আসামীদের গ্রেফতার করে থানা হেফাজতে নিয়ে যান। টেকনাফ থানা পুলিশ রোববার দুপুরে কক্সবাজার সদর মডেল থানা পুলিশের নিকট হন্তান্তর করা হয়।
আটককৃতরা হলেন- এজাহারের ২নং আসামি কক্সবাজার শহরের পাহাড়তলীর ইসলামপুর এলাকার মৃত ইউছুপ মাঝির পুত্র নুর মোহাম্মদ (৩৬), ৬নং আসামী পূর্ব পাহাড়তলী ইসলামপুর এলাকার হোসেন মাঝি প্রকাশ কাশেম মাঝির পুত্র মোহাম্মদ ছালাম (৩৫) এবং তাদের সহযোগী পাহাড়তলীর মোহাম্মদ শাহেদ (২৮)।
এদিকে কক্সবাজার সদর মডেল থানা উপ-পরিদর্শক (এসআই) কল্লোল চৌধুরী জানিয়েছেন, আটকৃতদের ৭ দিনের রিমান্ডের আবেদন জানিয়ে রোববার জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে। আদালত পরবর্তী আগামি ২২ এপ্রিল রিমান্ড শুনানী ধার্য্য করে জেল হাজতে প্রেরণ করেন।
বাদী পক্ষের দাবী আটককৃত উল্লেখিত ৩ জনই জাকের মোস্তাফার কিলিং মিশনে সরাসরি অংশ নিয়েছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আটককৃতরা কক্সবাজার শহরের পাহাড়তলীসহ আশপাশের এলাকাগুলোতে দীর্ঘদিন ধরে ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করে আসছে।
খুন, রাহাজানি, ছিনতাই, জমি দখল, লুটপাট, ডাকাতি, অপহরণ মুক্তিপণ আদায়সহ এমন কোন অপকর্ম নেই যে তারা করেনি।
আটককৃতদের মধ্যে মোহাম্মদ ছালাম ও নুর মোহাম্মদ বিরুদ্ধে খুনসহ ডজন খানেক মামলা রয়েছে।
এছাড়া শাহেদের বিরুদ্ধে ৩টি খুনসহ ২১টি মামলা রয়েছে। তার মধ্যে ২ সহোদর আলা উদ্দিন ও জসিম উদ্দিন খুন অন্যতম।

স্থানীয় এলাকাবাসি জানিয়েছেন, আটককৃত নুর মোহাম্মদ শহরের আলোচিত এাস রকি বাহিনীর সেকেন্ড ইন কমান্ড। তার নিয়ন্ত্রণে শহরের অলিগতিতে নানা অপকর্ম চালিয়ে আসছিল নুর মোহাম্মদ।

প্রসঙ্গত: গত ৩১ মার্চ বিকাল ৫টায় কক্সবাজার শহরের পাহাড়তলীর ইসলামপুরের নজির হোসেন মিস্ত্রির ঘোনায় এলাকায় চিহ্নিত সন্ত্রাসীরা জাকের মোস্তফাকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করে। আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে উক্ত হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয় বলে জনশ্রুতি রয়েছে।

উক্ত হত্যাকাণ্ডের পর নিহতের বড় ভাই শওকত আলম বাদি হয়ে চিহ্নিত ১০ জনসহ অজ্ঞাতনামা আরো ৫/৬জনের বিরুদ্ধে কক্সবাজার সদর মডেল থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
হত্যাকান্ডে দীর্ঘ ১৯ দিন পর উপরোক্ত আসামিরা টেকনাফে গ্রেফতার হয়।
বাদির পক্ষের দাবি, আটককৃত ৩ আসামিকে রিমান্ডে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে চাঞ্চল্যকর জাকের মোস্তফা হত্যকান্ডের মুল রহস্য উদঘাটন হবে। এমনকি বিপুল পরিমান অস্ত্র উদ্ধার করা সম্ভব হবে বলে তাদের দাবি।
বলে স্থানীয়দের ধারণা। তাছাড়া হত্যাকাণ্ডে মুলত কারা সরাসরি অংশ নিয়েছে এবং নেপথ্যে কারা জড়িত তাও জানা যাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।