১০ জুলাই, ২০২৬ | ২৬ আষাঢ়, ১৪৩৩ | ২৪ মহর্‌রম, ১৪৪৮


শিরোনাম
  ●  প্রতিক্রিয়া : ৫ না ৮—রোহিঙ্গা ক্যাম্পে আসলে কতজন নিহত? সংখ্যার এই বিভ্রান্তির দায় কার?   ●  লম্বরীপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নেতৃত্বে রমজান আলী   ●  পাতেলী খালের তীরে ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি ৪৭ বছর পর আবারও আলোচনায় শাহজাহান চৌধুরী   ●  মরিচ্যা বাজারের মডেল মসজিদ ও মার্কেট পরিদর্শনে ইউএনও রিফাত আসমা   ●  দক্ষিণ এশিয়ার সেরা গোল রক্ষক জিকুকে সংবর্ধিত করলো ক্রীড়া সাংবাদিকদের শীর্ষ সংগঠন বিএসপিএ   ●  কৃষিখাতের উন্নয়নে নিরলস ভাবে কাজ করছে সরকার   ●  বদরখালী সমবায় কৃষি ও উপনিবেশ সমিতির বার্ষিক সাধারণ সভায় এমপি জাফর আলম   ●  টেকনাফে প্যারাবনে আটটি বস্তায় মিলল বিদেশি৩৮৮ক্যান বিয়ার ও৭৬ বোতল মদ   ●  মানুষের কথা বলেই যাবে কক্সবাজার বার্তা   ●  টেকনাফে বিদেশী হুইস্কিসহ মাদক কারবারী আটক

চিকিৎসা ও মানব সেবায় অবদান রাখায় মাদার তেরেসা স্বর্ণপদক পেলেন এম.এ কাশেম

রায়হান সিকদার,(লোহাগাড়া): চিকিৎসা ও মানব সেবায় বিশেষ ভাবে অবদান রাখায় মাদার তেরেসা স্বর্ণপদক-১৭ এবং সম্মাননা সনদ লাভ করেছেন লোহাগাড়া মা-মণি হাসপাতালের প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক, খাতিজাতুল কুবরা (রা:) হেফজখানা ও এতিমখানার প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান, বিশিষ্ট সমাজ সেবক পদুয়ার কৃতি সন্তান কর্মবীর এম.এ কাশেম। গত ১৪ অক্টোবর রাজধানীর প্যান প্যাসিফিক হোটেল সোনারগাঁও’র সুরমা হলে “আলোকিত বাংলার মুখ ফাউন্ডেশন’র উদ্যোগে “মাদক বিরোধী জনসচেতনতায় আমাদের করণীয়” শীর্ষক আলোচনা সভা ও গুণীজন সংবর্ধনা অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন জাতীয় পার্টি (জেপি)’র মহাসচিব ও সাবেক মন্ত্রী শেখ শহিদুল ইসলাম। প্রধান আলোচক ছিলেন বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিলের চেয়ারম্যান বিচারপতি মো: মমতাজ উদ্দিন আহমদ। বিচারপতি আব্দুস ছালাম মামুনের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালের প্রো-ভিসি প্রফেসর ড. শহিদুল্লাহ্ সিকদার, বাংলাদেশ মানবাধিকার ব্যুরোর মহাসচিব ড. মো: শাহাজাহান, নজরুল ইনষ্টিটিউটের উপ-পরিচালক কবি রেজা উদ্দিন স্টালিন, বাংলাদেশ গণ আজাদীলীগ (১৪দলীয় শরীফ দলের সাধারণ সম্পাদক) মোহাম্মদ আতাউল্লাহ্ খান। অনুষ্ঠানে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন আলোকিত বাংলার মুখ ফাউন্ডেশনের সভাপতি শাহ্ আলম ছুন্নু। এ ব্যাপারে লোহাগাড়া মা-মণি হাসপাতলের প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক বিশিষ্ট সমাজ সেবক জ্ঞান পিপাসু এম.এ কাশেম তার অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে তিনি বলেছেন, এ অর্জন আমার একার নয়। এ অর্জন পুরো লোহাগাড়াবাসীর। আমি আমার অর্জনটুকু লোহাগাড়া মানুষকে উৎসর্গ করলাম। তিনি আরো জানিয়েছেন, হাসপাতালের চেয়ারম্যান, ডাইরেক্টর, এমডি, ডাক্তার, স্টাপ, নার্স, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের আন্তরিক সহযোগিতা ছিল বলেই আমি এ অর্জনটুকু লাভ করতে সক্ষম হয়েছি। এম.এ কাশেম বিশেষ করে তার অর্জনের নেপথ্যে যিনি সব সময় তাকে অনুপ্রেরণা দিয়েছেন তিনি হলেন তাঁর সুযোগ্য সহধর্মীনি ফরিদা ফারিয়া। এম.এ কাশেমের দীর্ঘ দিনের সুন্দর এবং লালিত স্বপ্ন ছিল যে, লোহাগাড়ায় একটি পরিপূর্ণ নান্দনিক ও অত্যাধুনিক হাসপাতাল নির্মাণ করার। সকলের আন্তরিক সহযোগিতা এবং আল্লাহ্র অশেষ মেহেরবানীতে ৬ষ্ঠ তলা বিশিষ্ট একটি দৃষ্টি নন্দন ও আধুনিক মা-মণি হাসপাতাল প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। ইতিমধ্যে নতুন ভবনের হাসপাতালের চিকিৎসা সেবার কার্যক্রম শুরু হয়েছে। মানুষের দৌঁড়গোড়ায় চিকিৎসা সেবা পৌঁছে দিতে কাজ করে যাচ্ছে মা-মণি হাসপাতাল লিঃ। চিকিৎসা সেবাকে আরো গতিশীল ও উন্নতি করণ করতে সকলের পরামর্শ এবং সহযোগিতা কামনা করেছেন লোহাগাড়া মা-মণি হাসপাতালের প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক বিশিষ্ট সমাজ সেবক ও দানবীর এম.এ কাশেম। অন্যদিকে, লোহাগাড়া মা-মণি হাসপাতাল পরিদর্শনে আসেন হাসপাতালের চেয়ারম্যার, নোয়াখালি মেডিকেল কলেজের সহযোগি অধ্যাপক ও বিভাগীয় প্রধান, পদুয়া কৃতি সন্তান সার্জারী বিশেষজ্ঞ ডা: আনোয়ারুল হক। লোহাগাড়া মা-মণি হাসপাতালের প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক এম.এ কাশেম চিকিৎসা ও মানব সেবায় যে অর্জনটুকু স্বর্ণপদক ও সম্মাননা গুলো তাঁর হাতে তুলে দিয়েছেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন লোহাগাড়া মা-মণি হাসপাতালের মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ডা: রবিউল আলম, শিশু ও মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ডা: অলক নেওয়ার বাহাদুর ও লোহাগাড়া মা-মণি হাসপাতালের সেক্রেটারী ডা: আক্তার আহমদ।

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।