১৫ আগস্ট, ২০২৬ | ৩১ শ্রাবণ, ১৪৩৩ | ১ রবিউল আউয়াল, ১৪৪৮


শিরোনাম
  ●  পৌরসভার অর্থায়নে সেগুনবাগিচায় ৪টি রাস্তা নির্মাণ শুরু   ●  উখিয়ায় জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসে আলোচনা, রক্তদান ও উন্নত খাবার বিতরণ   ●  আলোচিত ৫০ হাজার পিস ইয়াবা আটকের মামলায় নাম নেই ইয়াবার মুল মালিক ডালিম ও ভুট্টোর   ●  ফরেস্ট রেঞ্জার্স ডে উপলক্ষে রাঙ্গুনিয়া ইকোপার্কে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন   ●  জবিস্থ কক্সবাজার ছাত্রকল্যাণের নেতৃত্বে কলিম-নয়ন   ●  হলদিয়াপালং ইউনিয়ন যুবদলের সাংগঠনিক উত্তর শাখার ৭ সদস্য বিশিষ্ট আংশিক কমিটি অনুমোদন   ●  হাসপাতাল ছাড়লেন আহত ৫ বনকর্মী, এসিএফ’র নেতৃত্বে ঘটনাস্থল পরিদর্শন   ●  কক্সবাজারে বনভূমি দখল উচ্ছেদে গিয়ে হামলা, রেঞ্জ কর্মকর্তাসহ ৫ বনকর্মী আহত   ●  স্নাতকের শেষবর্ষের ছাত্র ইমরানকে ‘ছাত্রলীগ ট্যাগ’ লাগিয়ে নাশকতা মামলায় চালান, পরীক্ষা চলাকালেই পাঠানো হলো কারাগারে   ●  প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ জানিয়েছেন এম মনজুর আলম মেম্বার

চকরিয়ায় বসতঘরে প্রতিপক্ষের হামলা ও ভাংচুর, তলপেটে লাথিকে আহত গৃহবধু


চকরিয়া উপজেলার পুর্ববড় ভেওলা ইউনিয়নে বাড়ি তৈরীতে বাঁধা দেয়ার জেরে প্রতিপক্ষের দৃর্বৃত্তরা বসতবাড়িতে ঢুকে হামলা চালিয়ে ব্যাপক ভাংচুর করেছে। এসময় বাঁধা দিতে গেলে প্রথমে স্বামীকে মারধর করে। তাকে উদ্ধারে এগিয়ে আসলে স্ত্রীকে তলপেটে লাথি মেরে গুরুতর জখম করেছে দৃর্বৃত্তরা। গুরুতর আহত ওই নারীকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় প্রথমে উপজেলা হাসপাতাল ও পরে জেলা সদর হাসপাতালের ওয়ানস্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে (ওসিসি) ভর্তি করা হয়েছে। গত ৭ এপ্রিল সকালে ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ডের ব্রাক্ষনপাড়া গ্রামে ঘটেছে এ হামলার ঘটনা।
এ ঘটনায় হামলার শিকার গৃহবধুর স্বামী রাজা মিয়া বাদি হয়ে ১২ এপ্রিল চকরিয়া উপজেলা সিনিয়র জুড়িসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে একটি নালিশী মামলা দায়ের করেছেন। মামলায় আসামি করা হয়েছে একই গ্রামের মোহাম্মদ মুছা, তার দুই ছেলে আবদুল আজিজ ও আবদুল হাকিম। গতকাল ১৩ এপ্রিল আদালতের বিচারক বাদির অভিযোগটি আমলে নিয়ে তদন্ত প্রতিবেদন দেয়ার জন্য চকরিয়া থানার ওসিকে নির্দেশ দিয়েছেন।
মামলার বাদি রাজা মিয়া অভিযোগ করেছেন, বসতবাড়িতে হামলা এবং তার স্ত্রী রাবেয়া বেগমকে তলপেটে লাথি মেরে গোপন অঙ্গে রক্তাক্ত জখমের ঘটনায় আদালতে মামলা করলে ক্ষিপ্ত হন অভিযুক্তরা। ঘটনাকে তাঁরা ভিন্নখাতে প্রবাহিত করে অপরাধ থেকে রক্ষা পেতে অভিযুক্ত আবদুল আজিজ ও তাঁর ভাই আবদুল হাকিম কৌশলে তাঁেদর স্ত্রীদেরকে ধারালো অস্ত্রে জখমের আঘাত দেখিয়ে ঘটনার বেশ কদিন পর ১২ এপ্রিল উল্টো চকরিয়া থানায় একটি সাজানো অভিযোগ দায়ের করেছেন।
রাজা মিয়া দাবি করেন, তাঁর পরিবারকে ঘায়েল করতে এবং আগের ঘটনায় দায়ের করা মামলা থেকে বাঁচতে অভিযুক্ত দুই মিলে নিজের স্ত্রীকে শাররীকভাবে জখমের ঘটনাটি এলাকার লোকজন স্বচক্ষে দেখেছে। পুলিশ সরেজমিন এলাকায় গিয়ে তদন্ত করলে ঘটনার সত্যতা বেরিয়ে আসবে।
মামলার বাদি রাজা মিয়া জানান, তার বাড়িতে হামলার সময় অভিযুক্তরা ব্যাপক ভাংচুর করে। এতে আনুমানিক ৫০ হাজার টাকার ক্ষতিসাধন হয়েছে। এসময় তার স্ত্রী রাবেয়া খাতুনকে আঘাত করে তাঁর গলা থেকে ৪২ হাজার টাকা দামের একটি স্বর্ণের চেইন লুটে নিয়ে গেছে। বর্তমানে অভিযুক্তরা বসতবাড়িতে ফের হামলা ও আগুনে পুড়িয়ে দেয়ার হুমকি দিচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন মামলার বাদি রাজা মিয়া।

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।