৬ জুলাই, ২০২৬ | ২২ আষাঢ়, ১৪৩৩ | ২০ মহর্‌রম, ১৪৪৮


শিরোনাম
  ●  লম্বরীপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নেতৃত্বে রমজান আলী   ●  পাতেলী খালের তীরে ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি ৪৭ বছর পর আবারও আলোচনায় শাহজাহান চৌধুরী   ●  মরিচ্যা বাজারের মডেল মসজিদ ও মার্কেট পরিদর্শনে ইউএনও রিফাত আসমা   ●  দক্ষিণ এশিয়ার সেরা গোল রক্ষক জিকুকে সংবর্ধিত করলো ক্রীড়া সাংবাদিকদের শীর্ষ সংগঠন বিএসপিএ   ●  কৃষিখাতের উন্নয়নে নিরলস ভাবে কাজ করছে সরকার   ●  বদরখালী সমবায় কৃষি ও উপনিবেশ সমিতির বার্ষিক সাধারণ সভায় এমপি জাফর আলম   ●  টেকনাফে প্যারাবনে আটটি বস্তায় মিলল বিদেশি৩৮৮ক্যান বিয়ার ও৭৬ বোতল মদ   ●  মানুষের কথা বলেই যাবে কক্সবাজার বার্তা   ●  টেকনাফে বিদেশী হুইস্কিসহ মাদক কারবারী আটক   ●  নজিবুল ইসলামের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি : গ্রামীণ জনপদের মানুষের মুখে হাসি

চকরিয়ায় জলমহাল ইজারায় চক্রান্ত ১০লাখ টাকার রাজস্ব ক্ষতির আশঙ্কা


চকরিয়া উপজেলার ঢেমুশিয়া জলমহালটি উন্মক্ত রেখে সরকারের রাজস্ব ফাঁকি দেয়ার চক্রান্ত করা হচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ জলমহালটির নিলাম বন্ধ করে দেয়া হলে সরকার প্রতি তিন বছরে ১০লাখ টাকার রাজস্ব হারাবে। এতে লাভবান হবে একটি স্বার্থান্বেষী মহল। তারা লোনা পানি ঢুকিয়ে প্রান্তিক কৃষকদেরও ক্ষতি সাধন করবে। পশ্চিম বড়ভেওলা মৎস্যজীবি সমবায় সমিতি লিঃ এর নেতৃবৃন্দ সাংবাদিকদের কাছে এ অভিযোগ তুলেন ধরেন।
উপজেলার পশ্চিম বড়ভেওলা মৎস্যজীবি সমবায় সমিতি লিঃ এর সভাপতি নূর হোসেন অভিযোগ করে জানান; তারা এ জলমহালটি সাড়ে ৯লাখ টাকায় কক্সবাজার জেলা প্রশাসকের কার্যালয় থেকে তিন বছরের জন্য ইজারা নিয়েছিল। এ বছর ইজার মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে। এ বছরও এটি নিলাম দেয়ার প্রক্রিয়ায় আছে। কিš‘ একটি স্বার্থান্বেষী মহল জলমহালটি উন্মুক্ত রেখে নিজেরা স্লুইচ গেটে জাল বসিয়ে মাছ ধরার জন্য চক্রান্ত করে আসছে। তারা নানাভাবে এ জলমহালটি ইজারা না দেয়ার জন্য প্রস্তাব পাঠা”েছ। মৎস্যজীবি সমিতির সদস্যরা জানান, এই জলমহালটির লীজ বন্ধ করা হলে সরকার ১০লাখ টাকার রাজস্ব থেকে বঞ্চিত, অপরদিকে স্বার্থান্বেষী মহলটি নিজেদের ইচ্ছে মতে জলমহালে সমুদ্র থেকে লোনা পানি ঢুকিয়ে এলাকার প্রান্তিক কৃষকদের ক্ষতি করবে।
জলমহালটি লীজ দেয়া হলে একদিকে সরকার একটি নির্দিষ্ট অংকের রাজস্ব পাবে অন্যদিকে এটি সরকারের নিয়ন্ত্রনে থাকায় জলমহালে যার যখন খুশি তখন লানা পানি ঢুকাতে পারবে না। এতে সরকার ও এলাকার কৃষক দুইই লাভবান হবে। এ ব্যাপারে পশ্চিম বড় ভেওলা ও ঢেমুশিয়ায় ইউনিয়নের কৃষকরা জানায়; জলমহালটি উন্মুক্ত রাখলে স্বার্থান্বেষী মহলের লাভ হবে, আর এটি নিলাম দেয়া হলে সরকার ও এলাকাবাসি উভয়েরই লাভ। এ জলমহালটি ইজারা দেয়ায় গত তিন বছরে এলাকার কৃষক ও কৃষির কোন ক্ষয়ক্ষতি হয়নি।

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।