২১ এপ্রিল, ২০২৬ | ৮ বৈশাখ, ১৪৩৩ | ৩ জিলকদ, ১৪৪৭


শিরোনাম
  ●  ছাত্রদল নেতা হত্যা মামলার আসামি হলেন রামু থানার নবাগত ওসি আরমান   ●  ইউজিসি ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের টিমের সঙ্গে সাউথ কোরিয়া গেলেন লায়ন মো. মুজিবুর রহমান   ●  কক্সবাজার সদর হাসপাতালে দায়িত্ব পেলেন উখিয়ার ডা. নুরুল আবছার শিমুল   ●  উখিয়ায় বসতভিটা দখলকে কেন্দ্র করে হামলা: নারী-পুরুষসহ আহত ৪, এলাকায় আতঙ্ক   ●  বার কাউন্সিলে উত্তীর্ণ সিবিআইইউ শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা   ●  এআই বিষয়ে কক্সবাজার ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে সেমিনার   ●  প্রতারণা-জালিয়াতিই যেন বেলায়তের নীতি!   ●  উখিয়ায় প্রত্যন্ত এলাকার দেড় শতাধিক পরিবার পেল কৃষি উপকরণ   ●  পাতাবাড়ি স্কুল প্রাক্তনদের পুনর্মিলনী ২৮ মার্চ   ●  উখিয়ায় মাত্তুল শফিকের নেতৃত্বে ছাত্রদল নেতাদের উপর সন্ত্রাসী হামলা

চকরিয়ায় গৃহবধু ফাতেমা হত্যা মামলার অভিযুক্ত আসামি ৬মাসেও গ্রেপ্তার হয়নি

চকরিয়া উপজেলার হারবাং ইউনিয়নের আলীপুর গ্রামে চলতিবছরের ২৩ জানুয়ারী দিনদুপুরে গৃহবধু ফাতেমা জন্নাত বিটুকে পারিবারিক কলহের জেরে স্বামী ও শ^াশড় বাড়ির লোকজন পিটিয়ে ও স্বাসরোধে হত্যা করে। এ ঘটনায় নিহতের বাবা মাহাবুবুল আলম বাদি হয়ে ঘটনার দিন চকরিয়া থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলায় আসামি করা ঘাতক স্বামী ওসমান গনী, তার বাবা আবু তাহের মেস্ত্রী, ভাই মাস্টার নুরুল বশর, মাতা হাদিছা বেগমসহ চারজনকে। বর্তমানে মামলাটি তদন্ত করছেন হারবাং পুলিশ ফাড়ির আইসি পুলিশ পরির্দশক তোফাজ্জল হোসেন।
মামলার বাদি মাহাবুবুল আলম দাবি করেছেন, তাঁর মেয়েকে হত্যার পর প্রায় ৬মাস সময় অতিবাহিত হলেও পুলিশ এখনো মামলার কোন আসামীকে গ্রেফতার করতে পারেনি। এ সুযোগে অভিযুক্ত আসামিরা কৌশলে মামলা থেকে রক্ষা পেতে নানাভাবে অপচেষ্টা চালিয়ে আসছে। বাদি অভিযোগ করেছেন, হত্যাকান্ডের পর প্রায় ছয়মাস সময় পার হয়ে গেলে কৌশলে আসামি পক্ষের লোকজন উল্টো তাঁর পরিবারকে হয়রানি করতে চক্রান্ত শুরু করে। এরই জেরে বাড়িতে লুটপাটের সাজানো ঘটনা দেখিয়ে গত ১১জুন চকরিয়া উপজেলা সিনিয়র জুড়িসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে একটি মামলা করেন মামলার প্রধান আসামি ওসমান গনীর বোন রেহেনা আক্তার।
নিহতের বাবা মামলার বাদি মাহাবুবুল আলম জানান, তার পরিবারকে হয়রানি করতে আসামি পক্ষের দায়ের করা মামলায় তাকে এক নম্বর আসামি করা হয়েছে। একই সাথে মামলাটিতে আসামি করা হয়েছে নিকটত্মীয় আবুল ফজল, শহীদ উল্লাহ, আমির হোসেন, নিহতের মাতা ছেনুয়ারা বেগম, আনোয়ারা বেগম, রুবি আক্তার, হেলাল উদ্দিন ও নিহতের ছোটবোন তছলিমা জন্নাত ছোটনকে। আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে তদন্ত প্রতিবেদক দাখিলের জন্য কক্সবাজারস্থ পুলিশ বুরো অব ইনভেটিগেন (পিবিআই) পুলিশকে নির্দেশ দিয়েছেন। ভুক্তভোগী মামলার বাদি ও নিহতের বাবা মাহাবুবুল আলম এবং পরিবার সদস্যরা এব্যাপারে পিবিআই পুলিশ এবং আদালতের কাছে নিরপেক্ষ তদন্তের আবেদন জানিয়েছেন।

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।