৮ জুলাই, ২০২৬ | ২৪ আষাঢ়, ১৪৩৩ | ২২ মহর্‌রম, ১৪৪৮


শিরোনাম
  ●  লম্বরীপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নেতৃত্বে রমজান আলী   ●  পাতেলী খালের তীরে ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি ৪৭ বছর পর আবারও আলোচনায় শাহজাহান চৌধুরী   ●  মরিচ্যা বাজারের মডেল মসজিদ ও মার্কেট পরিদর্শনে ইউএনও রিফাত আসমা   ●  দক্ষিণ এশিয়ার সেরা গোল রক্ষক জিকুকে সংবর্ধিত করলো ক্রীড়া সাংবাদিকদের শীর্ষ সংগঠন বিএসপিএ   ●  কৃষিখাতের উন্নয়নে নিরলস ভাবে কাজ করছে সরকার   ●  বদরখালী সমবায় কৃষি ও উপনিবেশ সমিতির বার্ষিক সাধারণ সভায় এমপি জাফর আলম   ●  টেকনাফে প্যারাবনে আটটি বস্তায় মিলল বিদেশি৩৮৮ক্যান বিয়ার ও৭৬ বোতল মদ   ●  মানুষের কথা বলেই যাবে কক্সবাজার বার্তা   ●  টেকনাফে বিদেশী হুইস্কিসহ মাদক কারবারী আটক   ●  নজিবুল ইসলামের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি : গ্রামীণ জনপদের মানুষের মুখে হাসি

ঘুমধুমে নিজ রাইফেলের গুলিতে পুলিশ সদস্যের আত্মহত্যা


বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি থানা পুলিশের নিয়ন্ত্রণাধীন ঘুমধুম তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত এক পুলিশ কনস্টেবল নিজের রাইফেলের গুলিতে নিহত হয়েছে। ওই কনস্টেবলের নাম তুষার কান্তি দে (কং নং- ১৪৬৯)। শুক্রবার ৩১ মার্চ সকাল ১১টায় তদন্ত কেন্দ্রের ব্র্যাকে এ ঘটনা ঘটে। তার বাড়ি চট্টগ্রামের সীতাকুন্ড এলাকায়।
জানা গেছে, কনস্টেবল তুষার কান্তি দে (২৮) প্রতিদিনের ন্যায় ডিউটি শেষে ব্র্যাকে অবস্থান করছিল। ব্র্যাকের অন্যান্য পুলিশ সদস্যরা জুমা নামাজের জন্য গোসলের প্রস্ততি নেওয়াকালে সকাল ১১.৩০ টার দিকে নিজের নামে ইস্যুকৃত রাইফেল দিয়ে মাথায় গুলি করে আত্মহত্যা করেন তিনি। গুলির শব্দ শুনে অপরাপর পুলিশ সদস্যরা এগিয়ে এসে তুষারের গুলিবিদ্ধ দেহ দেখতে পায়। পরে তাকে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে নেওয়া হলে দুপুর ১.৪০ টায় চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষনা করেন।
ঘুমধুম পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ এসআই আমিনুল আত্মহত্যা কারণ জানাতে না পারলেও, অসমর্থিত একটি সূত্র জানিয়েছে প্রেমের সম্পর্কের কারণে তুষার আত্মহত্যা করেছে।
নাইক্ষ্যংছড়ি থানায় অফিসার ইনচার্জের অতিরিক্ত দায়িত্বে থাকা এসআই মনির হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন- গুলিবিদ্ধ কনস্টেবল তুষারকে দ্রুত কক্সবাজার সদর হাসপাতালে নেওয়া হলে দুপুর ১.৪০ টায় কর্তব্যরত ডাক্তার তাঁকে মৃত ঘোষনা করে। কি কারনে সে আত্মহত্যা করেছে তা এখনো জানা যায়নি বলে জানান তিনি। এদিকে এ সংবাদ লিখাকালীন এএসআই জমির হোসেন বাদী হয়ে নাইক্ষ্যংছড়ি থানায় একটি অপমৃত্যু মামলার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন।
উল্লেখ্য, তুষার কান্তি দে বাংলাদেশ পুলিশে যোগদান করে ২০১৩ সনের এপ্রিল মাসে। তাঁর পিতাও বাংলাদেশ পুলিশের অবসরপ্রাপ্ত একজন সুবেদার ছিলেন।

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।