২৩ আগস্ট, ২০২৬ | ৮ ভাদ্র, ১৪৩৩ | ৯ রবিউল আউয়াল, ১৪৪৮


শিরোনাম
  ●  দোকান মালিক সমিতি ফেডারেশন নির্বাচনে সভাপতি পদে এগিয়ে আবুল হাশেম   ●  সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ সাবের এর নেতৃত্বে উখিয়া উপজেলার বেসরকারি ক্লিনিক-হাসপাতাল ও ডায়াগন্টিক সেন্টার পরিদর্শন   ●  কক্সবাজার পুলিশ সুপারকে ঘিরে তিনজনের বদলি-পদায়ন বাণিজ্য   ●  পৌরসভার অর্থায়নে সেগুনবাগিচায় ৪টি রাস্তা নির্মাণ শুরু   ●  উখিয়ায় জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসে আলোচনা, রক্তদান ও উন্নত খাবার বিতরণ   ●  আলোচিত ৫০ হাজার পিস ইয়াবা আটকের মামলায় নাম নেই ইয়াবার মুল মালিক ডালিম ও ভুট্টোর   ●  ফরেস্ট রেঞ্জার্স ডে উপলক্ষে রাঙ্গুনিয়া ইকোপার্কে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন   ●  জবিস্থ কক্সবাজার ছাত্রকল্যাণের নেতৃত্বে কলিম-নয়ন   ●  হলদিয়াপালং ইউনিয়ন যুবদলের সাংগঠনিক উত্তর শাখার ৭ সদস্য বিশিষ্ট আংশিক কমিটি অনুমোদন   ●  হাসপাতাল ছাড়লেন আহত ৫ বনকর্মী, এসিএফ’র নেতৃত্বে ঘটনাস্থল পরিদর্শন

ঘুমধুমে নিজ রাইফেলের গুলিতে পুলিশ সদস্যের আত্মহত্যা


বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি থানা পুলিশের নিয়ন্ত্রণাধীন ঘুমধুম তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত এক পুলিশ কনস্টেবল নিজের রাইফেলের গুলিতে নিহত হয়েছে। ওই কনস্টেবলের নাম তুষার কান্তি দে (কং নং- ১৪৬৯)। শুক্রবার ৩১ মার্চ সকাল ১১টায় তদন্ত কেন্দ্রের ব্র্যাকে এ ঘটনা ঘটে। তার বাড়ি চট্টগ্রামের সীতাকুন্ড এলাকায়।
জানা গেছে, কনস্টেবল তুষার কান্তি দে (২৮) প্রতিদিনের ন্যায় ডিউটি শেষে ব্র্যাকে অবস্থান করছিল। ব্র্যাকের অন্যান্য পুলিশ সদস্যরা জুমা নামাজের জন্য গোসলের প্রস্ততি নেওয়াকালে সকাল ১১.৩০ টার দিকে নিজের নামে ইস্যুকৃত রাইফেল দিয়ে মাথায় গুলি করে আত্মহত্যা করেন তিনি। গুলির শব্দ শুনে অপরাপর পুলিশ সদস্যরা এগিয়ে এসে তুষারের গুলিবিদ্ধ দেহ দেখতে পায়। পরে তাকে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে নেওয়া হলে দুপুর ১.৪০ টায় চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষনা করেন।
ঘুমধুম পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ এসআই আমিনুল আত্মহত্যা কারণ জানাতে না পারলেও, অসমর্থিত একটি সূত্র জানিয়েছে প্রেমের সম্পর্কের কারণে তুষার আত্মহত্যা করেছে।
নাইক্ষ্যংছড়ি থানায় অফিসার ইনচার্জের অতিরিক্ত দায়িত্বে থাকা এসআই মনির হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন- গুলিবিদ্ধ কনস্টেবল তুষারকে দ্রুত কক্সবাজার সদর হাসপাতালে নেওয়া হলে দুপুর ১.৪০ টায় কর্তব্যরত ডাক্তার তাঁকে মৃত ঘোষনা করে। কি কারনে সে আত্মহত্যা করেছে তা এখনো জানা যায়নি বলে জানান তিনি। এদিকে এ সংবাদ লিখাকালীন এএসআই জমির হোসেন বাদী হয়ে নাইক্ষ্যংছড়ি থানায় একটি অপমৃত্যু মামলার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন।
উল্লেখ্য, তুষার কান্তি দে বাংলাদেশ পুলিশে যোগদান করে ২০১৩ সনের এপ্রিল মাসে। তাঁর পিতাও বাংলাদেশ পুলিশের অবসরপ্রাপ্ত একজন সুবেদার ছিলেন।

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।