১২ আগস্ট, ২০২৬ | ২৮ শ্রাবণ, ১৪৩৩ | ২৮ সফর, ১৪৪৮


শিরোনাম
  ●  পৌরসভার অর্থায়নে সেগুনবাগিচায় ৪টি রাস্তা নির্মাণ শুরু   ●  উখিয়ায় জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসে আলোচনা, রক্তদান ও উন্নত খাবার বিতরণ   ●  আলোচিত ৫০ হাজার পিস ইয়াবা আটকের মামলায় নাম নেই ইয়াবার মুল মালিক ডালিম ও ভুট্টোর   ●  ফরেস্ট রেঞ্জার্স ডে উপলক্ষে রাঙ্গুনিয়া ইকোপার্কে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন   ●  জবিস্থ কক্সবাজার ছাত্রকল্যাণের নেতৃত্বে কলিম-নয়ন   ●  হলদিয়াপালং ইউনিয়ন যুবদলের সাংগঠনিক উত্তর শাখার ৭ সদস্য বিশিষ্ট আংশিক কমিটি অনুমোদন   ●  হাসপাতাল ছাড়লেন আহত ৫ বনকর্মী, এসিএফ’র নেতৃত্বে ঘটনাস্থল পরিদর্শন   ●  কক্সবাজারে বনভূমি দখল উচ্ছেদে গিয়ে হামলা, রেঞ্জ কর্মকর্তাসহ ৫ বনকর্মী আহত   ●  স্নাতকের শেষবর্ষের ছাত্র ইমরানকে ‘ছাত্রলীগ ট্যাগ’ লাগিয়ে নাশকতা মামলায় চালান, পরীক্ষা চলাকালেই পাঠানো হলো কারাগারে   ●  প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ জানিয়েছেন এম মনজুর আলম মেম্বার

গোমাতলীতে মরার ওপর খাঁড়ার ঘা


দুর্ভোগ পিছু ছাড়ছে না ঘূর্ণিঝড় মোরা’র প্রভাবে কক্সবাজার সদরের পোকখালী ইউনিয়নের ক্ষতিগ্রস্থ গোমাতলীবাসীর। গত ৩০ মে ঘূর্ণিঝড় মোরা’র আঘাত থেকে উঠে দাঁড়ানোর আগেই আরেক মৌসুমি নিম্নচাপের প্রভাবে গত রোববার থেকে শুরু হওয়া থেমে থেমে বর্ষণ তলিয়ে গেছে -গ্রামের রাস্তাঘাট, বাড়িঘর, ব্যবসা ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। গাছপালা উপড়ে পড়েছে, উড়ে গেছে কাঁচা ঘরবাড়ির চাল। সাগরে স্বাভাবিকের চেয়ে বেড়েছে জোয়ারের পানি। এতে প্লাবিত হচ্ছে উপকূলের গোমাতলীর গ্রামের পর গ্রাম। ফলে চরম দুর্ভোগে পড়েছে মানুষ।
ঝড়ো ও দমকা হাওয়ায় গাছপালা ভেঙে পড়ে বিচ্ছিন্ন রয়েছে বিদ্যুৎ যোগাযোগ। ফলে রোববার সন্ধ্যা থেকে গোমাতলীর বিশাল এলাকা অন্ধকারে রয়েছে।

 
কক্সবাজার আবহাওয়া অফিসের আবহাওয়াবিদ একেএম নাজমুল হক জানান, রোববার সকাল ৬টা থেকে সোমবার বেলা ৩টা পর্যন্ত ২১ ঘণ্টায় জেলায় বৃষ্টিপাত রেকর্ড হয়েছে ১২১ মিলিমিটার। মৌসুমি নিম্নচাপের কারণে সাগর উত্তাল রয়েছে। রোববার সকাল থেকে থেমে থেমে ঘণ্টায় ৫০-৬০ কিলোমিটার বেগে দমকা ও ঝড়োহাওয়া বইছে। পূর্ণিমা তিথি ও বাতাসের কারণে সাগরে স্বাভাবিকের চেয়ে জোয়ারের পানি বাড়ছে।
সদর উপজেলার পোকখালী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রফিক আহমদ বলেন, পূর্ণিমা তিথির জোয়ারে পানি বেড়ে রোববার দিবাগত রাতে গোমাতলীর বেড়িবাঁধে ৪৪ একর ঘোনার ৮ নম্বর স্লুইস গেট এলাকায় বিশাল অংশ ভাঙনের কবলে পড়েছে।

 
গত বছর রোয়ানুর কবলে ৬ নম্বর স্লুইস গেট এলাকার ভাঙনটি এখনও মেরামত হয়নি। তার ওপর রোববার রাতের ভাঙন ‘মরার ওপর খাঁড়ার ঘা’ হয়ে দেখা দিয়েছে। দুটি ভাঙন দিয়েই জোয়ারের পানি ঢুকে পুরো বৃহত্তর গোমাতলীর ৮ গ্রাম পানিতে প্লাবিত হচ্ছে। ডুবে গেছে রাস্তাঘাট, ঘরবাড়ি। ফলে রমজানে ইফতার ও সেহরি নিয়ে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন পানিবন্দি লোকজন।

 
কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক মো. আলী হোসেন বলেন, প্রবল বর্ষণ হচ্ছে। নদী ও সবখানে পানি বেড়ে যাওয়ায় নিচু এলাকার বাসাবাড়ি প্লাবিত হচ্ছে। ইউএনওদের দুর্যোগ মোকাবেলায় সব ধরনের ব্যবস্থা নেয়ার নির্দেশ দেয়া হয়েছে।
কক্সবাজার পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. সবিবুর রহমান বলেন, বৃষ্টি থেমে গেলে নদী ও সাগরের কিনারের বেড়িবাঁধ মেরামতে হাত দেয়া হবে।

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।