১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ | ১৭ ভাদ্র, ১৪৩৩ | ১৮ রবিউল আউয়াল, ১৪৪৮


শিরোনাম
  ●  বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালক হলেন সোহেল   ●  দোকান মালিক সমিতি ফেডারেশন নির্বাচনে সভাপতি পদে এগিয়ে আবুল হাশেম   ●  সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ সাবের এর নেতৃত্বে উখিয়া উপজেলার বেসরকারি ক্লিনিক-হাসপাতাল ও ডায়াগন্টিক সেন্টার পরিদর্শন   ●  কক্সবাজার পুলিশ সুপারকে ঘিরে তিনজনের বদলি-পদায়ন বাণিজ্য   ●  পৌরসভার অর্থায়নে সেগুনবাগিচায় ৪টি রাস্তা নির্মাণ শুরু   ●  উখিয়ায় জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসে আলোচনা, রক্তদান ও উন্নত খাবার বিতরণ   ●  আলোচিত ৫০ হাজার পিস ইয়াবা আটকের মামলায় নাম নেই ইয়াবার মুল মালিক ডালিম ও ভুট্টোর   ●  ফরেস্ট রেঞ্জার্স ডে উপলক্ষে রাঙ্গুনিয়া ইকোপার্কে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন   ●  জবিস্থ কক্সবাজার ছাত্রকল্যাণের নেতৃত্বে কলিম-নয়ন   ●  হলদিয়াপালং ইউনিয়ন যুবদলের সাংগঠনিক উত্তর শাখার ৭ সদস্য বিশিষ্ট আংশিক কমিটি অনুমোদন

গঙ্গাস্নানে দুই বাংলার মিলন মেলা

প্রতিবছরের ন্যায় এবারওে লালমনিরহাট জেলার কালিগঞ্জ উপজেলার বুড়িরহাট সীমান্তের মেইন পিলার ৯১৫ এর কাছে ভারতের মালদা নদীতে হিন্দু সম্প্রদায়ের ঐতিহাসহিক গঙ্গা স্নানে মেতে উঠে দু’দেশের নাগরিকরা। রবিবার সকালে এতে দুই বাংলার কয়েক হাজার মানুষ সৌহার্দপূর্ণভাবে সমন্বিত গঙ্গাস্নানে অংশগ্রহণ করেন।

গঙ্গা স্নান উপলক্ষে সকালে ভারত-বাংলাদেশের আত্মীয়-স্বজনদের দেখা করার সুযোগ করে দেয় ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী। সেই সুযোগে মালদা নদীতে সমবেত হয়েছিল হাজার হাজার মানুষ। আর সুযোগ পেয়ে এদিন হাজার হাজার নারী-পুরুষ বৃদ্ধা বনিতা ছুটে আসে কালিগঞ্জের এই সীমান্তে। মুহূর্তে সেখানে শুরু হয় হাসি-কান্নার মিলন মেলায়। সেখানে ভারতে থাকা আপনজনদের দেখতে লালমনিরহাট জেলার পাশাপাশি আশপাশের জেলাগুলো থেকে মানুষেরা জড়ো হয়।

সরেজমিনে দেখা যায়, দীর্ঘ দিন পর ভারত-বাংলাদেশের স্বজনদের এই মিলনাস্থানে কান্নার পাশাপাশি খুশির শেষ ছিল না অনেকেরই। বছরের পর বছর প্রিয়জনের অদেখা মুখ দেখে অনেকেই শান্তির জোয়ারে ভাসছিল।

এ সময় ভারতে থাকা নাতি গেীড়িকে হাতীবান্ধার ধওলাই গ্রামের ষাটোর্ধ বৃদ্ধা জয় মোহন বলেন, ‘আমরা গরীব মানুষ তাই পাসপোর্ট ও ভিসা করে ভারতে যাওয়ার মতো সামর্থ নাই। এভাবে প্রতিবছর আমাদের একটু দেখা করার সুযোগ দিলে ওটুকুই আমাদের একমাত্র সান্ত্বনা। এ কথা শুধু মোহনেরই নয়, রবিবার গঙ্গা স্নানের ওই মিলন মেলায় আসা প্রায় সকলের। তারা প্রতিবছর এমন সুযোগ অব্যাহত রাখতে সংশ্লিষ্টদের প্রতি অনুরোধও জানান।

উল্লেখ্য, স্নান চলাকালীন সময়ে উক্ত এলাকার সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের জন্য বিজিবি টহল দল সার্বক্ষণিক উপস্থতি ছিল।

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।