১০ জুলাই, ২০২৬ | ২৬ আষাঢ়, ১৪৩৩ | ২৪ মহর্‌রম, ১৪৪৮


শিরোনাম
  ●  প্রতিক্রিয়া : ৫ না ৮—রোহিঙ্গা ক্যাম্পে আসলে কতজন নিহত? সংখ্যার এই বিভ্রান্তির দায় কার?   ●  লম্বরীপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নেতৃত্বে রমজান আলী   ●  পাতেলী খালের তীরে ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি ৪৭ বছর পর আবারও আলোচনায় শাহজাহান চৌধুরী   ●  মরিচ্যা বাজারের মডেল মসজিদ ও মার্কেট পরিদর্শনে ইউএনও রিফাত আসমা   ●  দক্ষিণ এশিয়ার সেরা গোল রক্ষক জিকুকে সংবর্ধিত করলো ক্রীড়া সাংবাদিকদের শীর্ষ সংগঠন বিএসপিএ   ●  কৃষিখাতের উন্নয়নে নিরলস ভাবে কাজ করছে সরকার   ●  বদরখালী সমবায় কৃষি ও উপনিবেশ সমিতির বার্ষিক সাধারণ সভায় এমপি জাফর আলম   ●  টেকনাফে প্যারাবনে আটটি বস্তায় মিলল বিদেশি৩৮৮ক্যান বিয়ার ও৭৬ বোতল মদ   ●  মানুষের কথা বলেই যাবে কক্সবাজার বার্তা   ●  টেকনাফে বিদেশী হুইস্কিসহ মাদক কারবারী আটক

খুটাখালীতে দপ্তরী নিয়োগ নিয়ে প্রতারণা!

চকরিয়া উপজেলার খুটাখালীতে স্কুলের দপ্তরী নিয়োগ নিয়ে প্রতারণার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় প্রতারকের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট স্কুল কমিটি ও উপজেলা শিক্ষা অফিসার বরবার লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।
অভিযোগে জানা গেছে, ইউনিয়নের ২ নং ওয়ার্ড দক্ষিণ বহলতলী সাইক্লোন সেল্টার সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সহ সভাপতি একই এলাকার মৃত ফজল করিমের পুত্র নুরুল আবচার পার্শ্ববর্তী ৪ নং ওয়ার্ডের বাককুমপাড়ার বাসিন্দা আব্দু শুক্কুরের স্ত্রী প্রতিবন্ধী খালেদা বেগমকে নানা চলছাতুরী করে তার পুত্র শবেবরাতকে স্কুলের দপ্তরী নিয়োগদানের প্রলোভন দেয়। উভয়ের কথা মতে প্রাথমিকভাবে খরচের জন্য বিভিন্ন দপে খালেদা ২৯ হাজার টাকাও প্রদান করেন। একপর্যায়ে নুরুল আবছার খালেদাকে স্কুলের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি পরিচয় দিয়ে তার ছেলেকে স্কুলের দপ্তরী (চাকুরী) দেয়ার আশ্বাস দেয়। এ সুযোগে আবছার তাদের ঘরে যাতায়ত করেন এবং বিভিন্ন সময় নানা কথাবার্তা বলে কালক্ষেপন করেন। বিষয়টি খালেদার সন্দেহ হলে গত ৮ মার্চ স্কুল পরিচালনা কমিটির সভাপতি বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।
দক্ষিণ বহলতলী সাইক্লোণ সেল্টার সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পরিচালনা কমিটির সভাপতি ইউনিয়ন যুবলীগ সাধারণ সম্পাদক আবু তৈয়ব অভিযোগের সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ম্যানেজিং কমিটির সহ সভাপতি নুরুল আবছারের বিরুদ্ধে দপ্তরী নিয়োগ নিয়ে মোটা অংকের টাকা নেয়ার অভিযোগ তিনি পেয়েছেন। অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে প্রাথমিকভাবে ২০ হাজার টাকা নুরুল আবছার গ্রহণ করেছেন বলে স্বীকার করেছেন। তবে গত ২২ মার্চ ম্যানেজিং কমিটির সভায় তিনি উপস্থিত না হওয়ায় সর্বসম্মতিক্রমে ভূক্তভোগী মহিলার টাকা ফেরৎ দেয়ার জন্য আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।
ভূক্তভোগী খালেদা বেগম জানায়, প্রতারণা করে নুরুল আবছার তার কাছ থেকে টাকা আদায় করেছে। তার পুত্র দপ্তরী নিয়োগদানের কথা বলে মূলত তাদের ঘরে যাতায়ত করত। এ সুযোগে পুত্র শবে বরাতকে চাকুরীর প্রলোভন দিয়ে পুত্রবধুর শ্লীলতাহানির চেষ্টাও চালায় আবছার । তিনি প্রতারক আবছারের শাস্তি দাবী করে টাকা উদ্ধারের জন্য সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।