২২ আগস্ট, ২০২৬ | ৭ ভাদ্র, ১৪৩৩ | ৮ রবিউল আউয়াল, ১৪৪৮


শিরোনাম
  ●  দোকান মালিক সমিতি ফেডারেশন নির্বাচনে সভাপতি পদে এগিয়ে আবুল হাশেম   ●  সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ সাবের এর নেতৃত্বে উখিয়া উপজেলার বেসরকারি ক্লিনিক-হাসপাতাল ও ডায়াগন্টিক সেন্টার পরিদর্শন   ●  কক্সবাজার পুলিশ সুপারকে ঘিরে তিনজনের বদলি-পদায়ন বাণিজ্য   ●  পৌরসভার অর্থায়নে সেগুনবাগিচায় ৪টি রাস্তা নির্মাণ শুরু   ●  উখিয়ায় জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসে আলোচনা, রক্তদান ও উন্নত খাবার বিতরণ   ●  আলোচিত ৫০ হাজার পিস ইয়াবা আটকের মামলায় নাম নেই ইয়াবার মুল মালিক ডালিম ও ভুট্টোর   ●  ফরেস্ট রেঞ্জার্স ডে উপলক্ষে রাঙ্গুনিয়া ইকোপার্কে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন   ●  জবিস্থ কক্সবাজার ছাত্রকল্যাণের নেতৃত্বে কলিম-নয়ন   ●  হলদিয়াপালং ইউনিয়ন যুবদলের সাংগঠনিক উত্তর শাখার ৭ সদস্য বিশিষ্ট আংশিক কমিটি অনুমোদন   ●  হাসপাতাল ছাড়লেন আহত ৫ বনকর্মী, এসিএফ’র নেতৃত্বে ঘটনাস্থল পরিদর্শন

কক্সবাজারের জন্য বিশ্বব্যাংকের ৪৩০০ কোটি টাকা

কক্সবাজারসময় ডেস্কঃ বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকা এবং সামুদ্রিক মৎস্য সম্পদ আহরণের উন্নয়ন, বন ব্যবস্থাপনা এবং গ্রামীণ সড়ক উন্নয়ন এই তিনটি প্রকল্পে বিশ্বব্যাংক ৫১৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (৪ হাজার ৩০০ কোটি টাকা) অর্থ অনুমোদন করেছে।

মিয়ানমারে সহিংসতায় পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের কক্সবাজারে আশ্রয়দানকারী স্থানীয় কমিউনিটিসহ গ্রামীণ জনগণের দারিদ্র্য হ্রাস এবং নতুন জীবিকায়নের সুযোগ সৃষ্টির সহায়ক হিসেবে এই অর্থ ব্যয় করা হবে। আজ এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা বলা হয়।

বাংলাদেশ, ভুটান ও নেপালে বিশ্বব্যাংকের আবাসিক প্রতিনিধি কিমিয়াও ফান বলেন, এই তিনটি প্রকল্প গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর বিশেষ করে দারিদ্র্য থেকে বেরিয়ে আসা মানুষের জন্য সুযোগ সৃষ্টি করবে, একই সঙ্গে দেশের জলবায়ু পরিবর্তনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় তাদের সক্ষমতার উন্নয়ন ঘটবে।

বিশ্বব্যাংক সাসটেইনেবল ফরেস্ট অ্যান্ড লাইভলিহুড প্রকল্পে ১৭৫মিলিয়ন ডলার দেবে। এর মাধ্যমে স্থানীয় কমিউনিটিকে সম্পৃক্ত করে সমন্বিত বন ব্যবস্থাপনা গড়ে তোলা হবে। উপকূলীয় সবুজ বেষ্টনীসহ প্রায় ৭৯,০০০ হেক্টর বনে গাছ লাগানো হবে।

বিশ্বব্যাংকের সিনিয়র ন্যাচারাল রিসোর্সেস ম্যানেজমেন্ট স্পেশালিস্ট এবং প্রকল্পের টাস্ক টিম লিডার মাধবী পিল্লাই বলেন, উপকূলীয়, পার্বত্য এবং দেশের মধ্যাঞ্চলের জেলাগুলোতে ৪০ হাজার পরিবার এতে লাভবান হবে।

কোস্টাল মেরিন ফিশারিজ প্রকল্পে দেওয়া হবে ২৪০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার এবং দ্বিতীয় বৃহত্তম রুরাল ট্রান্সপোর্ট ইমপ্রুভিং প্রকল্পে বাড়তি বরাদ্দ হিসেবে দেওয়া হচ্ছে ১০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।