১২ জুলাই, ২০২৬ | ২৮ আষাঢ়, ১৪৩৩ | ২৬ মহর্‌রম, ১৪৪৮


শিরোনাম
  ●  প্রতিক্রিয়া : ৫ না ৮—রোহিঙ্গা ক্যাম্পে আসলে কতজন নিহত? সংখ্যার এই বিভ্রান্তির দায় কার?   ●  লম্বরীপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নেতৃত্বে রমজান আলী   ●  পাতেলী খালের তীরে ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি ৪৭ বছর পর আবারও আলোচনায় শাহজাহান চৌধুরী   ●  মরিচ্যা বাজারের মডেল মসজিদ ও মার্কেট পরিদর্শনে ইউএনও রিফাত আসমা   ●  দক্ষিণ এশিয়ার সেরা গোল রক্ষক জিকুকে সংবর্ধিত করলো ক্রীড়া সাংবাদিকদের শীর্ষ সংগঠন বিএসপিএ   ●  কৃষিখাতের উন্নয়নে নিরলস ভাবে কাজ করছে সরকার   ●  বদরখালী সমবায় কৃষি ও উপনিবেশ সমিতির বার্ষিক সাধারণ সভায় এমপি জাফর আলম   ●  টেকনাফে প্যারাবনে আটটি বস্তায় মিলল বিদেশি৩৮৮ক্যান বিয়ার ও৭৬ বোতল মদ   ●  মানুষের কথা বলেই যাবে কক্সবাজার বার্তা   ●  টেকনাফে বিদেশী হুইস্কিসহ মাদক কারবারী আটক

কক্সবাজারে শতাধিক গ্রাম প্লাবিত


অব্যাহত ভারী বর্ষণের কারণে কক্সবাজার জেলার শতাধিক গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। বন্যার পানিতে ডুবে আছে কক্সবাজার সদরের জালালাবাদ, পোকখালী, পিএমখালী’র গোমাতলী, চকরিয়া ৯ নম্বর ওয়ার্ডের দিগরপানখালী, নিচপানখালী ও খোয়াজনগর, সুরাজপুর-মানিকপুর ইউনিয়নের হিন্দুপাড়া, দক্ষিণপাড়া, মাঝেরপাড়া, চেয়ারম্যানপাড়া, খন্দকারপাড়া, মাতব্বরপাড়া ও বড়ুয়াপাড়ায় ঢলের পানি ঢুকে পড়েছে। প্লাবিত হয়েছে ঘরবাড়ি ও রাস্তাঘাট।

রামু উপজেলার ৪২ গ্রাম ও পেকেুয়ার ১০টি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। এছাড়ও মাতামুহরি নদীর পানি বিপদ সীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, আশ্রয়কেন্দ্র ও ইউপি ভবনে প্লাবিত এলাকার এসব লোকজন আশ্রয় নিয়েছে।

কাকারা ইউপির চেয়ারম্যান শওকত ওসমান বলেন, প্রপার কাকারার ভাঙা বেড়িবাঁধ দিয়ে মাতামুহুরী নদীর ঢলের পানি ঢুকে আমার এলাকা বিভিন্ন জায়গায় তলীয়েগেছে। ঝুকিপূর্ণ
এলাকার মানুষদের আশ্রয় কেন্দ্রে আনা হচ্ছে।
চকরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ সাহেদুল ইসলাম বলেন, প্লাবিত এলাকার লোকজনকে আশ্রয়কেন্দ্রে নিয়ে যেতে সংশ্লিষ্ট এলাকার জনপ্রতিনিধিদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

পেকুয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহবুব উল করিম বলেন, জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গে কথা বলে যাঁদের বাড়িঘরে পানি ঢুকছে, তাঁদের আশ্রয়কেন্দ্রে নিয়ে যেতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।