২০ জুন, ২০২৬ | ৬ আষাঢ়, ১৪৩৩ | ৪ মহর্‌রম, ১৪৪৮


শিরোনাম
  ●  পাতেলী খালের তীরে ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি ৪৭ বছর পর আবারও আলোচনায় শাহজাহান চৌধুরী   ●  মরিচ্যা বাজারের মডেল মসজিদ ও মার্কেট পরিদর্শনে ইউএনও রিফাত আসমা   ●  দক্ষিণ এশিয়ার সেরা গোল রক্ষক জিকুকে সংবর্ধিত করলো ক্রীড়া সাংবাদিকদের শীর্ষ সংগঠন বিএসপিএ   ●  কৃষিখাতের উন্নয়নে নিরলস ভাবে কাজ করছে সরকার   ●  বদরখালী সমবায় কৃষি ও উপনিবেশ সমিতির বার্ষিক সাধারণ সভায় এমপি জাফর আলম   ●  টেকনাফে প্যারাবনে আটটি বস্তায় মিলল বিদেশি৩৮৮ক্যান বিয়ার ও৭৬ বোতল মদ   ●  মানুষের কথা বলেই যাবে কক্সবাজার বার্তা   ●  টেকনাফে বিদেশী হুইস্কিসহ মাদক কারবারী আটক   ●  নজিবুল ইসলামের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি : গ্রামীণ জনপদের মানুষের মুখে হাসি   ●  বিবেক’কে জাগ্রত রেখে দেশ ও মানুষের জন্য কাজ করতে হবে- অতিরিক্ত আইজি শাহাবুদ্দিন খান

কক্সবাজারে জেএসসি ও জেডিসি পরীক্ষা শুরু

received_1818553945069505জেলায় জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট (জেএসসি) ও জুনিয়র দাখিল সার্টিফিকেট (জেডিসি) পরীক্ষার প্রথম দিনে কক্সবাজার জেলায় ৩৪ হাজার ২০ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৮৮৪ জন পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেনি।

৮টি উপজেলার ৩১টি কেন্দ্রে ২৪ হাজার ৭২৯ জন জেএসসি পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৫০১ জন এবং ১৫টি কেন্দ্রে ৯ হাজার ৩১১ জন জেডিসি পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৩৮৩ জন প্রথম দিনেই পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেনি।

পরীক্ষা কেন্দ্রে সকালে সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়সহ কয়েকটি কেন্দ্র পরিদর্শন করেন জেলা প্রশাসক মো. আলী হোসেন। পরিদর্শনকালে তিনি বলেন, জেলার সকল পরীক্ষা কেন্দ্রে নকলমুক্ত, অবাধ ও সুষ্ঠ পরিবেশে পরীক্ষা নেয়ার সার্বিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। শিক্ষার্থীদের যাতে পরীক্ষা চলাকালীন সময়ে কোনো প্রকার নিরপত্তা বিঘ্নিত না হয় সে জন্য আইনশৃংখলা বাহিনী সর্বদা সজাগ রয়েছে। পাশাপাশি জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট পরীক্ষাকেন্দ্র মনিটরিংএর দায়িত্ব পালন করছেন। এসময় সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. শাহীনুর ইসলাম, জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা (অতি:দা:) রামমোহন সেন উপস্থিত ছিলেন।

জেলা শিক্ষা শাখা সূত্র মতে, জেএসসি পরীক্ষায় মহেশখালী উপজেলার তিন কেন্দ্রের ৩ হাজার ১০০ জন পরীক্ষার্থী ছিল ততমধ্যে ৬১ জন অংশ নেয়নি। কক্সবাজার সদর উপজেলার ছয়টি কেন্দ্রে ৫ হাজার ৯০ জন পরীক্ষার্থী ছিল ৭৬ জন পরীক্ষায় অংশ নেয়নি। রামু উপজেলার চারটি কেন্দ্রে ২ হাজার ১৪৬ জনের পরীক্ষার্থী ছিল, ৩৮ জন পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেনি। কুতুবদিয়া উপজেলার দুটি কেন্দ্রে ১ হাজার ৪৮৫ জন পরীক্ষার্থী ছিল, ১৪ জন পরীক্ষায় অংশ নেয়নি। পেকুয়া উপজেলার দুটি কেন্দ্রে ২ হাজার ৮৬ জন পরীক্ষার্থী ছিল ততমধ্যে ৪৮ জন অংশ নেয়নি। উখিয়ার উপজেলার চারটি কেন্দ্রের ২ হাজার ৭১২ জনের মধ্যে ৯৩জন অনুপস্থিত ছিল। টেকনাফ উপজেলার তিনটি কেন্দ্রে ১ হাজার ৬৭৬ জন পরীক্ষার্থী ছিল,৩৫ জন পরীক্ষায় অংশ নেয়নি। চকরিয়া উপজেলার সাতটি কেন্দ্রে ৬ হাজার ৪৩৪ জন পরীক্ষার্থী ছিল, ১৩৬ জন পরীক্ষায় অংশ নেয়নি।

অন্যদিকে জেডিসির প্রথম পরীক্ষায় চকরিয়ার তিনটি কেন্দ্রে ২ হাজার ১০৯ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৭৭ জন অনুপস্থিত ছিল। কক্সবাজার সদরের তিনটি কেন্দ্রে ২ হাজার ২৮০ জনের মধ্যে ৯৯ জন অংশ নেয়নি। কুতুবদিয়ার একটি কেন্দ্রে ৫৯৮ জনের মধ্যে ২২ জন অনুপস্থিত ছিল। মহেশখালীর দুটি কেন্দ্রে ১ হাজার ৩৪৭ জনের মধ্যে ৫৭ জন পরীক্ষায় অংশ নেয়নি। পেকুয়ার দুটি কেন্দ্রের ৮৬৫ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৩৬ জন অনুপস্থিত ছিলো। রামুর দুটি কেন্দ্রে ৮৭০ জনের মধ্যে ৩০ জন পরীক্ষায় অংশ নেয়নি। উখিয়ার একটি কেন্দ্রে ৬১৩ জনের মধ্যে ২৭ জন এবং টেকনাফের একটি কেন্দ্রে ৬২৯ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৩৫ জন অংশ নেয়নি।

কক্সবাজারের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম মজুমদার এসব তথ্য জানান।

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।