২৬ আগস্ট, ২০২৬ | ১১ ভাদ্র, ১৪৩৩ | ১২ রবিউল আউয়াল, ১৪৪৮


শিরোনাম
  ●  দোকান মালিক সমিতি ফেডারেশন নির্বাচনে সভাপতি পদে এগিয়ে আবুল হাশেম   ●  সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ সাবের এর নেতৃত্বে উখিয়া উপজেলার বেসরকারি ক্লিনিক-হাসপাতাল ও ডায়াগন্টিক সেন্টার পরিদর্শন   ●  কক্সবাজার পুলিশ সুপারকে ঘিরে তিনজনের বদলি-পদায়ন বাণিজ্য   ●  পৌরসভার অর্থায়নে সেগুনবাগিচায় ৪টি রাস্তা নির্মাণ শুরু   ●  উখিয়ায় জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসে আলোচনা, রক্তদান ও উন্নত খাবার বিতরণ   ●  আলোচিত ৫০ হাজার পিস ইয়াবা আটকের মামলায় নাম নেই ইয়াবার মুল মালিক ডালিম ও ভুট্টোর   ●  ফরেস্ট রেঞ্জার্স ডে উপলক্ষে রাঙ্গুনিয়া ইকোপার্কে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন   ●  জবিস্থ কক্সবাজার ছাত্রকল্যাণের নেতৃত্বে কলিম-নয়ন   ●  হলদিয়াপালং ইউনিয়ন যুবদলের সাংগঠনিক উত্তর শাখার ৭ সদস্য বিশিষ্ট আংশিক কমিটি অনুমোদন   ●  হাসপাতাল ছাড়লেন আহত ৫ বনকর্মী, এসিএফ’র নেতৃত্বে ঘটনাস্থল পরিদর্শন

এশার জীবনে অপুরনীয় ক্ষতি! দায়ভার কে নিবে?

কোটা বিরোধী আন্দোলনে অবাক দৃষ্টিতে দেখেছি, কিভাবে কতিপয় ছাত্রলীগ নেতা-কর্মীরা নেত্রীর সিদ্ধান্তের দিকে না তাকিয়ে কোটা সংস্কারের আন্দোলনে মদদ দিয়েছে, অংশগ্রহণ করেছে! অথচ এশা কিন্তু তাঁর হল স্থিতিশীল রাখতে, আন্দোলনে যেতে বাধা দিয়েছে, যা অনেক ছেলেদের হলের সভাপতি সাধারন সম্পাদক ও পারেনি। এশার এই দায়িত্ব পালন করা কি ছাত্রলীগ তথা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের দৃষ্টিতে ভুল? যদি ভুল না হয় তাহলে কেন এশাকে বহিষ্কার করা হলো, বিশ্ববিদ্যালয় স্থিতিশীল রাখতে এশা যদি সাধারন ছাত্রীদের বাধা দিয়ে থাকে তাহলে সেটা ছাত্রলীগ কিংবা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের জন্য কি ক্ষতির কারন?
এশাকে তো পুরস্কৃত করার কথা! রগ কাটার তথ্য যে মিথ্যে সেটাও প্রমানিত! তাহলে এশার আর কি অন্যায়?
হলের সাধারন ছাত্রীরা এশাকে জুতা পরিয়েছে, সাধারন ছাত্রীদের ব্যানারে ছাত্রী সংস্থার জামাত বিএনপির মতাদর্শের নেতাকর্মীরা এই নোংরামি করেছে, সেটা সাধারন মানুষ না বুঝলেও অন্তত ছাত্রলীগের হাইকমান্ডের বুঝা উচিৎ ছিলো।
#এশা বোন তোমাকে শান্তনা জানানোর ভাষা আমার/আমাদেন জানা নাই। তুমি জননেত্রী শেখ হাসিনার প্রতি আস্থাশীল থেকে তোমার দায়িত্ব পালনের চেষ্টা করেছো, যেখানে অনেক বড় বড় পদধারী নেতা, হাইকমান্ড নেত্রীর সিদ্ধান্তের জন্য অপেক্ষা করেনা!
সিদ্ধান্ত মানেনা। সেখানে তুমি যে দায়িত্ব পালন করেছো তা নৈতিক হলেও তোমার প্রতি অবিচার করা হয়েছে। তোমার ইতিহাস থেকে শিক্ষা নিয়ে একটু চালাক হবার দরকার ছিলো। তুমি হয়তো দেখেছো, জেনেছো, অতিতে যারা এই ছাত্রলীগের জন্য জীবনবাজি রেখেছে, তাদের কে বঞ্চিত করা হয়েছে,অবমুল্যায়ন করা হয়েছে। মুল্যায়ন করা হয়েছে, হাইব্রিড, অনুপ্রবেশকারীদের কে। তোমার বেলায় ও তাই হয়েছে। কিন্তু এই একটি মিথ্যে গুজবে কান দিয়ে তোমার প্রতি যে অবিচার করা হয়েছে তা তোমাকে, তোমার পরিবার ও তোমার আগামী প্রজন্মকে আজন্মকাল বহন করতে হবে।
বিয়ের সময় হয়তো কেউ প্রশ্ন তোলবে এই সেই মেয়ে না যাকে জুতার মালা পড়ানো হয়েছিল? বাড়ি থেকে বের হলে হাজারো মানুষ তোমার দিকে তাকিয়ে থাকবে, একজন আরেকজনকে নিশ্চিত হওয়া সত্ত্বে বলবে এই মেয়েটাকে মনে হয় সুফিয়া কামাল হলে জুতার মালা পড়ানো হয়েছিল যে?
তোমার জীবনে অপূরনীয় ক্ষতি হয়ে গেলো
তোমারি ভালবাসার ছাত্রলীগের ভাইদের অযোগ্য নেতৃত্ব আর ভুল সিদ্ধান্তে!
ক্ষমা করে দিও বোন…
লেখক : সাংগঠনিক সম্পাদক, বাংলাদেশ ছাত্রলীগ, ইদগাহ সাংগঠনিক উপজেলা শাখা।

ফেসবুক ওয়াল থেকে নেয়া।

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।