২৮ মে, ২০২৬ | ১৪ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ | ১০ জিলহজ, ১৪৪৭


শিরোনাম
  ●  দক্ষিণ এশিয়ার সেরা গোল রক্ষক জিকুকে সংবর্ধিত করলো ক্রীড়া সাংবাদিকদের শীর্ষ সংগঠন বিএসপিএ   ●  কৃষিখাতের উন্নয়নে নিরলস ভাবে কাজ করছে সরকার   ●  বদরখালী সমবায় কৃষি ও উপনিবেশ সমিতির বার্ষিক সাধারণ সভায় এমপি জাফর আলম   ●  টেকনাফে প্যারাবনে আটটি বস্তায় মিলল বিদেশি৩৮৮ক্যান বিয়ার ও৭৬ বোতল মদ   ●  মানুষের কথা বলেই যাবে কক্সবাজার বার্তা   ●  টেকনাফে বিদেশী হুইস্কিসহ মাদক কারবারী আটক   ●  নজিবুল ইসলামের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি : গ্রামীণ জনপদের মানুষের মুখে হাসি   ●  বিবেক’কে জাগ্রত রেখে দেশ ও মানুষের জন্য কাজ করতে হবে- অতিরিক্ত আইজি শাহাবুদ্দিন খান   ●  চট্টগ্রাম জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয়ে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন   ●  বেশি বাড়াবাড়ি করলে বিএনপি’র পদযাত্রা মরণযাত্রা হয়ে উঠবে-সাবেক সাংসদ বদি

উখিয়ায় ২শতাধিক ফার্মেসীতে চলছে চরম নৈরাজ্যঃ দেখার কেউ নেই


উখিয়ায় ২শতাধিক ফার্মেসীতে চলছে চরম নৈরাজ্য। ঔষুধ প্রশাসনের দায়ীত্বহীনতা ও তদারকির অভাবে ফার্মেসীতে ঔষুধের দাম ইচ্ছাকৃত ভাবে হাতিয়ে নিচ্ছে। এছাড়াও মেয়াদোর্ত্তীন এবং নিম্ন মানের ঔষুধ সহ নিষিদ্ধ যৌন উত্তেজক ট্যাবলেট বিক্রিরও অভিযোগ রয়েছে। বলতে গেলে নিয়ন্ত্রিনহীন ভাবে অক্ষত কোম্পানির মানহীন ঔষুধ বিক্রির ফলে রোগীদের স্বাস্থ্যহানী সহ জটিল রোগে আক্রান্ত হচ্ছে।
খোঁজখবর নিয়ে জানাযায়, উপজেলার কোটবাজার, উখিয়া সদর, মরিচ্যাবাজার, সোনার পাড়া বাজার, কুতুপালং ক্যাম্প বাজার, থাইংখালী, পালংখালী, বালুখালী, মনখালী, ভালুকিয়া পালং, পাতাবাড়ি বাজার সহ বিভিন্ন ষ্টেশন ও হাটবাজারে প্রায় ২শতাধিক ফার্মেসী রয়েছে। তৎমধ্যে বেশ কিছু লাইসেন্স বিহীন। বিশেষ করে কুতুপালং বাজার, পাতাবাড়ি, মনখালী সহ প্রত্যন্ত অঞ্চলে লাইসেন্স বিহীন ফার্মেসীর সংখ্যা খুবই বেশি।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, ঔষুধ প্রশাসক নামক কক্সবাজারে একটি তত্ত্বাবধায়কের কার্যালয় রয়েছে। উক্ত কার্যালয়ে একজন ড্রাগ সুপারেন্টেন আছে। উক্ত প্রশাসকের কাজ হচ্ছে ফার্মেসী গুলোতে কি ধরনের ঔষুধ বিক্রি করা হয়। ওই সব ঔষুধের গুনগতমান এবং নিম্নমান কিংবা মেয়াদোর্ত্তীণ কিনা তা খতিয়ে দেখা। অভিযোগ উঠেছে কক্সবাজার ড্রাগ সুপারেন্টেন কখনো ফার্মেসীতে অভিযান চালিয়েছে তা কেউ শুনেনি। বলতে গেলে ঔষুধ তত্ত্বাবধায়কের নিরব রহস্যজনক ভুমিকার কারনে ফার্মেসীর মালিকরা বেপরোয়া হয়ে উঠেছে।
সচেতন রোগীরা জানান, উখিয়ার ফার্মেসী গুলোতে প্রতিদিন বিক্রি করা হচ্ছে খুবই নিম্ন মানের ঔষুধ। এমনকি যারা কোনদিন নাম শুনেনি এমন অখ্যাত কোম্পানির ঔষুধ রোগীদের কাছে বিক্রি করে থাকে। শুধু তাই নয় অধিকাংশ ফার্মেসীতে নিষিদ্ধ যৌন উত্তেজক ট্যাবলেট ও বিক্রি করা হয়। সবচেয়ে দুঃখ জনক হচ্ছে মেয়াদোর্ত্তীন ঔষুধ বিক্রির ঘটনা। এছাড়াও কোম্পানির এমআর ও এসআর গন কম মূল্যে ঔষুধ বাকীতে ফার্মেসীতে সরবরাহ করে ফার্মেসীর মালিক গন ঔষুধের গুনগত মান নিম্নমানের হলেও অধিক মুনাফার জন্য উক্ত কোম্পানি গুলো ক্রয় করে থাকে। শুধু তাই নয় অহেতুক মূল্য বৃদ্ধি পেয়েছে কথা বলে রোগীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত দাম হাতিয়ে নেয়।
এব্যাপারে পালং ফার্মেসী মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক ডাঃ ফরিদুল আলম জানান, ফার্মেসী গুলোতে গুনগত মান সম্পন্ন ঔষুধ রোগীদের কাছে বিক্রি করার জন্য আমরা চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।
উখিয়া স্বাস্থ্য ও পঃ পঃ কর্মকর্তা ডাঃ মিসবাহ উদ্দিন আহমদের বলেন, উখিয়া বেশ কিছু লাইসেন্স বিহীন ফার্মেসী রয়েছে এমন তথ্যের সত্যতা স্বীকার বলেন, গেল সপ্তাহে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ সাইফুল ইসলামের নেতৃত্বে পুলিশ ও স্বাস্থ্য বিভাগের লোকজন কোটবাজারের ফার্মেসী এবং অরজিন, লাইভ কেয়ার সহ বিভিন্ন অভিযান চালিয়ে প্রায় সাড়ে ৩লাখ টাকা জরিমানা আদায় করেছে। গুরুতর অভিযোগ উঠেছে ফার্মেসী মালিকদের একটি সিন্ডিকেট ড্রাগ সুপারেন্টেকে মাসিক চুক্তি ভিক্তিক মাসো হারা দিয়ে মাসের পর মাস এধরনের নিয়ন্ত্রহীন ব্যবস্থা চালিয়ে যাচ্ছে। সুশিল সমাজের নেতৃবৃন্দরা নৈরাজ্য বন্ধে এবং রোগীদের গুনগত মান ঔষুধ বিক্রি নিশ্চিত করার লক্ষ্যে অবিলম্বে ফার্মেসী গুলোতে অভিযান পরিচালনা করা জরুরি।

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।