২৫ মে, ২০২৬ | ১১ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ | ৭ জিলহজ, ১৪৪৭


শিরোনাম
  ●  দক্ষিণ এশিয়ার সেরা গোল রক্ষক জিকুকে সংবর্ধিত করলো ক্রীড়া সাংবাদিকদের শীর্ষ সংগঠন বিএসপিএ   ●  কৃষিখাতের উন্নয়নে নিরলস ভাবে কাজ করছে সরকার   ●  বদরখালী সমবায় কৃষি ও উপনিবেশ সমিতির বার্ষিক সাধারণ সভায় এমপি জাফর আলম   ●  টেকনাফে প্যারাবনে আটটি বস্তায় মিলল বিদেশি৩৮৮ক্যান বিয়ার ও৭৬ বোতল মদ   ●  মানুষের কথা বলেই যাবে কক্সবাজার বার্তা   ●  টেকনাফে বিদেশী হুইস্কিসহ মাদক কারবারী আটক   ●  নজিবুল ইসলামের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি : গ্রামীণ জনপদের মানুষের মুখে হাসি   ●  বিবেক’কে জাগ্রত রেখে দেশ ও মানুষের জন্য কাজ করতে হবে- অতিরিক্ত আইজি শাহাবুদ্দিন খান   ●  চট্টগ্রাম জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয়ে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন   ●  বেশি বাড়াবাড়ি করলে বিএনপি’র পদযাত্রা মরণযাত্রা হয়ে উঠবে-সাবেক সাংসদ বদি

উখিয়ায় বুরোর বাম্পার ফলন, কৃষকের মুখে হাসি

বাবুলমিয়া মাহমুদঃ উখিয়া উপজেলায় এবারের বুরো মৌসুমে বুরো ধানের ফলন যতেষ্ট ভাল হওয়ায় কৃষকদের মাঝে অানন্দের জোয়ার বয়ছে।সরেজমিনে উখিয়া উপজেলার রাজাপালং,হলদিয়া পালং,রত্নাপালং জালিয়া পালং ইউনিয়নের কৃষকদের সাথে কথা বলে জানা যায়,ধান ক্ষেতে রোগ ব্যাধি আসার পুর্বেই সঠিক কিটনাশক প্রয়োগের ফলে ফসলে রোগ না অাসায় এবং নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সুবিধার ফলে যথাযথভাবে ফসলে পানি দিতে পারায় বুরো ধানের ফলন ভাল হয়েছে বলে মনে করছেন কৃষকরা।উখিয়া কৃষি অফিস সুত্র জানায়,জেলা কৃষি সম্পসারণ অধিদপ্তরের উপ পরিচালক আ,ক,ম শাহরিয়ারের কঠোর নিদ্দেশনা রয়েছে কোন অবস্থাতেই কৃষকদের অবহেলা করা যাবেনা কৃষি সংক্রান্ত যেকোন সহযোগীতার জন্য উপজেলা কৃষি অফিসারদের নিদ্দেশনা দেয়া রয়েছে।উখিয়া উপজেলা কৃষি অফিসার শরিফুল ইসলামের নেতৃত্বে উখিয়া উপজেলার ৫ ইউনিয়নে ১০জন উপ সহকারী কৃষি অফিসার দায়িত্ব পালন করছেন।হলদিয়া পালং ইউনিয়নে দায়িত্বরত কর্মকর্তা মো: শাহজাহান নিয়মিত বিভিন্ন বুরো চাষের মাঠ পরিদর্শনে যান এবং কৃষকদের সাথে কথা বলতে দেখা যায়।ককসবাজার পল্লী বিদ্যুত সমিতির জেনারেল ম্যানেজার( জিএম) নুর মোহাম্মদ আজম মজুমদার,হয়রানীমুক্ত সেচ সংযোগ প্রদানে যতেষ্ট আন্তরিক থাকার বিষয়টি অনুসন্ধানে উঠে এসেছে।

বিগত বছর গুলোর চেয়ে চলিত বুরো মৌসুমে বিদ্যুত বেশী থাকার রহস্য কি এমন প্রশ্নের জবাবে উখিয়া পল্লী বিদ্যুতের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার ( ডিজিএম )গোলাম সরওয়ার মোর্শেদ বলেন,বর্তমান সরকার কৃষি বান্ধব, কৃষির উন্নয়নে সব ধরনের সহযোগীতা করছেন কৃষকদের। এমন কি বিদ্যুত বিলে সেচ মিটারে ভর্তুকি দিচ্ছে।এছাড়া বুরো মৌসুমে অনাবাদি থাকা জমি গুলো চাষাবাদের অাওতায় অানতে নতুন সেচ মিটার দিয়েছে।যার ফলে সেচ পাম্পের মাধ্যমে বহু অনাবাদি জমি চাষাবাদের অাওতায়এসেছে।দ্রুত সময়ে সেচ মিটার পেতে পল্লী বিদ্যুত কতৃপক্ষের যতেষ্ট আন্তরিকতার প্রমাণ পাওয়া যায়।

হলদিয়া পালং ইউনিয়নের বেশ কয়েকজন নতুন সেচ সংযোগ গ্রাহক জানান, নতুন সংযোগের নিয়ম কানুন আমরা জানতা না কিন্তু মরিচ্যা পল্লী বিদ্যুত অফিসের কর্মকর্তা মো: জহির উদ্দিন সব ধরনের সহযোগীতা করছেন।পাগলির বিলের পেঠান অালী মেম্বার সেচ পাম্পের মালিক চেনুয়ারা মাহমুদ জানান, আমাদের নতুন সেচ মিটার আবেদনের ২০ দিনের মধ্যে সংযোগ পেয়েছিলাম এই জহির সাহেবের সহযোগীতায়। বলাবাহুল্য অনেক কৃষক ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন,কোন ব্যাংক সহজ সর্তে অামাদের লোন দেয়না, যেকারণে চাষাবাদের সময় অার্থিক সমস্যার সম্মুখিন হতে হয়।

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।