১৩ আগস্ট, ২০২৬ | ২৯ শ্রাবণ, ১৪৩৩ | ২৯ সফর, ১৪৪৮


শিরোনাম
  ●  পৌরসভার অর্থায়নে সেগুনবাগিচায় ৪টি রাস্তা নির্মাণ শুরু   ●  উখিয়ায় জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসে আলোচনা, রক্তদান ও উন্নত খাবার বিতরণ   ●  আলোচিত ৫০ হাজার পিস ইয়াবা আটকের মামলায় নাম নেই ইয়াবার মুল মালিক ডালিম ও ভুট্টোর   ●  ফরেস্ট রেঞ্জার্স ডে উপলক্ষে রাঙ্গুনিয়া ইকোপার্কে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন   ●  জবিস্থ কক্সবাজার ছাত্রকল্যাণের নেতৃত্বে কলিম-নয়ন   ●  হলদিয়াপালং ইউনিয়ন যুবদলের সাংগঠনিক উত্তর শাখার ৭ সদস্য বিশিষ্ট আংশিক কমিটি অনুমোদন   ●  হাসপাতাল ছাড়লেন আহত ৫ বনকর্মী, এসিএফ’র নেতৃত্বে ঘটনাস্থল পরিদর্শন   ●  কক্সবাজারে বনভূমি দখল উচ্ছেদে গিয়ে হামলা, রেঞ্জ কর্মকর্তাসহ ৫ বনকর্মী আহত   ●  স্নাতকের শেষবর্ষের ছাত্র ইমরানকে ‘ছাত্রলীগ ট্যাগ’ লাগিয়ে নাশকতা মামলায় চালান, পরীক্ষা চলাকালেই পাঠানো হলো কারাগারে   ●  প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ জানিয়েছেন এম মনজুর আলম মেম্বার

উখিয়ায় ওপেন জেল নির্মান নিয়ে যা বললেন কারা মহাপরিদর্শক

কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলায় কারাবন্দিদের জন্য একটি উন্মুক্ত কারাগার বা ওপেন জেল নির্মিত হচ্ছে বলে জানিয়েছেন কারা মহাপরিদর্শক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সৈয়দ ইফতেখার উদ্দীন। তিনি বলেন, ‘এই ওপেন জেলের বন্দিরা কারাগারের সীমানার মধ্যেই থাকবেন। তবে কাজের জন্য বাইরে যাওয়া-আসার সুযোগও থাকবে তাদের জন্য।’
রবিবার (১৪ মে) ঢাকার চতুর্থ প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের সিনিয়র কারেকশন ম্যানেজারদের আঞ্চলিক সম্মেলন উপলক্ষে কারা অধিদফতরে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে কারা মহাপরিদর্শক এসব কথা বলেন। এসময় তিনি জানান, এরই মধ্যে এই কারাগারটি নির্মাণের জন্য জমি অধিগ্রহণসহ সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের কাজও শেষ হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে কারা মহাপরিদর্শক বলেন, ‘ওপেন জেলের জন্য ২১ একর জায়গা অধিগ্রহণ করা হয়েছে। বিশ্বের অনেক দেশেই এমন কারাগার রয়েছে। এসব কারাগার মূলত সংশোধনাগারের আদলে গড়ে তোলা হয়। আমাদের এখানেও একইভাবে কারাগারটি নির্মাণ করা হবে।’
কারা মহাপরিদর্শক আরও বলেন, ‘এই কারাগারে যারা থাকবেন, তারা একটি বাউন্ডারির মধ্যেই থাকবেন। তবে তাদের জন্য কাজের সুযোগ থাকবে। দুইটি প্রক্রিয়ায় তারা কাজ করতে পারবেন। প্রথমত, কারাগারের বাউন্ডারির মধ্যেই শিল্প-কারখানা থাকবে। কারাবন্দিরা সেসব কারখানায় কাজ করতে পারবেন। আবার কিছু কারাবন্দিদের জন্য কারাগারের বাইরেও কাজ করার সুযোগ থাকবে। তারা সকালে কাজের জন্য বাইরে যাবেন, কাজ শেষে সন্ধ্যায় ফিরে আসবেন।’ শিগগিরই কারাগারটি নির্মাণের কাজ শুরু হবে জানিয়ে তিনি জানান, এর নির্মাণ কাজ শেষ হতে কয়েক বছর সময় লাগবে।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, আগামী ১৬ থেকে ১৯ মে ঢাকায় অনুষ্ঠিত হবে চতুর্থ প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের সিনিয়র কারেকশন ম্যানেজারদের আঞ্চলিক সম্মেলন। এতে বাংলাদেশসহ ১৪টি দেশের ২৮ জন সিনিয়র কারেকশন ম্যানেজার অংশ নেবেন। এবারের সম্মেলনের স্লোগান রাখা হয়েছে ‘কারাগারের মধ্যে নিরাপত্তা এবং মানবিক চাহিদার ভারসাম্য’।
আন্তর্জাতিক এই সম্মেলনে অংশগ্রহণকারী দেশগুলো বিভিন্ন কেসস্টাডি ব্যবহার করে তাদের অভিজ্ঞতা বিনিময় করবে। পাশাপাশি বন্দিশালাগুলো তৈরি, ডিজাইন, পরিকল্পনা ও পরিচালনার সময় যেন নিরাপত্তা ও মানবিক অবস্থার মধ্যে ভারসাম্য থাকে, সেসব বিষয়ে ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হবে সম্মেলনে।
সম্মেলনে অংশগ্রহণকারী দেশগুলো হলো— বাংলাদেশ, কম্বোডিয়া, চীন, ফিজি, ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া, মালদ্বীপ, মিয়ানমার, পাকিস্তান, পাপুয়া নিউগিনি, ফিলিপাইন, শ্রীলংকা, থাইল্যান্ড ও ভানুয়াতু। আন্তর্জাতিক রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি (আইসিআরসি) এই সংবাদ সম্মেলন সমন্বয় করে থাকে।

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।