৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ | ১৯ ভাদ্র, ১৪৩৩ | ২০ রবিউল আউয়াল, ১৪৪৮


শিরোনাম
  ●  বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালক হলেন সোহেল   ●  দোকান মালিক সমিতি ফেডারেশন নির্বাচনে সভাপতি পদে এগিয়ে আবুল হাশেম   ●  সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ সাবের এর নেতৃত্বে উখিয়া উপজেলার বেসরকারি ক্লিনিক-হাসপাতাল ও ডায়াগন্টিক সেন্টার পরিদর্শন   ●  কক্সবাজার পুলিশ সুপারকে ঘিরে তিনজনের বদলি-পদায়ন বাণিজ্য   ●  পৌরসভার অর্থায়নে সেগুনবাগিচায় ৪টি রাস্তা নির্মাণ শুরু   ●  উখিয়ায় জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসে আলোচনা, রক্তদান ও উন্নত খাবার বিতরণ   ●  আলোচিত ৫০ হাজার পিস ইয়াবা আটকের মামলায় নাম নেই ইয়াবার মুল মালিক ডালিম ও ভুট্টোর   ●  ফরেস্ট রেঞ্জার্স ডে উপলক্ষে রাঙ্গুনিয়া ইকোপার্কে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন   ●  জবিস্থ কক্সবাজার ছাত্রকল্যাণের নেতৃত্বে কলিম-নয়ন   ●  হলদিয়াপালং ইউনিয়ন যুবদলের সাংগঠনিক উত্তর শাখার ৭ সদস্য বিশিষ্ট আংশিক কমিটি অনুমোদন

উখিয়ার শীর্ষ মানবপাচারকারি যুবদল ক্যাডার শামশু চট্রগ্রামে আটক

shohag-coxsbazarshomoy.com
কক্সবাজারের শীর্ষ মানবপাচারকারি রেবি ম্যাডামের সেকেন্ড ইন কমান্ড যুবদল ক্যাডার শামসুল আলম সোহাগকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। শনিবার ভোর রাত ৪ টার দিকে পুলিশের একটি টিম চট্রগ্রামের নিউ মার্কেট এলাকার হোটেল নিজাম থেকে তাকে আটক করে বলে পুলিশের দায়িত্বশীল সুত্রে জানা গেছে। বর্তমানে সোহাগ পুলিশের হেফাজতে রয়েছে। আটক শামসুল আলম সোহাগ উখিয়া উপজেলার জালিয়াপালং ইউনিয়নের সোনাইছড়ি গ্রামের ইসলাম মিয়ার ছেলে।
কোতয়ালি থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জসিম উদ্দিন তাকে আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
আটককৃত সোহাগ কক্সবাজার-থাইল্যান্ড ভিত্তিক মালয়েশিয়ায় মানবপাচারের অন্যতম গডফাদার বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। এছাড়া কক্সবাজার, উখিয়া ও টেকনাফে অন্তত ৭০জন গডফাদার রয়েছে।
এর মধ্যে টেকনাফের মানবপাচারকারি ‘ধলু হোছন নামে এক গডফাদার পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে নিহত হয়। ওই তালিকার অন্যতম গডফাদার শামসুল আলম। ধলু নিহত হওয়ার পর থেকে গা ঢাকা দেয় শামসুল আলম সোহাগ।
সোহাগ মানবপাচার ছাড়াও ইয়াবা ব্যবসায় জড়িত ছিল বলে স্থানীয় সুত্রে প্রকাশ।
ইতিমধ্যে জেলার বিভিন্ন থানায় দায়েরকৃত মানবপাচার মামলায় সোহাগ আসামি হলেও টাকার জোরে একাধিক মামলার চার্জসীট থেকে সে পার পেয়ে যায়।
পুলিশের দায়িত্বশীল সূত্রে জানা গেছে, শামশুল আলম সোহাগের বিরুদ্ধে উখিয়ায় থানায় ৪টি, রামু থানায় ২টি, টেকনাফ থানায় ২টি ও চকরিয়া থানায় ১টি মামলা থাকলেও বেশিরভাগ মামলার চার্জসীট থেকে তার নাম বাদ পড়েছে অদৃশ্য কারনে। তার নিজ গ্রাম উখিয়া উপজেলার জালিয়াপালং ইউনিয়ন যুবদলের সাধারণ সম্পাদক হলেও তার ডানে-বায়ে কাজ করতো স্থানীয় আওয়ামীলীগ নেতারা। মুলত: তাদের পিঠে ভর করেই এ গডফাদার আজ বিত্তবৈত্তের মালিক।

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।