১০ জুলাই, ২০২৬ | ২৬ আষাঢ়, ১৪৩৩ | ২৪ মহর্‌রম, ১৪৪৮


শিরোনাম
  ●  প্রতিক্রিয়া : ৫ না ৮—রোহিঙ্গা ক্যাম্পে আসলে কতজন নিহত? সংখ্যার এই বিভ্রান্তির দায় কার?   ●  লম্বরীপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নেতৃত্বে রমজান আলী   ●  পাতেলী খালের তীরে ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি ৪৭ বছর পর আবারও আলোচনায় শাহজাহান চৌধুরী   ●  মরিচ্যা বাজারের মডেল মসজিদ ও মার্কেট পরিদর্শনে ইউএনও রিফাত আসমা   ●  দক্ষিণ এশিয়ার সেরা গোল রক্ষক জিকুকে সংবর্ধিত করলো ক্রীড়া সাংবাদিকদের শীর্ষ সংগঠন বিএসপিএ   ●  কৃষিখাতের উন্নয়নে নিরলস ভাবে কাজ করছে সরকার   ●  বদরখালী সমবায় কৃষি ও উপনিবেশ সমিতির বার্ষিক সাধারণ সভায় এমপি জাফর আলম   ●  টেকনাফে প্যারাবনে আটটি বস্তায় মিলল বিদেশি৩৮৮ক্যান বিয়ার ও৭৬ বোতল মদ   ●  মানুষের কথা বলেই যাবে কক্সবাজার বার্তা   ●  টেকনাফে বিদেশী হুইস্কিসহ মাদক কারবারী আটক

উখিয়ার লোকালয়ে একজোড়া বন্যহাতি; কয়েক ঘন্টার প্রচেষ্টায় ফিরলো বনে

বিশেষ প্রতিবেদক:
কক্সবাজার দক্ষিণ বনবিভাগের উখিয়ায় লোকালয়ে হানা দিয়েছে দুই বন্য হাতি। বৃহস্পতিবার (১২ মে) সকালে উখিয়া
রেঞ্জের থাইংখালী বিটের তেলখোলা  বটতলী এলাকার বন থেকে হাতি দুটি অকস্মাৎ লোকালয়ে চলে এলে আশপাশে আতংক ছড়িয়ে পড়ে।
খবর পেয়ে এলিপ্যান্ট রেসকিউ টিমের বনবিভাগের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে কয়েক ঘন্টা চেষ্টায় বিকেলে হাতি দুটোকে বনে ফেরাতে সক্ষম হন বলে জানিয়েছেন কক্সবাজার দক্ষিণ বন বিভাগের বিভাগীয় কর্মকর্তা (ডিএফও) মো. সারোয়ার আলম।
থাইংখালীর বিট কর্মকর্তা মো. রাকিব হোসেন জানান, ভিলেজাররা খবর দেয় লোকালয়ে এক জোড়া হাতি এসেছে। অনেকে ভয়ে ঘর থেকে বের না হলেও শিশু-কিশোর ও উৎসুক জনতা হাতি দুটির অদূরে ভীড় জমায়। রেঞ্জার ও  ডিএফওকে অবহিত করে এ্যালিপেন্ট রেসকিউ টিমকে সাথে নিয়ে থাইংখালী, ওয়ালা ও দোছড়ি বিটের কর্মকর্তা-ফরেস্টগার্ডসহ সংশ্লিষ্ট ভিলেজার-হেডম‍্যানদের নিয়ে হাতির এলাকায় যাওয়া হয়। সকলের আন্তরিক  প্রচেষ্টায় বন‍্য হাতি দুটিকে বিকেলের দিকে নিরাপদে বনে ফিরিয়ে দিতে সক্ষম হয় আমরা।
কক্সবাজার দক্ষিণ বন বিভাগের বিভাগীয় কর্মকর্তা (ডিএফও) মো. সারোয়ার আলম বলেন, গত কয়েক দিন ধরে থেমে থেমে বৃষ্টি হচ্ছে। পাড়ি ছরায় বেড়েছে পানি। মনে হচ্ছে পানি খেতে বা পানিতে খেলতে হাতি দুটি পাহাড় থেকে নেমে আসে। ঘুরতে ঘুরতে তারা লোকালয়ে চলে এসেছিল।
ডিএফও আরো বলেন, এখন কাঁঠাল ও ধান পাকার সময়। এ সময় কাঁঠাল ও পাকা ধান খেতেও হাতিরপাল ধাব ক্ষেত ও লোকালয়ে আসতে পারে।
তিনি অনুরোধ করে বলেন, কক্সবাজারের চলমান সময়ে অধিকাংশ বসতি পাহাড়ের পাদদেশে। যা হাতি চলাচল ও বিচরণের জায়তা হিসেবে পরিচিত। তাই, সবার প্রতি অনুরোধ হাতির পাল পাকা ধান খেলে, ফলজ বাগান নষ্ট করছে দেখলে বনবিভাগকে খবর দিন। এদের অতিরিক্ত বিরক্ত করবেন না। ব্যক্তি মালিকানাধীন জায়গায় হাতি ক্ষতিকরলে তার যথাযথ ক্ষতিপূরণ সরকার পরিশোধ করবে। বন্যপ্রাণী ও মানুষের সহাবস্থান নিশ্চিত করতে স্ব স্ব অবস্থান থেকে প্রচেষ্টা চালানো সবার নৈতিক দায়িত্ব।

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।