মূল খবরে যান

শিরোনাম
● সাংবাদিক এ এইচ সেলিম উল্লাহর মা আর নেই● রামুতে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন, যৌথ অভিযানে ড্রেজার মেশিন ও পাইপ জব্দ● কক্সবাজার ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির নতুন ভিসি প্রফেসর ড. মোকতার আহমেদ● উখিয়ায় ৯ জীবিত বকসহ শিকারি আটক● নিরাপদ সড়ক গড়তে কক্সবাজারে বিআরটিএর সচেতনতামূলক সভা● কম খরচে প্রসূতি সেবা দিয়ে প্রশংসিত ডা. রোকসানা● শ্মশানের দেয়াল ভাঙার অভিযোগে ক্ষোভ, ৮ অক্টোবরের মধ্যে ব্যবস্থা না হলে উখিয়ায় দুর্গাপূজা বন্ধের সিদ্ধান্ত● কৃষকের যত চ্যালেঞ্জ● খালেকুজ্জামান এমন রাজনীতির জন্ম দিয়েছেন মানুষ এখনো মুগ্ধ হয়ে আছেন● ফাল্গুনী মেকওভার পার্লারে নিম্নমানের সাজ, নারীদের হয়রানি-হুমকি ‘আমাদের বিরুদ্ধে রিভিউ দিলেও আমাদের কিছু যায়-আসে না’

উখিয়ার পূর্বরত্না মৈত্রী বৌদ্ধ বিহারে অগ্নিকান্ড, ঘটনাস্থলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী

শেয়ার করুন


কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার রত্নাপালং ইউনিয়নের পূর্বরত্না মৈত্রী বৌদ্ধ বিহারে অগ্নিকান্ডে পুড়ে ছাই। ২৮ জানুয়ারী (শনিবার) রাত ৮টায় আগুনের সুত্রপাত হয়। তবে আগুনের সুত্রপাত তাৎক্ষণিক জানা যায়নি। ওই সময় বিহারাধ্যক্ষ জ্যোতিমিত্র নবরত্ন পরিত্রাণ পাঠ করতে একটি দায়কের বাড়িতে যান বলে জানিয়েছেন বিহার পরিচালনা কমিটির সাধারণ সাধারণ শিক্ষক সুবদন বড়–য়া। আগুন লাগার ১ ঘন্টা অতিবাহিত হলেও ফায়ার সার্ভিস ঘটনাস্থলে পৌঁছতে পারেনি। স্থানীয়রা রিপোর্ট লেখাকালীন সময়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসে।
বিহার পরিচালনা কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জানান, ১৯৯১সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। পরে স্থানীয়দের এবং তৎকালীন বিরোধীয় নেত্রী ও বর্তমান সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পরিদর্শন পরবর্তী বিহারটি দ্বিতল ও সেমিপাকা করা হয়। সরেজমিন পরিদর্শনে পুরো বিহারটি পুড়ে ছাই হয়েছে গেছে। তবে অগ্নিকান্ডে ক্ষয়ক্ষতি পরিমাণ জানা যায়নি। বিহারে বিপুল পরিমাণ বুদ্ধমুর্তি ছিলো বলে বিহারের দায়করা জানিয়েছেন।


অগ্নিকান্ডের খবর পেয়ে উখিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো: মাঈন উদ্দিন, উখিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ আবুল খায়ের ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার পর কক্সবাজারস্থ ফায়ার সার্ভিসের একটি টিম ঘটনাস্থলে পৌছেন।

শেয়ার করুন