২৬ আগস্ট, ২০২৬ | ১১ ভাদ্র, ১৪৩৩ | ১২ রবিউল আউয়াল, ১৪৪৮


শিরোনাম
  ●  দোকান মালিক সমিতি ফেডারেশন নির্বাচনে সভাপতি পদে এগিয়ে আবুল হাশেম   ●  সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ সাবের এর নেতৃত্বে উখিয়া উপজেলার বেসরকারি ক্লিনিক-হাসপাতাল ও ডায়াগন্টিক সেন্টার পরিদর্শন   ●  কক্সবাজার পুলিশ সুপারকে ঘিরে তিনজনের বদলি-পদায়ন বাণিজ্য   ●  পৌরসভার অর্থায়নে সেগুনবাগিচায় ৪টি রাস্তা নির্মাণ শুরু   ●  উখিয়ায় জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসে আলোচনা, রক্তদান ও উন্নত খাবার বিতরণ   ●  আলোচিত ৫০ হাজার পিস ইয়াবা আটকের মামলায় নাম নেই ইয়াবার মুল মালিক ডালিম ও ভুট্টোর   ●  ফরেস্ট রেঞ্জার্স ডে উপলক্ষে রাঙ্গুনিয়া ইকোপার্কে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন   ●  জবিস্থ কক্সবাজার ছাত্রকল্যাণের নেতৃত্বে কলিম-নয়ন   ●  হলদিয়াপালং ইউনিয়ন যুবদলের সাংগঠনিক উত্তর শাখার ৭ সদস্য বিশিষ্ট আংশিক কমিটি অনুমোদন   ●  হাসপাতাল ছাড়লেন আহত ৫ বনকর্মী, এসিএফ’র নেতৃত্বে ঘটনাস্থল পরিদর্শন

উখিয়া–নাইক্ষংছড়িতে আলোচিত মাদক ও জাল টাকা মামলার সংশ্লিষ্টদের প্রকাশ্য প্রচারণা নিয়ে প্রশ্ন

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

কক্সবাজারের উখিয়া ও নাইক্ষংছড়ি উপজেলায় মাদক ও জাল টাকার বড় দুইটি মামলার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অভিযোগভুক্ত ব্যক্তিদের প্রকাশ্যে নির্বাচনী প্রচারণায় অংশগ্রহণকে কেন্দ্র করে স্থানীয় ও রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযানে যাদের নাম উঠে এসেছে, মামলাগুলো বিচারাধীন থাকা সত্ত্বেও তাদের মাঠে সক্রিয় উপস্থিতি নির্বাচনকালীন আইনশৃঙ্খলা ও রাজনৈতিক নৈতিকতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে।
র‍্যাব-১৫ সূত্রে জানা যায়, উখিয়া উপজেলার কুতুপালং এলাকায় গত কয়েক মাস আগে পরিচালিত এক অভিযানে কুতুপালং ওয়ার্ড যুবদলের সভাপতি হেলাল উদ্দিনের বাড়ি থেকে প্রায় ৯০ হাজার পিস ইয়াবা ও আনুমানিক ১৬ লাখ টাকা নগদ অর্থ উদ্ধার করা হয়। ওই সময় তার মা ও ভাবিকে হাতেনাতে গ্রেফতার করা হয়। ঘটনার পর হেলাল উদ্দিন কিছুদিন পলাতক থাকলেও পরে তিনি হাইকোর্ট থেকে আগাম জামিন নেন।
বর্তমানে জামিনে মুক্ত অবস্থায় তিনি কক্সবাজার-৪ আসনে বিএনপির প্রার্থী শাহজাহান চৌধুরীর পক্ষে প্রকাশ্যে নির্বাচনী প্রচারণায় অংশ নিচ্ছেন বলে স্থানীয় একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেছে। এ নিয়ে এলাকায় মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।
অন্যদিকে, নাইক্ষংছড়ি উপজেলার ঘুমধুম এলাকায় সম্প্রতি পুলিশের বিশেষ অভিযানে প্রায় ১২ লাখ টাকার জাল নোট উদ্ধারের ঘটনায় কুতুপালং ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক নুরুল আবছারের পরিবারের সদস্যের সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ ওঠে। পুলিশ জানায়, অভিযানে আবছারের ছোট ভাই আবুল হাসেমকে গ্রেফতার করা হয়। অভিযানের সময় ঘটনাস্থলে উপস্থিত নুরুল আবছারের সঙ্গে পুলিশের বাকবিতণ্ডার ঘটনাও ঘটে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, জাল টাকা উদ্ধারের ঘটনাটি তদন্তাধীন রয়েছে এবং সংশ্লিষ্টদের ভূমিকা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, অভিযুক্ত ব্যক্তিদের রাজনৈতিক কর্মসূচিতে সরব উপস্থিতি নির্বাচনী পরিবেশে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। তবে আইন অনুযায়ী আদালতের চূড়ান্ত রায়ের আগ পর্যন্ত কেউ দোষী সাব্যস্ত নন।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত হেলাল উদ্দিন ও নুরুল আবছারের বক্তব্য জানতে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও মোবাইল ফোন বন্ধ থাকায় তাদের বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি। পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট রাজনৈতিক দলের স্থানীয় নেতাদের কাছ থেকেও এ বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনী জানিয়েছে, প্রাপ্ত তথ্য ও আলামতের ভিত্তিতে আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।