মূল খবরে যান

শিরোনাম
● শ্মশানের দেয়াল ভাঙার অভিযোগে ক্ষোভ, ৮ অক্টোবরের মধ্যে ব্যবস্থা না হলে উখিয়ায় দুর্গাপূজা বন্ধের সিদ্ধান্ত● কৃষকের যত চ্যালেঞ্জ● খালেকুজ্জামান এমন রাজনীতির জন্ম দিয়েছেন মানুষ এখনো মুগ্ধ হয়ে আছেন● ফাল্গুনী মেকওভার পার্লারে নিম্নমানের সাজ, নারীদের হয়রানি-হুমকি ‘আমাদের বিরুদ্ধে রিভিউ দিলেও আমাদের কিছু যায়-আসে না’● সম্প্রতি উখিয়ায় সার ডিলার নিয়োগ সংক্রান্ত বিষয়ে “গণসংযোগ” ও “উখিয়া বার্তা” নামক অনলাইন সংবাদমাধ্যমে আমার বিরুদ্ধে একটি সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে● সাহসিকতা ও সেবামূলক কর্মকাণ্ডের স্বীকৃতি হিসেবে পিপিএম পদক পেলেন ওসি মনিরুল ইসলাম ভূইয়া● অবসরপ্রাপ্ত সেনা সার্জেন্ট মাহমুদুল হক সিকদারে’র জানাযার নামাজ সম্পন্ন● ঢাবি কক্সবাজার স্টুডেন্টস ফোরামের নতুন নেতৃত্বে এমরান-তারেক-সাহিক● উখিয়া প্রেসক্লাবে নতুন নেতৃত্বের শপথ, দায়িত্ব হস্তান্তর ও নবীন সদস্য বরণ● বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালক হলেন সোহেল

ঈদগাঁওতে ছড়া-খাল দখল- দূষণ ও অস্থিত্ব সংকটে

শেয়ার করুন

Dokhol
দখল দারিত্বের কবলে পড়েছে কক্সবাজার সদর উপজেলার বৃহত্তর ঈদগাঁওর ছড়া খাল। স্বেচ্চাচারিভাবে নদীতীরে দোকান পাঠ,কৃষি খামার এমনকি ঘর বাড়ী ও নির্মাণ করা হয়েছে নদীর মধ্যে। পানির প্রবাহ হারিয়ে এ সমস্ত ছড়া খাল মুমুর্ষ দশায় এবং দখলদারিত্ব নদীর অস্থিত্বকে আরেক দফা হারিয়ে দিয়েছে। জানা গেছে, ঈদগাঁও নদীর ২শ কিলোমিটারের ও বেশি চর পানি শূন্য এলাকায় এখন দিব্যি বাড়ী ঘর তৈরি করে বসতী শুরু করা হয়েছে। তৎমধ্যে রয়েছে ঈদগাঁও বাজারের বাঁশঘাটা, বাঁশবাজার, মুসলিম বাজারের দু’পাশের এলাকা একই ভাবে ঈদগাঁও ভোমরিয়াঘোনা, বাসষ্টেশনস্থ ব্রীজের আশপাশ এলাকা, পালপাড়া, রাবারড্যাম, লরাবাক, নাইক্ষ্যংদিয়া, পশ্চিম পোকখালী ও পূর্ব গোমাতলী ব্রীজ ঘাটের দু’তীরে স্থাপনা তৈরি করায় এক সময়ের খরস্রোতা ঈদগাঁও নদী পরিণত হয়েছে স্থির স্থলভূমি হিসাবে। অন্যদিকে বৃহত্তর ঈদগাঁওর মাইজপাড়া ভরাখাল, কালিরছড়া, বোয়ালখালী- ইউছুপেরখীল ছড়া, ইসলামপুর ফুলছড়ি ছড়া, ঈদগাঁও চান্দের ঘোনা ছড়া, ইসলামপুর নাপিতের ছড়ার দু’তীর এখন পুরোপুরি বেদখল। ঈদগাঁও নদী ও কালিরছড়া খালের কিছু কিছু জায়গায় বালু মহাল তৈরি করে পুরো নদীই দখল করে নিয়েছে বলে এক সূত্রে প্রকাশ। প্রাপ্ত তথ্য মতে, কতিপয় চক্রের সহায়তায় নদীর কূলে ও চরে নারী পুরুষ দখলে মেতেছে। ঈদগাঁও নদীর সবটাই এখন দখলে। এ নদীর বুকেই গড়ে উঠেছে পাড়া গ্রাম। এ ব্যাপারে সংশ্লিষ্টরা তেমন কোন আইনগত ভূমিকা না নেওয়ায় দখলদারিত্ব স্থায়ী হয়ে পড়েছে। এসব অবৈধ দখল উচ্ছেদের বিষয়ে সচেতন মহলের পক্ষ থেকে জোর দাবী উঠেছে। অন্যথায় ঈদগাঁওর ছোট বড় সকল নদী, খাল,ছড়া গুলো অস্থিত্ব সংকটে পড়েছে। নানামূখী অব্যবস্থাপনার কারণে পানি প্রবাহ হারানো নদীগুলো এভাবে দখলে চলে যাচ্ছে। অবৈধ দখলে চলে যাওয়া নদ নদী উদ্ধারে সরকারের রাজস্ব বিভাগের তড়িৎ পদক্ষেপ গ্রহণের জোর দাবী এলাকাবাসীর।

শেয়ার করুন