১০ জুলাই, ২০২৬ | ২৬ আষাঢ়, ১৪৩৩ | ২৪ মহর্‌রম, ১৪৪৮


শিরোনাম
  ●  প্রতিক্রিয়া : ৫ না ৮—রোহিঙ্গা ক্যাম্পে আসলে কতজন নিহত? সংখ্যার এই বিভ্রান্তির দায় কার?   ●  লম্বরীপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নেতৃত্বে রমজান আলী   ●  পাতেলী খালের তীরে ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি ৪৭ বছর পর আবারও আলোচনায় শাহজাহান চৌধুরী   ●  মরিচ্যা বাজারের মডেল মসজিদ ও মার্কেট পরিদর্শনে ইউএনও রিফাত আসমা   ●  দক্ষিণ এশিয়ার সেরা গোল রক্ষক জিকুকে সংবর্ধিত করলো ক্রীড়া সাংবাদিকদের শীর্ষ সংগঠন বিএসপিএ   ●  কৃষিখাতের উন্নয়নে নিরলস ভাবে কাজ করছে সরকার   ●  বদরখালী সমবায় কৃষি ও উপনিবেশ সমিতির বার্ষিক সাধারণ সভায় এমপি জাফর আলম   ●  টেকনাফে প্যারাবনে আটটি বস্তায় মিলল বিদেশি৩৮৮ক্যান বিয়ার ও৭৬ বোতল মদ   ●  মানুষের কথা বলেই যাবে কক্সবাজার বার্তা   ●  টেকনাফে বিদেশী হুইস্কিসহ মাদক কারবারী আটক

ইয়াবা ও অস্ত্র ব্যবসায়ী নাফিস ইকবাল অবশেষে র্যাবের জালে

নিজস্ব প্রতিনিধি, কক্সবাজার

কক্সবাজার পৌরসভা ১২ নং ওয়ার্ড লাইটহাউজ পাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ ইয়াবা, দেশীয় তৈরি অস্ত্র ও গোলাবারুদসহ একজনকে আটক করেছে র্যাব-১৫।
রবিবার (৬ মার্চ) ভোর রাত সাড়ে তিনটার সময় এ অভিযান চালানো হয়।
আটক অস্ত্র ও ইয়াবা ব্যবসায়ীর নাম নাফিস ইকবাল। সে কক্সবাজার পৌরসভার ১২ নং ওয়ার্ড লাইটহাউজ পাড়ার সিরাজুল ইসলামে ছেলে।
অভিযানের সত্যতা নিশ্চিত করেন, কক্সবাজার র‍্যাব-১৫ এর সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) এএসপি বিল্লাল হোসেন।

র্যাব জানায়, রবিবার (৬ মার্চ) ভোর সাড়ে তিনটায় র‌্যাব-১৫ এর আভিযানিক দল কক্সবাজার পৌরসভার, ১২ নং ওয়ার্ডের, লাইট হাউজস্থ একটি বাড়িতে অভিযান চালায়। এসময় র‌্যাবের উপস্থিতি বুঝতে পেরে পলায়নের চেষ্টাকালে নাফিস ইকবালকে আটক করা হয়। ধৃত ব্যক্তির শয়নকক্ষ তল্লাশি করে খাটের তোষকের নিচ হতে ১টি দেশীয় তৈরি একনলা বন্দুক, ৩ রাউন্ড তাজা কার্তুজ ও ৩ হাজার ৯০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।

র‍্যাব-১৫ এর সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) এএসপি বিল্লাল হোসেন জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে নাফিস ইকবাল দীর্ঘদিন ধরে মাদক ব্যবসাসহ অবৈধ অস্ত্র দ্বারা দীর্ঘদিন যাবৎ অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড করে আসছে বলে স্বীকার করেছে।

তার বিরুদ্ধে অস্ত্র ও মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে পৃথক মামলা দায়ের করা হয়েছে। তাকে কক্সবাজার সদর মডেল থানায় সোপর্দ করা হয়েছে জানান তিনি।
স্থানীয়রা জানান, ১২ নং ওয়ার্ড ছাত্রলীগে সাবেক আহবায়কের তকমা লাগিয়ে কক্সবাজার হোটেল,মোটেল ও কটেজ জোনে ইয়াবা ব্যবসা ও চাঁদাবাজি করে আসছিল এই নাফিস। ১২ নং ওয়ার্ডের সরকার দলীয় এক নেতার মামাত ভাই ও বডি গার্ড হিসেবে থাকতেন নাফিস। মুলত নাফিসকে দিয়েই ওই নেতা নানান অপরাধ কর্মকান্ড চালিয়ে আসছিল। ওই নেতা বিশাল ইয়াবা সিন্ডিকেট গড়ে তুলে নেতার মুখোশের আড়ালে ইয়াবা ব্যবসা করে আসছে বলে এলাকাবাসীর মুখে মুখে। এই নেতা বর্তমানে অন্তত ৫০ কোটি টাকার সম্পদের মালিক বনে গেছে।

১০/১২ বছরে কোটি কোটি টাকার মালিক হওয়া নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দাদের ভাবিয়ে তুলেছে। তার আয়ের উৎস ও সম্পদ অনুসন্ধানের দাবী তুলেছেন এলাকাবাসী।

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।