২৩ আগস্ট, ২০২৬ | ৮ ভাদ্র, ১৪৩৩ | ৯ রবিউল আউয়াল, ১৪৪৮


শিরোনাম
  ●  দোকান মালিক সমিতি ফেডারেশন নির্বাচনে সভাপতি পদে এগিয়ে আবুল হাশেম   ●  সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ সাবের এর নেতৃত্বে উখিয়া উপজেলার বেসরকারি ক্লিনিক-হাসপাতাল ও ডায়াগন্টিক সেন্টার পরিদর্শন   ●  কক্সবাজার পুলিশ সুপারকে ঘিরে তিনজনের বদলি-পদায়ন বাণিজ্য   ●  পৌরসভার অর্থায়নে সেগুনবাগিচায় ৪টি রাস্তা নির্মাণ শুরু   ●  উখিয়ায় জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসে আলোচনা, রক্তদান ও উন্নত খাবার বিতরণ   ●  আলোচিত ৫০ হাজার পিস ইয়াবা আটকের মামলায় নাম নেই ইয়াবার মুল মালিক ডালিম ও ভুট্টোর   ●  ফরেস্ট রেঞ্জার্স ডে উপলক্ষে রাঙ্গুনিয়া ইকোপার্কে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন   ●  জবিস্থ কক্সবাজার ছাত্রকল্যাণের নেতৃত্বে কলিম-নয়ন   ●  হলদিয়াপালং ইউনিয়ন যুবদলের সাংগঠনিক উত্তর শাখার ৭ সদস্য বিশিষ্ট আংশিক কমিটি অনুমোদন   ●  হাসপাতাল ছাড়লেন আহত ৫ বনকর্মী, এসিএফ’র নেতৃত্বে ঘটনাস্থল পরিদর্শন

আমিষ খাওয়ার অধিকার রয়েছে মানুষের : ভারতীয় আদালত

ভারতের উত্তর প্রদেশে বেআইনি কসাইখানা বন্ধ নিয়ে যোগী আদিত্যনাথ সরকারকে তিরস্কার এলাহাবাদ হাইকোর্টের। ‘আমিষ খাওয়ার অধিকার রয়েছে মানুষের। রাজ্য সরকার তাতে নিষেধাজ্ঞা বসাতে পারে না। ’‌
শুক্রবার ভারতের উত্তর প্রদেশ রাজ্যের মাংস ব্যবসায়ীদের আবেদনের শুনানি চলছিল আদালতে। সেখানে মাংস বিক্রেতাদের হয়ে সওয়াল করেন লখনউ ডিভিশন বেঞ্চের বিচারক এপি শাহী এবং সঞ্জয় হারকৌলি।
তাঁরা বলেন, ‘‌মানুষ কী খাবেন আর কী খাবেন না, সেটা মানুষকেই ঠিক করতে দিন। আমিষ খাওয়ার সম্পূর্ণ অধিকার রয়েছে তাঁদের। রাজ্য সরকার তা কেড়ে নিতে পারে না। বেআইনি কসাইখানা বন্ধ করছেন করুন। তবে বৈধ কসাইখানাগুলি কী দোষ করেছে?‌ লাইসেন্সের পুননর্বীকরণ বন্ধ রাখা হয়েছে কেন?‌ নতুন যাঁরা আবেদন করেছেন তাঁদেরই বা লাইসেন্স দেওয়া হচ্ছে না কেন?‌ এভাবে দায় এড়িয়ে যেতে পারে না রাজ্য সরকার। ২০০৬ সালের খাদ্য সুরক্ষা আইনের আওতায় আবেদনকারীদের লাইসেন্স দিতে হবে। ’‌
আগামী ১৭ জুলাই মামলার পরবর্তী শুনানি। তারধ্যেই রিপোর্ট জমা দিতে হবে রাজ্য সরকারকে। মাংস বিক্রেতাদের অভিযোগের ভিত্তিতে কী কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে তা বিস্তারিত জানাতে হবে।
মার্চ মাসের বিধানসভা ভোটে জিতে উত্তরপ্রদেশে সরকার গড়েছে বিজেপি। মুখ্যমন্ত্রী হয়েছেন যোগী আদিত্যনাথ। দায়িত্ব হাতে নিয়েই রাজ্যের সমস্ত বেআইনি কসাইখানা বন্ধের নির্দেশ দেন তিনি। এতে বৈধ কসাইখানাগুলির ওপরও কোপ পড়ে। যোগী বাহিনীর দৌরাত্ম্যে ক্ষতিগ্রস্ত হন সাধারণ মাংস বিক্রেতারাও।
প্রশাসনের কাছে আবেদন জানিয়েও লাভ হয়নি। মার্চ মাসের পর থেকে ব্যবসায়ীদের লাইসেন্সের পুনর্নবীকরণ বন্ধ রাখা হয়েছে। নতুন যাঁরা আবেদন করেছেন, তাঁদেরও খালি হাতে ফিরতে হয়েছে। বাধ্য হয়ে আদালতের দ্বারস্থ হন মাংস ব্যবসায়ীদের একাংশ। প্রায় দু’‌ডজন আবেদন জমা পড়ে। শুক্রবার তাঁদের ফরেই এলাহাবাদ হাইকোর্টে শুনানি হয়েছে। লাইসেন্স পুনর্নবীকরণের পাশাপাশি নতুন যাঁরা আবেদন করেছেন রাজ্য সরকারকে তাঁদেরও লাইসেন্স দিতে নির্দেশ দিয়েছে আদালত।
বৈধ কাগজপত্র না থাকায় বহু কসাইখানা বন্ধ করে দিয়েছিল যোগী সরকার। আদালতের নির্দেশের পর সেই কসাইখানার মালিকরাও লাইসেন্সের জন্য আবেদন করতে পারবেন। সূত্র : আজকাল।

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।