মূল খবরে যান

শিরোনাম
● বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালক হলেন সোহেল● দোকান মালিক সমিতি ফেডারেশন নির্বাচনে সভাপতি পদে এগিয়ে আবুল হাশেম● সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ সাবের এর নেতৃত্বে উখিয়া উপজেলার বেসরকারি ক্লিনিক-হাসপাতাল ও ডায়াগন্টিক সেন্টার পরিদর্শন● কক্সবাজার পুলিশ সুপারকে ঘিরে তিনজনের বদলি-পদায়ন বাণিজ্য● পৌরসভার অর্থায়নে সেগুনবাগিচায় ৪টি রাস্তা নির্মাণ শুরু● উখিয়ায় জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসে আলোচনা, রক্তদান ও উন্নত খাবার বিতরণ● আলোচিত ৫০ হাজার পিস ইয়াবা আটকের মামলায় নাম নেই ইয়াবার মুল মালিক ডালিম ও ভুট্টোর● ফরেস্ট রেঞ্জার্স ডে উপলক্ষে রাঙ্গুনিয়া ইকোপার্কে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন● জবিস্থ কক্সবাজার ছাত্রকল্যাণের নেতৃত্বে কলিম-নয়ন● হলদিয়াপালং ইউনিয়ন যুবদলের সাংগঠনিক উত্তর শাখার ৭ সদস্য বিশিষ্ট আংশিক কমিটি অনুমোদন

আগুনে পুড়লো বাক প্রতিবন্ধি

শেয়ার করুন


উখিয়া উপজেলার বাণিজ্যিক রাজধানীখ্যাত কোটবাজারের দক্ষিণ ষ্টেশনে ভয়াবহ অগ্নিকান্ডে ১৪টি দোকান এবং ১৪ টি কলোনী বাসা সম্পূর্ণ ভস্মিভুত হয়েছে। এসময় অগ্নিদগ্ধ হয়ে বাসার ভিতর অবস্থানরত মৃত আবদু ছবিরের বাক প্রতিবন্ধী কন্যা জুবেদা খাতুন (৩৫) ঘটনাস্থলে নিহত হন। অগ্নিকান্ডে প্রাথমিক ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ কোটি টাকা বলে জানিয়েছেন রতœাপালং ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান খাইরুল আলম চৌধুরী। ১৮ জানুয়ারি বুধবার ভোর রাতে এই ঘটনাটি ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শী এবং স্থানীয়দের সুত্রে জানা গেছে, বুধবার ভোর রাতে অগ্নিকান্ডের সুত্রপাত হয়ে মুহূর্তের মধ্যেই দোকানপাট সহ কলোনী বাসা গুলোতে ছড়িয়ে পড়ে। ঘন্টাতিনেক পর ফায়ার সার্ভিস এবং স্থানীয়দের সহায়তায় আগুন নিয়ন্ত্রণে এনে বাসার ভিতর থেকে অগ্নিদগ্ধ অবস্থায় নিহত জুবেদা খাতুনকে উদ্ধার করা হয়।
ক্ষতিগ্রস্থ ব্যবসায়ী নুরুল আলম এবং নুরুল ইসলামের সাথে কথা বলে জানা যায়, প্রতিদিনের মত রাতে দোকান বন্ধ করে বাসায় ফেরেন। ভোর রাতে অগ্নিকান্ডের খবর পেয়ে ছুটে এসে দেখেন সব পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। কান্নাজড়িত কন্ঠে ফার্নিচার ব্যবসায়ী নুরুল আলম বলেন, বৃহস্পতিবার বিয়ের ফার্নিচার সরবরাহ দেওয়ার কথা ছিল কিন্তু এখন আমি সব হারিয়ে রাস্তায় নেমে গেছি। ১২ লক্ষাধিক টাকার মালামাল পুড়ে গেছে বলে উল্লেখ করেন তারা।
স্থানীয় রতœাপালং ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান খাইরুল আলম চৌধুরী জানান, অগ্নিকান্ডে ১৪টি দোকান এবং ১৪ টি কলোনী বাসা তৎমধ্যে ৮ টি ফ্যামেলি বাসা, ৩টি ব্যাচেলর বাসা এবং ৩ টি খালি বাসা সম্পূর্ণ ভস্মিভুত হয়েছে। অগ্নিকান্ডের সঠিক কারণ জানা না গেলেও ক্ষয়ক্ষতি পরিমাণ কোটি টাকা বলে জানান। এছাড়া ক্ষতিগ্রস্থ ৮ টি পরিবারকে ৪ টি কম্বলসহ নগদ পাঁচ হাজার টাকা এবং ৩ টি ব্যাচেলর ফ্যামেলিকে ২টি কম্বলসহ নগদ তিন হাজার টাকা করে অর্থ সহায়তা প্রদান করা হয়েছে।
অগ্নিকান্ডের খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাঈন উদ্দিন এবং উখিয়া থানা অফিসার ইনচার্জ মোঃ আবুল খায়ের।

শেয়ার করুন