২৩ আগস্ট, ২০২৬ | ৮ ভাদ্র, ১৪৩৩ | ৯ রবিউল আউয়াল, ১৪৪৮


শিরোনাম
  ●  দোকান মালিক সমিতি ফেডারেশন নির্বাচনে সভাপতি পদে এগিয়ে আবুল হাশেম   ●  সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ সাবের এর নেতৃত্বে উখিয়া উপজেলার বেসরকারি ক্লিনিক-হাসপাতাল ও ডায়াগন্টিক সেন্টার পরিদর্শন   ●  কক্সবাজার পুলিশ সুপারকে ঘিরে তিনজনের বদলি-পদায়ন বাণিজ্য   ●  পৌরসভার অর্থায়নে সেগুনবাগিচায় ৪টি রাস্তা নির্মাণ শুরু   ●  উখিয়ায় জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসে আলোচনা, রক্তদান ও উন্নত খাবার বিতরণ   ●  আলোচিত ৫০ হাজার পিস ইয়াবা আটকের মামলায় নাম নেই ইয়াবার মুল মালিক ডালিম ও ভুট্টোর   ●  ফরেস্ট রেঞ্জার্স ডে উপলক্ষে রাঙ্গুনিয়া ইকোপার্কে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন   ●  জবিস্থ কক্সবাজার ছাত্রকল্যাণের নেতৃত্বে কলিম-নয়ন   ●  হলদিয়াপালং ইউনিয়ন যুবদলের সাংগঠনিক উত্তর শাখার ৭ সদস্য বিশিষ্ট আংশিক কমিটি অনুমোদন   ●  হাসপাতাল ছাড়লেন আহত ৫ বনকর্মী, এসিএফ’র নেতৃত্বে ঘটনাস্থল পরিদর্শন

আ.লীগের চার কর্মী হত্যায় ২৩ জনের ফাঁসি

নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজারে চার আওয়ামী লীগ কর্মীকে কুপিয়ে ও পুড়িয়ে হত্যা মামলায় ২৩ জনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত।

বুধবার দুপুরে নারায়ণগঞ্জ অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ দ্বিতীয় আদালতের বিচারক কামরুন নাহার এ রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার সময় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ২৩ আসামির মধ্যে ১৯ জন আদালতে উপস্থিত ছিল।

আদালতে উপস্থিত ১৯ আসামি হলেন- মামলার প্রধান আসামি আবুল বাশার কাশু, জহির উদ্দিন মেম্বার, আবু কালাম, ডালিম, ইয়াকুব আলী, রফিক, হালিম, রুহেল, শাহাবুদ্দিন, লিয়াকত আলী মাস্টার, সিরাজ উদ্দিন, ইদ্রিস আলী, মোহাম্মদ হোসেন, আহাদ আলী, ইউনুছ আলী, ফারুক হোসেন, গোলাম আযম, আব্দুল হাই ও খোকন। পলাতক রয়েছে আল-আমিন, রুহুল আমিন, তাজুল ইসলাম ও হারুন।

২০০২ সালের ১২ মার্চ বর্তমান আড়াইহাজার থানা ছাত্রলীগের সভাপতি ও উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলামের ছোট ভাই বারেক, তার ফুফাতো ভাই বাদল, ছাত্রলীগ নেতা ফারুক ও আওয়ামী লীগ কর্মী কবীরকে বাড়ি থেকে ধরে নিয়ে নির্মম নির্যাতনের পর আগুনে পুড়িয়ে হত্যা করা হয়। পরে নিহত বারেকের বাবা প্রাক্তন ইউপি সদস্য আজগর আলী বাদী হয়ে আড়াইহাজার থানায় ২৩ জনকে আসামি করে একটি মামলা দায়ের করেন। মামলায় প্রধান আসামি করা হয় গোপালদী ইউনিয়ন বিএনপির তৎকালীন সভাপতি আবুল বাশার কাশুকে।

তদন্ত শেষে পুলিশ ২৩ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট দাখিল করে। মামলা চলাকালীন সময়ে বাদী আজগর আলী মারা যাওয়ার পর তার ছেলে রফিকুল ইসলাম মামলার বাদী হন। ১৬ জন সাক্ষীর মধ্যে আদালত ১৬  জনেরই সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে দীর্ঘ ১৫ বছর পর এই  মামলার রায় ঘোষণা করে।

রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন বাদী ও রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী। বাদী পক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট জাসমীন আহমেদ জানান, এ মামলায় ১৬ জন সাক্ষীকে আদালতে উপস্থাপন করা হয়েছে।

মামলার বাদী রফিকুল ইসলাম বলেন, প্রত্যেক সাক্ষী এ রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছে। এখন দ্রুত রায় কার্যকর করার দাবি জানাচ্ছি।

আসামি পক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট খোরশেদ আলম মোল্লা এ রায়ের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আপিল করবেন বলে জানিয়েছেন।

উল্লেখ্য, ২০১৪ সালের ২১ অক্টোবর এই মামলার প্রধান আসামি আবুল বাশার কাশু বিএনপির কিছু নেতা-কর্মী নিয়ে আওয়ামী লীগে যোগ দেয়।

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।