২০ জুন, ২০২৬ | ৬ আষাঢ়, ১৪৩৩ | ৪ মহর্‌রম, ১৪৪৮


শিরোনাম
  ●  পাতেলী খালের তীরে ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি ৪৭ বছর পর আবারও আলোচনায় শাহজাহান চৌধুরী   ●  মরিচ্যা বাজারের মডেল মসজিদ ও মার্কেট পরিদর্শনে ইউএনও রিফাত আসমা   ●  দক্ষিণ এশিয়ার সেরা গোল রক্ষক জিকুকে সংবর্ধিত করলো ক্রীড়া সাংবাদিকদের শীর্ষ সংগঠন বিএসপিএ   ●  কৃষিখাতের উন্নয়নে নিরলস ভাবে কাজ করছে সরকার   ●  বদরখালী সমবায় কৃষি ও উপনিবেশ সমিতির বার্ষিক সাধারণ সভায় এমপি জাফর আলম   ●  টেকনাফে প্যারাবনে আটটি বস্তায় মিলল বিদেশি৩৮৮ক্যান বিয়ার ও৭৬ বোতল মদ   ●  মানুষের কথা বলেই যাবে কক্সবাজার বার্তা   ●  টেকনাফে বিদেশী হুইস্কিসহ মাদক কারবারী আটক   ●  নজিবুল ইসলামের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি : গ্রামীণ জনপদের মানুষের মুখে হাসি   ●  বিবেক’কে জাগ্রত রেখে দেশ ও মানুষের জন্য কাজ করতে হবে- অতিরিক্ত আইজি শাহাবুদ্দিন খান

অবৈধ জবর দখলকারীদের দখলে ইনানী সী-বীচ

pic-ukhiya-14-11-2016বিশ্বের অন্যতম বালুকাময় সমুদ্র সৈকত ইনানী সী-বীচ এখন অবৈধ জবর দখলকারীদের কবলে। বীচ ম্যানেজ ম্যন্ট কমিটি ও উপজেলা প্রশাসকের দায়িত্বহীনতার সুযোগে প্রভাবশালী সংঘবদ্ধ দখলকারীরা সী-বীচের প্রবেশ মূখে দোকান ঘর তৈরি করে পসারা সাজিয়েছে। ফলে ভ্রমন পিপাসু দেশী-বিদেশী পর্যটকদের চরম দুর্ভোগের স্বীকার হতে হচ্ছে।

কক্সবাজারের সাগর কন্যা হিসাবে খ্যাত ইনানী বীচ পর্যটকদের কাছে বেশ পরিচিত। পাহাড়, পাথর ও সবুজ অরন্যে বেষ্টিত ইনানী বীচের নীল জলরাসি দেখতে প্রতিদিন হাজার হাজার পর্যটকের সমাগন ঘটে। বিশেষ করে মেরিণ ড্রাইভ সড়ক নির্মাণ হওয়ায় ইনানী বীচের আরও কদর বেড়ে গেছে।

সচেতন মহলের অভিযোগ পর্যটন মন্ত্রণালয় ও পর্যটন কর্পোরেশন ইনানী বীচের প্রতি এতই অবিচার ও অবহেলা করেছে তা বলার মত নয়। দীর্ঘ এক যুগের অধিক সময় ধরে এ বীচে উন্নয়নের ছোঁয়া লেগেনি। এমনকি বীচ ম্যানেজ ম্যান্ট কমিটিও করছে বিবামতাসুলভ আচরণ।

সরজমিন পরিদর্শনে দেখা যায়, ইনানী সী-বীচের প্রবেশ পথে অসংখ্য ঝুঁপড়ি দোকান তৈরি করেছে অবৈধ জবরদখলকারীরা। বিভিন্ন পসারা সাজিয়ে বীচের প্রবেশ পথ দখল করে ঝুঁপড়ি দোকান তৈরি করায় পর্যটকদের যাতায়তে প্রতিবন্ধিকতা সহ সৈকতের সৌন্দর্য্য ও বিনিষ্ট হচ্ছে। সুশীল সমাজের অভিমত বীচ ম্যানেজ ম্যান্ট কমিটির দায়িত্বহীনতার কারণে দিন দিন সী-বীচটি অবৈধ জবরদখলকারীর হাতে চলে যাচ্ছে। এমনকি ইনানী বীচের গাড়ীর পাকিং জবরদখল করে রাখায় পর্যটকরা পার্কিং করতে বিড়ম্বনা শিকার হচ্ছে বলে অনেকে অভিযোগ করেন।

উখিয়া উপজেলা প্রশাসন সুত্রে জানা যায়, উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো: মাঈন উদ্দিন একাধিক বার অভিযান চালিয়ে অবৈধ ঝুঁপড়ি দোকান উচ্ছেদ করলেও পরবর্তীতে দখলদারকারীরা পুন:রায় জবরদখল করে তারা।

সুশীল সমাজের নেতৃবৃন্দের অভিমত পর্যটক কর্পোরেশন ও জেলা বীচ ম্যানেজ ম্যান্ট কমিটি দ্রুত সরজমিন পরিদর্শন করে অবৈধ স্থাপনা ও ঝুঁপড়ির দোকান উচ্ছেদ করে ইনানী বীচের সৌন্দর্য্য ফিরিয়ে আনা। এতে সরকার পর্যটক খাত থেকে বিপুল পরিমান রাজস্ব আদায় করতে সক্ষম হবে।

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।