২৭ জুন, ২০২৬ | ১৩ আষাঢ়, ১৪৩৩ | ১১ মহর্‌রম, ১৪৪৮


শিরোনাম
  ●  লম্বরীপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নেতৃত্বে রমজান আলী   ●  পাতেলী খালের তীরে ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি ৪৭ বছর পর আবারও আলোচনায় শাহজাহান চৌধুরী   ●  মরিচ্যা বাজারের মডেল মসজিদ ও মার্কেট পরিদর্শনে ইউএনও রিফাত আসমা   ●  দক্ষিণ এশিয়ার সেরা গোল রক্ষক জিকুকে সংবর্ধিত করলো ক্রীড়া সাংবাদিকদের শীর্ষ সংগঠন বিএসপিএ   ●  কৃষিখাতের উন্নয়নে নিরলস ভাবে কাজ করছে সরকার   ●  বদরখালী সমবায় কৃষি ও উপনিবেশ সমিতির বার্ষিক সাধারণ সভায় এমপি জাফর আলম   ●  টেকনাফে প্যারাবনে আটটি বস্তায় মিলল বিদেশি৩৮৮ক্যান বিয়ার ও৭৬ বোতল মদ   ●  মানুষের কথা বলেই যাবে কক্সবাজার বার্তা   ●  টেকনাফে বিদেশী হুইস্কিসহ মাদক কারবারী আটক   ●  নজিবুল ইসলামের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি : গ্রামীণ জনপদের মানুষের মুখে হাসি

সেভ দ্য চিলড্রেনের বার্তা

৫ লাখ রোহিঙ্গা শিশুকে নিরাপদ স্থানে নেওয়ার দাবি

কক্সবাজারসময় ডেস্কঃ সপ্তাহ ধরে ভারী বর্ষণে সৃষ্ট ভূমি ও পাহাড়ধসে কক্সবাজারের উখিয়া এবং টেকনাফের রোহিঙ্গা শিবিরে থাকা পাঁচ লাখের বেশি শিশুর স্বাস্থ্যঝুঁকির আশঙ্কা করছে সেভ দ্য চিলড্রেন। বৃহস্পতিবার এক ইমেইল বার্তায় সংস্থাটি এ আশঙ্কা থেকে তাদের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়ার দাবি জানিয়েছে।

সেভ দ্য চিলড্রেন বলছে, আগামী দিনে আবহাওয়া আরও খারাপ হলে রোহিঙ্গা শিবির ও স্থানীয়দের মধ্যে মানবিক সংকট দেখা দেবে। তখন হতাহত, বাস্তুচ্যুতি ছাড়াও পানিবাহিত রোগের ঝুঁকি বাড়বে।

সেভ দ্য চিলড্রেনের বাংলাদেশের ডেপুটি কান্ট্রি ডিরেক্টর ড. ইশতিয়াক মান্নান জানান, বৃষ্টির কারণে পাহাড়ের মাটি নরম হয়ে গেছে। এরই মধ্যে পাহাড়ধসে বাংলাদেশি তিন শিশু নিহত হয়েছে। বৃষ্টি বাড়লে এবং আকস্মিক বন্যা হলে রোহিঙ্গা শিবিরের শিশুরা আরও অনিরাপদ হয়ে পড়বে।

কক্সবাজারে রোহিঙ্গা রেসপন্সের সেভ দ্য চিলড্রেনের টিম লিডার ডেভিড স্কিনার জানান, ভারী বর্ষণে এরই মধ্যে দুই শতাধিক শিক্ষা, শিশুবান্ধব ও সেবাকেন্দ্র আংশিক অথবা পুরোপুরি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তাদের কর্মীরা সতর্ক রয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত অবকাঠামো দ্রুত মেরামতের পাশাপাশি জরুরি সেবা অব্যাহত রেখেছে।
২০১৭ সালের আগস্টের পর থেকে এখন পর্যন্ত সেভ দ্য চিলড্রেন চার লাখের বেশি শিশুসহ ৭ লাখ ৪৫ হাজার রোহিঙ্গা ও স্থানীয় জনগোষ্ঠীর কাছে মানবিক সহায়তা পৌঁছে দিয়েছে। সংস্থাটির দুই সহস্রাধিক কর্মী শিশু সুরক্ষা, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, পুষ্টি, পানি ও স্যানিটেশন পরিষেবার পাশাপাশি খাদ্যসামগ্রী দিয়ে আসছে। আর ২ লাখ ৫৩ হাজার শিশুসহ রোহিঙ্গাদের মধ্যে চাল, ডাল, তেলসহ নানা নিত্যসামগ্রী সরবরাহ অব্যাহত রেখেছে।

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।