২৬ মে, ২০২৬ | ১২ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ | ৮ জিলহজ, ১৪৪৭


শিরোনাম
  ●  দক্ষিণ এশিয়ার সেরা গোল রক্ষক জিকুকে সংবর্ধিত করলো ক্রীড়া সাংবাদিকদের শীর্ষ সংগঠন বিএসপিএ   ●  কৃষিখাতের উন্নয়নে নিরলস ভাবে কাজ করছে সরকার   ●  বদরখালী সমবায় কৃষি ও উপনিবেশ সমিতির বার্ষিক সাধারণ সভায় এমপি জাফর আলম   ●  টেকনাফে প্যারাবনে আটটি বস্তায় মিলল বিদেশি৩৮৮ক্যান বিয়ার ও৭৬ বোতল মদ   ●  মানুষের কথা বলেই যাবে কক্সবাজার বার্তা   ●  টেকনাফে বিদেশী হুইস্কিসহ মাদক কারবারী আটক   ●  নজিবুল ইসলামের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি : গ্রামীণ জনপদের মানুষের মুখে হাসি   ●  বিবেক’কে জাগ্রত রেখে দেশ ও মানুষের জন্য কাজ করতে হবে- অতিরিক্ত আইজি শাহাবুদ্দিন খান   ●  চট্টগ্রাম জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয়ে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন   ●  বেশি বাড়াবাড়ি করলে বিএনপি’র পদযাত্রা মরণযাত্রা হয়ে উঠবে-সাবেক সাংসদ বদি

হোটেল সী ক্রাউন থেকে ভূয়া কারাপরিদর্শক আটক

 

আবু সায়েম : কক্সবাজার জেলা কারাগারের জেল সুপার বজলুর রশীদ আখন্দের বিচক্ষণতায় হোটেল মোটেল জোনে কলাতলীর ডলপিন মোড়ে অবস্থিত হোটেল সী ক্রাউন থেকে ভূয়া কারাপরিদর্শক পরিচয়দানকারী দুইজনকে আটক করেছে পুলিশ।

আটককৃত রিয়াদ বিন সেলিম ও শাহনাজ পারভীন মায়া সম্পর্কে স্বামী-স্ত্রী। তারা চট্টগ্রামের পটিয়ার বাসিন্দা।

হোটেল সী- ক্রাউন কর্তৃপক্ষের বরাত দিয়ে কক্সবাজার জেলা কারাগারের তত্ত্বাবধায়ক বজলুর রশীদ আখন্দ জানান, হোটেলে অবস্থানরত স্বামী স্ত্রী নিজেদের সিনিয়র কারাপরিদর্শক হিসেবে পরিচয় দেন।এবং গত ২১ তারিখ তারা ওই হোটেলে উঠেন। হোটেলে অবস্থান করার পর থেকে খাবার দাবার সহ যাবতীয় কিছু বাকিতে ভোগ করছিলেন। নিয়ম মোতাবেক তাদের কাছ থেকে রুম ভাড়া আর খাবারের টাকা চাওয়া হলে তারা আজ দিবে কাল দিবে বলে হোটেল কর্তৃপক্ষকে সময় দিতে থাকেন।

বজলুর রশীদ আখন্দ আরোও বলেন, কর্তৃপক্ষ আমাকে বিষয়টি জানালে তৎক্ষনাৎ ফোর্স নিয়ে ঘটনাস্থলে চলে যাই। পরবর্তীতে গভীর সন্দেহ হলে তাদেরকে চ্যালেঞ্জ করে আসল পরিচয় জানতে চাইলে তারা অসংলগ্ন কথাবার্তা বলে। বিষয়টি আমি অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ইকবাল হোছাইনকে অবগত করলে তিনি সদর মডেল থানার অপারেশন অফিসার ইয়াছিন কে ফোর্সসহ ঘটনাস্থলে পাঠান।

এ ব্যাপারে কক্সবাজার সদর মডেল থানার অপারেশন অফিসার ইয়াছিন জানান, স্বামী – স্ত্রী দুজনই সিনিয়র কারাপরিদর্শক হিসেবে ভূয়া পরিচয় প্রদান করে উক্ত হোটেলে ১৩ দিন যাবত অবস্থান করছেন। বিষয়টি খুবই জটিল। কারণ চট্টগ্রামে স্থায়ী বাসিন্দা হলে কক্সবাজারে কোন কাজ ছাড়া ১৩ দিন থাকা অস্বাভাবিক। এর পেছনে মাদকের কোন সংশ্লিষ্টতা আছে বলে তিনি মনে করেন। হয়তো কোন মাদকের চালান নিয়ে যাওয়ার জন্য তারা এতোদিন পর্যন্ত অপেক্ষা করছিলো।

তিনি আরো জানান, আটককৃত রিয়াদ বিন সেলিমের বিরুদ্ধে চট্টগ্রাম আকবর শাহ থানায় ধর্ষণ ও অপহরনের মামলা রয়েছে। এ ব্যাপারে তদন্তপূর্বক আইন মোতাবেক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।