১১ আগস্ট, ২০২৬ | ২৭ শ্রাবণ, ১৪৩৩ | ২৭ সফর, ১৪৪৮


শিরোনাম
  ●  পৌরসভার অর্থায়নে সেগুনবাগিচায় ৪টি রাস্তা নির্মাণ শুরু   ●  উখিয়ায় জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসে আলোচনা, রক্তদান ও উন্নত খাবার বিতরণ   ●  আলোচিত ৫০ হাজার পিস ইয়াবা আটকের মামলায় নাম নেই ইয়াবার মুল মালিক ডালিম ও ভুট্টোর   ●  ফরেস্ট রেঞ্জার্স ডে উপলক্ষে রাঙ্গুনিয়া ইকোপার্কে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন   ●  জবিস্থ কক্সবাজার ছাত্রকল্যাণের নেতৃত্বে কলিম-নয়ন   ●  হলদিয়াপালং ইউনিয়ন যুবদলের সাংগঠনিক উত্তর শাখার ৭ সদস্য বিশিষ্ট আংশিক কমিটি অনুমোদন   ●  হাসপাতাল ছাড়লেন আহত ৫ বনকর্মী, এসিএফ’র নেতৃত্বে ঘটনাস্থল পরিদর্শন   ●  কক্সবাজারে বনভূমি দখল উচ্ছেদে গিয়ে হামলা, রেঞ্জ কর্মকর্তাসহ ৫ বনকর্মী আহত   ●  স্নাতকের শেষবর্ষের ছাত্র ইমরানকে ‘ছাত্রলীগ ট্যাগ’ লাগিয়ে নাশকতা মামলায় চালান, পরীক্ষা চলাকালেই পাঠানো হলো কারাগারে   ●  প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ জানিয়েছেন এম মনজুর আলম মেম্বার

হারিয়ে যাচ্ছে গোমাতলী রাজঘাট পাড়া

কক্সবাজার সদর উপজেলার পোকখালী ইউনিয়নের উত্তর গোমাতলী ৭নং ওয়ার্ড রাজঘাট পাড়ার বেড়িবাঁধ ভেঙ্গে হারিয়ে যাচ্ছে ১০ বসতবাড়ি। প্রতিদিন জোয়ারের পানিতে তলিয়ে যাচ্ছে পাড়া-মহল্লা। যে কারনে রাজঘাট পাড়ার মানুষ গত ২বছর ধরে দুর্ভোগ পোহাচ্ছে। পার্শ্ববর্তী ফুলছড়ি নদী গর্ভে বিলীন হওয়ার পথে রাজঘাট মসজিদ-কবরস্থান। প্রতিদিনকার জোয়ার ভাটায় চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়েছে মহল্লার সড়ক-উপসড়ক। লন্ডভন্ড হয়ে যাওয়া বেঁড়িবাধটি দীর্ঘদিন মেরামত না করায় এ অবস্থা সৃষ্টি হয়েছে বলে জানিয়েছেন এলাকাবাসী। কারণ জানতে গিয়ে দেখা গেছে, পাড়ার ৪শ’ ফুট বেঁড়িবাধ সংস্কার না হওয়ায় এলাকাবাসীকে মানবেতর জীবন যাপন করতে হচ্ছে। এলাকাবাসী ভাঙ্গনরোধে সদর উপজেলা চেয়ারম্যান জিএম রহিম উল্লাহ ও সদর রামু আসনের এমপি সাইমুম সরওয়ার কমলের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
নদী ভাঙ্গনের শিকার রাজঘাট পাড়ার বাসিন্দা জাফর আলম, মোস্তাক আহমদ ও ব্যবসায়ী জামাল উদ্দীন জানান, পূর্ণিমার জোর প্রভাবে ফুলছড়ি নদীর রাজঘাট পাড়ার বেড়িবাঁধ ভেঙ্গে গেছে। ভয়াবহ ভাঙ্গন অব্যাহত থাকলে আরো অনেক বসত ঘর হারিয়ে যাবে ফুলছড়ি নদীতে। গত কয়েক দশকে ফুলছড়ি নদী তীরের রাজঘাট পাড়ার বাসিন্দা আবদুল মোনাফ, জাফর আলম, মো: ইসমাঈলের বসত ঘর হারিয়ে গেছে। তাদের মধ্যে অনেকে বসত ঘর হারিয়ে বিভিন্ন স্থানে যাযাবর জীবন যাপন করছে।
তারা আরো জানান, ফুলছড়ি নদী খরস্রোত হওয়ায় ভাঙ্গন দিন দিন তীব্রতর হচ্ছে। সরকারী সাহায্যের দিকে তাকিয়ে না থেকে এলাকাবাসী ভাঙ্গন প্রতিরোধে কিছুদিন আগে বাঁধ নির্মাণ করেন। কিন্তু জোয়ারের তীব্রতায় তাও ভেসে গেছে। জোয়ারের পানির কারনে ওই এলাকার মানুষের দুর্ভোগ যেন পিছু ছাড়ছেনা। প্রতিদিন জোয়ারের পানি উলে¬খিত এলাকার বসতঘর ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে ঢুকে পড়ছে।
পোকখালী ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ যুগ্ন সাধারন সম্পাদক দেলোয়ার হোছাইন জানিয়েছেন, বিগত কয়েক বছর পূর্বে গোমাতলী সমবায় কৃষি ও মোহাজের উপনিবেশ সমিতি ও এলাকাবাসির অর্থায়নে রাজঘাট পাড়ার বেড়িবাঁধ নির্মাণ করা হয়। সে থেকে সরকারী কোন বরাদ্ধ জুটেনি। ফুলছড়ি নদীর পাশে অবহেলিত এ গ্রামটি স্বাধীনতার পর থেকে নানা অবহেলায় রয়েছে। এ গ্রামে রয়েছে ৬জন মুক্তিযোদ্বা। গ্রামের বাসিন্দারা কয়েক দপে চাঁদা দিয়ে বেড়িবাঁধ সংস্কার করলেও তা ছিল অপ্রতুল। যার কারনে দিন দিন নদী গর্ভে হারিয়ে যাচ্ছে পাড়ার বসত ঘর। হুমকিতে রয়েছে একমাত্র মসজিদ-কবরস্থান।
৭ নং ওয়ার্ড মেম্বার মাহমুদুল হক দুখু মিয়া জানান, নদীর ভাঙ্গন ঠেকাতেও রাজঘাট পাড়া রক্ষায় দ্রত বরাদ্ব দেয়ার জন্য পোকখালী ইউপি চেয়ারম্যানকে অবহিত করা হয়েছে ।
পোকখালী ইউপি চেয়ারম্যান রফিক আহমদ জানান, ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ড রাজঘাটবাসীর দূর্ভোগ লাঘবে নদী ভাঙ্গন প্রতিরোধে পানি উন্নয়ন বোর্ড কক্সবাজার (পাউবো)কে জানানো হয়েছে। দু-একদিনের মধ্যে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা এলাকা পরিদর্শণ করবেন বলে জানান তিনি।

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।