মূল খবরে যান

শিরোনাম
● বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালক হলেন সোহেল● দোকান মালিক সমিতি ফেডারেশন নির্বাচনে সভাপতি পদে এগিয়ে আবুল হাশেম● সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ সাবের এর নেতৃত্বে উখিয়া উপজেলার বেসরকারি ক্লিনিক-হাসপাতাল ও ডায়াগন্টিক সেন্টার পরিদর্শন● কক্সবাজার পুলিশ সুপারকে ঘিরে তিনজনের বদলি-পদায়ন বাণিজ্য● পৌরসভার অর্থায়নে সেগুনবাগিচায় ৪টি রাস্তা নির্মাণ শুরু● উখিয়ায় জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসে আলোচনা, রক্তদান ও উন্নত খাবার বিতরণ● আলোচিত ৫০ হাজার পিস ইয়াবা আটকের মামলায় নাম নেই ইয়াবার মুল মালিক ডালিম ও ভুট্টোর● ফরেস্ট রেঞ্জার্স ডে উপলক্ষে রাঙ্গুনিয়া ইকোপার্কে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন● জবিস্থ কক্সবাজার ছাত্রকল্যাণের নেতৃত্বে কলিম-নয়ন● হলদিয়াপালং ইউনিয়ন যুবদলের সাংগঠনিক উত্তর শাখার ৭ সদস্য বিশিষ্ট আংশিক কমিটি অনুমোদন

স্বাস্থ্য তত্ত্বাবধায়ক সুজন বড়ুয়ার পিতা শিক্ষক বিমল চন্দ্র বড়ুয়ার শ্মশানে চট্টগ্রাম স্বাস্থ্য বিভাগের শ্রদ্ধাঞ্জলি

শেয়ার করুন

নিজস্ব প্রতিবেদক:

চট্টগ্রাম জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয়ের জেলা স্বাস্থ্য তত্ত্বাবধায়ক সুজন বড়ুয়ার পিতা অবসরপ্রাপ্ত প্রবীণ প্রধান শিক্ষক বিমল চন্দ্র বড়ুয়ার শ্মশানে শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন করেছেন চট্টগ্রাম স্বাস্থ্য বিভাগীয় কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। গতকাল ৬ ডিসেম্বর সোমবার বিকেলে চট্টগ্রাম জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয়ের ডেপুটি সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ আসিফ খান ও চট্টগ্রাম সাংবাদিক ইউনিয়নের (সিইউজে) সদস্য সাংবাদিক রনজিত কুমার শীলের নেতৃতে স্বাস্থ্য বিভাগে বিভিন্নস্তরে কর্মরত কর্মকর্তা-কর্মচারীরা কক্সবাজার জেলার উখিয়া উপজেলার মরিচ্যা বাজারস্থ প্রয়াত শিক্ষকের শ্মশানে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন করেন।


উল্লেখ্য যে, গত ৩০ নভেম্বর মঙ্গলবার ভোর ৫টা ৩৯ মিনিটে চট্টগ্রাম ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি পরলোকগমন করেন। প্রয়াত প্রবীন শিক্ষক একজন স্বনামধন্য পল্লী চিকিৎসক মরিচ্যা বাজারের ‘নয়ন’ ফার্মেসীর স্বত্বাধিকারী ছিলেন। ১৯৫২ সালের ১ ফেব্রুয়ারি তারিখে এক সম্ভ্রান্ত পরিবারে জন্মগ্রহন করেন প্রয়াত শিক্ষক বিমল চন্দ্র বড়ুয়া। ১৯৮২ সালে উখিয়ার মরিচ্যা পালং সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে অবৈতনিক শিক্ষক হিসেবে শিক্ষকতা শুরু করেন। পরে উত্তর বড়বিল সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করেন। ১৯৮৭ সালে গোরাইয়ারদ্বীপ সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা প্রধান শিক্ষক হিসেবে যোগদান করেন এবং ২০১৪ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত ২৭ বছর ঐ স্কুলে প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব পালন করেন তিনি।

শেয়ার করুন