৩০ জুন, ২০২৬ | ১৬ আষাঢ়, ১৪৩৩ | ১৪ মহর্‌রম, ১৪৪৮


শিরোনাম
  ●  লম্বরীপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নেতৃত্বে রমজান আলী   ●  পাতেলী খালের তীরে ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি ৪৭ বছর পর আবারও আলোচনায় শাহজাহান চৌধুরী   ●  মরিচ্যা বাজারের মডেল মসজিদ ও মার্কেট পরিদর্শনে ইউএনও রিফাত আসমা   ●  দক্ষিণ এশিয়ার সেরা গোল রক্ষক জিকুকে সংবর্ধিত করলো ক্রীড়া সাংবাদিকদের শীর্ষ সংগঠন বিএসপিএ   ●  কৃষিখাতের উন্নয়নে নিরলস ভাবে কাজ করছে সরকার   ●  বদরখালী সমবায় কৃষি ও উপনিবেশ সমিতির বার্ষিক সাধারণ সভায় এমপি জাফর আলম   ●  টেকনাফে প্যারাবনে আটটি বস্তায় মিলল বিদেশি৩৮৮ক্যান বিয়ার ও৭৬ বোতল মদ   ●  মানুষের কথা বলেই যাবে কক্সবাজার বার্তা   ●  টেকনাফে বিদেশী হুইস্কিসহ মাদক কারবারী আটক   ●  নজিবুল ইসলামের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি : গ্রামীণ জনপদের মানুষের মুখে হাসি

স্থানীয়দের অগ্রাধিকার দাবীতে ‘অধিকার মঞ্চে’ অনশন কর্মসূচি

শফিউল শাহীনঃ কক্সবাজার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে কর্মরত এনজিওতে স্থানীয়দের অগ্রাধিকার, ছাঁটায়বন্ধ ও ছাঁটায়কৃতদের পুবর্বহালে দাবীতে অধিকার বাস্তবায়ন কমিটি উখিয়ার ব্যানারে ১০ ফেব্রুয়ারি উর্খিয়ার কোটবাজারে অনশন কর্মসূচি পালিত হয়েছে।

উখিয়া শত শত শিক্ষিত বেকার ও এনজিও থেকে ছাঁটায়কৃত স্থানীয় যুবকরা সকাল ১০ টা থেকে জাতীয় সংগীতের মধ্যদিয়ে অধিকার বাস্তবায়ন কমিটি উখিয়া নামক সংগঠনটির ব্যানারে কোটবাজারে ‘অধিকার মঞ্চ’ স্থাপন করে এ অনশন কর্মসূচি শুরু করে।
এ কর্মসূচি চলাকালীন কক্সবাজার জেলা প্রশাসক মোঃ কামাল হোসেন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকতা নিকারুজ্জামান চৌধুরী সরাসরি অধিকার বাস্তবায়ন কমিটি উখিয়ার নেতৃবৃন্দের সাথে প্রথমে মুঠোফোনে যোগাযোগ করে আন্দোলনকারীদের সকল দাবী-দাওয়া দ্রুত মেনে নেওয়ার আশ্বাস প্রদান করেন। পরর্বতিতে তাদের পক্ষ হয়ে ‘অধিকার মঞ্চে’ এসে উখিয়া উপজেলা ভূমি কর্মকর্তা ফখরুল ইসলাম আন্দোলনকারীদের দাবীর প্রতি একাত্বতা প্রকাশ করে শরবৎ পান করিয়ে অনশন কর্মসূচির ইতি টানান।

এ ব্যাপারে অধিকার বাস্তবায়ন কমিটি উখিয়ার সভাপতি শরীফ আজাদ বলেন, জেলা প্রশাসক মোঃ কামাল হোসেন রোহিঙ্গাদের আগমনের কারণে ক্ষতিগ্রস্থ উখিয়া-টেকনাফের স্থানীয়দের চলমান আন্দোলনের ন্যায্য দাবী সমূহ মেনে নেওয়ার আশ্বাসের প্ররিপ্রেক্ষিতে অধিকার বাস্তবায়ন কমিটি উখিয়া কতৃর্ক আয়োজিত আজকের অনশন কর্মসূচি উপজেলা ভূমি-কর্মকর্তা ফখরুল ইসলাম সুমনের অনুরোধে আমরা আপাতত: দুপুর ১ টার পর স্থগিত করেছি। আন্দোলনের পরবর্তী কর্মসূচি অধিকার বাস্তবায়ন কমিটি উখিয়ার কার্যকরী কমিটির সভা শেষে ঘোষণা করা হবে।

অধিকার বাস্তাবায়ন কমিটির মুখপাত্র মনজুর আলম শাহীন বলেন, আমরা ২০১৭ সালের ২৫ আগস্টের পর বাস্তচ্যূত ১২ লক্ষাধিক রোহিঙ্গাদের উখিয়ায় আশ্রয়সহ বিভিন্ন মানবিক সহায়তা দিয়েছি। কিন্তু গভীর দুঃখের বিষয় আজ আমরা উখিয়াবাসী নিজ ভূমে পরবাসী।
অন্যদিকে অধিকার বাস্তবায়ন কমিটি উখিয়ার চলমান শান্তিপূর্ণ আন্দোলনকে যারা এই অঞ্চলকে অস্থিতিশীল করার পাঁয়তারা বলে অভিহিত করছেন তাদের উদ্দেশ্যে শরীফ আজাদ বলেন, মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বলিয়ান বর্তমান গণতান্ত্রিক সরকারের রোহিঙ্গাদের প্রতি মানবিক আচরণের বর্তমান অবস্থানের সাথে আমি/আমরা শ্রদ্ধাশীল।

সরকারের এই অবস্থানের সাথে আমাদের কোন বিরোধও নেই। প্রকৃত পক্ষে আমাদের আন্দোলন রোহিঙ্গাদের আগমনের কারণে ক্ষতিগ্রস্থ উখিয়া-টেকনাফের স্থানীয় অধিবাসীদের জীবন-জীবিকার সাথে সংশ্লিষ্ট কিছু মৌলিক দাবী নিয়ে। আমাদের এই শান্তিপূর্ণ আন্দোলন চলবে। উখিয়াবাসীর বিজয় হবেই।

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।