১২ জুলাই, ২০২৬ | ২৮ আষাঢ়, ১৪৩৩ | ২৬ মহর্‌রম, ১৪৪৮


শিরোনাম
  ●  প্রতিক্রিয়া : ৫ না ৮—রোহিঙ্গা ক্যাম্পে আসলে কতজন নিহত? সংখ্যার এই বিভ্রান্তির দায় কার?   ●  লম্বরীপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নেতৃত্বে রমজান আলী   ●  পাতেলী খালের তীরে ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি ৪৭ বছর পর আবারও আলোচনায় শাহজাহান চৌধুরী   ●  মরিচ্যা বাজারের মডেল মসজিদ ও মার্কেট পরিদর্শনে ইউএনও রিফাত আসমা   ●  দক্ষিণ এশিয়ার সেরা গোল রক্ষক জিকুকে সংবর্ধিত করলো ক্রীড়া সাংবাদিকদের শীর্ষ সংগঠন বিএসপিএ   ●  কৃষিখাতের উন্নয়নে নিরলস ভাবে কাজ করছে সরকার   ●  বদরখালী সমবায় কৃষি ও উপনিবেশ সমিতির বার্ষিক সাধারণ সভায় এমপি জাফর আলম   ●  টেকনাফে প্যারাবনে আটটি বস্তায় মিলল বিদেশি৩৮৮ক্যান বিয়ার ও৭৬ বোতল মদ   ●  মানুষের কথা বলেই যাবে কক্সবাজার বার্তা   ●  টেকনাফে বিদেশী হুইস্কিসহ মাদক কারবারী আটক

সেভেন স্টার মানের বিনোদন পার্ক হচ্ছে কক্সবাজারে

কক্সবাজারে হতে যাচ্ছে একটি পূর্ণাঙ্গ মানের বিনোদন পার্ক। ‘বিনোদন পার্ক, কক্সবাজার’ নামে প্রস্তাবিত এই পার্কটির নির্মাণ কাজ শিগগিরই শুরু হবে। পরিকল্পিত ও পরিবেশ বান্ধব এই বিনোদন পার্ক দেশি-বিদেশী পর্যটকসহ স্থানীয় বিনোদনপ্রেমীদের চাহিদা মেটাবে। অবশেষে কক্সবাজারে একটি বিনোদন পার্ক হতে যাওয়ায় পর্যটন ব্যবসায়ীসহ সাধারণ মহলে আনন্দ বিরাজ করছে।
জানা যায়, কক্সবাজার বিনোদন পার্ক স্থাপনে অনুমোদন দিয়েছে সরকার। জয়েনস্টক কোম্পানির নিয়ন্ত্রণে এই বিনোদন পার্ক নির্মাণের অনুমোদন দিয়েছে। বিনোদন পার্ক কক্সবাজার লিমিটেড নামে (লাইসেন্স নং-সি-১২৯১৪৭/১৬) একটি যৌথ কোম্পানি এই বিনোদন পার্কটি বাস্তবায়ন করবে।
প্রাপ্ত তথ্য মতে, প্রস্তাবিত জায়গা হচ্ছে কক্সবাজার সদর উপজেলার ঝিলংজা ইউনিয়নের বিমান বাহিনীর নতুন রাডারের সীমানা থেকে কলাতলী সংলগ্ন সমতল ও টিলা বিশিষ্ট বড়ছাড়া, শুকনাছড়ি মেরিন ড্রাইভ রোড থেকে ভিতরে ১৫ কিলোমিটার জায়গাজুড়ে এই বিনোদন পার্ক নির্মাণ করা হচ্ছে। কক্সবাজার সদর উপজেলার জেএল নং ১৭, সিট নং-১১,১২, ১৩, ১৪, ১৫; মৌজা; ঝিলংজা ও শুকনাছড়ি। খতিয়ান নং-১, দাগ নং ২৫০০১, ২৫০০২, জমির পরিমাণ ২২৫ একর।
পার্কে বিনোদনের জন্য থাকবে সেভেন স্টার হোটেল, আকর্ষণীয় ঝর্ণা, বসার ছাতা, দোলনা, ঝুলন্ত ব্রীজ, ক্যাবল কার, সুইমিলপুল, ক্যান্টিন, রেস্টুরেন্ট, রেস্টহাউজ, টি-স্টল, ওয়াটার ওয়ার্ল্ড, হ্রদ, গলফ মাঠ, বাসকেট বল-টেনিস খেলার মাঠ, চরকা গাড়ি, সিলিবার ট্রেন, হাসপাতাল, হেলিপ্যাড, ফায়ার সার্ভিস, সুটিং স্পট, ভূতের গুহা, মিডিয়া সেন্টার, আইন শৃংখলার জন্য থাকবে আনসার ও বিশেষ পুলিশ ফাঁড়ি।
সব প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলে আগামী বছরের জানুয়ারিতে কাজ শুরু হবে। বিশাল বাজেটের প্রস্তাবিত এই পার্কে ৫০ হাজার মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে। এই পার্কটি বাস্তবায়ন হলে কক্সবাজারের পর্যটনের চিত্র পাল্টে যাবেও সংশ্লিষ্টরা আশা করেন।

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।