১২ আগস্ট, ২০২৬ | ২৮ শ্রাবণ, ১৪৩৩ | ২৮ সফর, ১৪৪৮


শিরোনাম
  ●  পৌরসভার অর্থায়নে সেগুনবাগিচায় ৪টি রাস্তা নির্মাণ শুরু   ●  উখিয়ায় জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসে আলোচনা, রক্তদান ও উন্নত খাবার বিতরণ   ●  আলোচিত ৫০ হাজার পিস ইয়াবা আটকের মামলায় নাম নেই ইয়াবার মুল মালিক ডালিম ও ভুট্টোর   ●  ফরেস্ট রেঞ্জার্স ডে উপলক্ষে রাঙ্গুনিয়া ইকোপার্কে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন   ●  জবিস্থ কক্সবাজার ছাত্রকল্যাণের নেতৃত্বে কলিম-নয়ন   ●  হলদিয়াপালং ইউনিয়ন যুবদলের সাংগঠনিক উত্তর শাখার ৭ সদস্য বিশিষ্ট আংশিক কমিটি অনুমোদন   ●  হাসপাতাল ছাড়লেন আহত ৫ বনকর্মী, এসিএফ’র নেতৃত্বে ঘটনাস্থল পরিদর্শন   ●  কক্সবাজারে বনভূমি দখল উচ্ছেদে গিয়ে হামলা, রেঞ্জ কর্মকর্তাসহ ৫ বনকর্মী আহত   ●  স্নাতকের শেষবর্ষের ছাত্র ইমরানকে ‘ছাত্রলীগ ট্যাগ’ লাগিয়ে নাশকতা মামলায় চালান, পরীক্ষা চলাকালেই পাঠানো হলো কারাগারে   ●  প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ জানিয়েছেন এম মনজুর আলম মেম্বার

সাগরে যেতে না পেরে অলস সময় কাটাচ্ছে জেলেরা

টানা বৃষ্টি ও বৈরী আবহাওয়ার কারণে অলস সময় কাটাচ্ছে জেলেরা। সম্প্রতি ঘূর্ণিঝড় ‘মোরা’র কারণে সাগরে থাকা মাছ ধরার ফিশিং বোটগুলো সমুদ্রের তীরে ফিরে আসতে নির্দেশ দেয়। ঘূর্ণিঝড় ‘মোরা’র পরবর্তীতে আবারও ধমকা বাতাস বইলে মাছ ধরার ফিশিং ট্রলার আবারও অনিশ্চিয়তার মুখে পড়ে। গত কয়েকদিন আগে ভারী বর্ষণের কারণে ব্যাপক বন্যার হওয়ায় সাগর উত্তাল থাকার কারণে আবারও বাধার মুখে পড়ার কারণে সাগরে যেতে পারছে না জেলেরা। যার কারণে কক্সবাজারের জেলেরা একরকম অলস সময় কাটাচ্ছে।
শহরের সমিতি পাড়া এলাকার অনেক জেলে জানান, বৈরী আবহাওয়ার কারণে সাগরে যেতে না পারাই অনেকটাই অলস সয়য় কাটাচ্ছে জেলেরা। তাদের আয়ের একমাত্র উৎস বন্ধ থাকায় জীবনযাপন খুব কষ্টে দিনাতিপাত করতে হচ্ছে। এই অবস্থা চলতে থাকলে তাদের বেঁচে থাকার জন্য দু’মুটো ভাত জোগাড় করাও অসম্ভব হয়ে পড়বে।
ওই এলাকার মোঃ আমিন জানান, একটানা বৃষ্টি কারণে গত ২০ দিন ধরে মাছ ধরতে সাগরে যেতে পারছি না। তাই আর্থিক অনটনের মধ্যে দিনাতিপাত করছি। আয়ের উৎস বন্ধ থাকায় ছেলেমেয়েদের ঠিকমত খাবারও দিতে পারছি না।
মাঝিরঘাট এলাকার জেলে মোঃ নাছির জানায়, এই অবস্থায় পারিবারিক খরচ ও ছেলেমেয়েদের লেখা চালিয়ে যাওয়া অসম্ভব হয়ে পড়েছে। আবহাওয়া স্বাভাবিক থাকলে আমরা জেলেরা সাগরে গিয়ে মাছের চাহিদা মেটায়। অথচ এই চরম দিনে আমরা না খেয়ে দিন কাটাচ্ছি।
ফিশিং বোটের মালিক সুলতান কোম্পানি জানায়, এই অবস্থায় মাছ ধরা অনেক ঝুঁকি। তাদের দাবি সরকারি ও বেসরকারি উদ্যোগে যদি কোন আর্থিক সহযোগিতা করা হয় তাহলে তারা তাদের পরিবার পরিজন নিয়ে বেঁচে থাকতে পারবে।

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।