৩০ জুন, ২০২৬ | ১৬ আষাঢ়, ১৪৩৩ | ১৪ মহর্‌রম, ১৪৪৮


শিরোনাম
  ●  লম্বরীপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নেতৃত্বে রমজান আলী   ●  পাতেলী খালের তীরে ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি ৪৭ বছর পর আবারও আলোচনায় শাহজাহান চৌধুরী   ●  মরিচ্যা বাজারের মডেল মসজিদ ও মার্কেট পরিদর্শনে ইউএনও রিফাত আসমা   ●  দক্ষিণ এশিয়ার সেরা গোল রক্ষক জিকুকে সংবর্ধিত করলো ক্রীড়া সাংবাদিকদের শীর্ষ সংগঠন বিএসপিএ   ●  কৃষিখাতের উন্নয়নে নিরলস ভাবে কাজ করছে সরকার   ●  বদরখালী সমবায় কৃষি ও উপনিবেশ সমিতির বার্ষিক সাধারণ সভায় এমপি জাফর আলম   ●  টেকনাফে প্যারাবনে আটটি বস্তায় মিলল বিদেশি৩৮৮ক্যান বিয়ার ও৭৬ বোতল মদ   ●  মানুষের কথা বলেই যাবে কক্সবাজার বার্তা   ●  টেকনাফে বিদেশী হুইস্কিসহ মাদক কারবারী আটক   ●  নজিবুল ইসলামের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি : গ্রামীণ জনপদের মানুষের মুখে হাসি

লামার রুপসীপাড়ায় আনসার-ভিডিপির প্রশিক্ষণার্থীদের ভাতা আত্মসাতের অভিযোগ

img_20161203_153117
বান্দরবানের লামা উপজেলা আনসার-ভিডিপি অফিস কর্তৃক আয়োজিত গ্রাম ভিত্তিক মৌলিক প্রশিক্ষণের নামে যুবকদের কাছ থেকে অর্ধলক্ষাধিক টাকা হাতিয়ে নিয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

জানা যায়, গত ২০ নবেম্বর উপজেলার রুপসীপাড়া ইউপি কমপ্লেক্স মিলনায়তনে গ্রাম ভিত্তিক ভিডিপি মৌলিক প্রশিক্ষণের আয়োজন করে উপজেলা আনসার-ভিডিপি অফিস। ১০ দিন ব্যাপী প্রশিক্ষণে অংশগ্রহন করেন রুপসীপাড়া ইউনিয়নের নারী পুরুষ সহ ৬৪ জন প্রশিক্ষনার্থী। নিয়ম অনুযায়ী প্রত্যেক প্রশিক্ষানার্থী দিন প্রতি ৯০ টাকা করে ১০ কর্মদিবস শেষে ৯ শত টাকা সম্মানিভাতা ও বিনামূল্যে প্রশিক্ষণ সনদ প্রদান করার কথা থাকলেও এখানে তার উল্টো নিয়ম ঘটেছে।

মোঃ বাসেদ, জাবের উদ্দিন, মনোয়ারা বেগম, ফরিদা বেগম সহ একাদিক ভুক্তভোগী প্রশিক্ষণার্থীরা জানান, উপজেলা আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর আয়োজনে ৬৪ জন প্রশিক্ষণার্থীকে ২০ নবেম্বর থেকে ০১ ডিসেম্বর পর্যন্ত মোট ১০ দিনব্যাপী এ প্রশিক্ষণ কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়। এতে অংশ্রহণকারীর অনুকূলে মাথাপিছু ৯০০ টাকা হারে ভাতা প্রদান করার কথা থাকলেও অংশ্রহণকারীদের হাজিরা শিটে অনুপস্থিত দেখিয়ে জনপ্রতি ৪০০-৫০০শত টাকা কেটে নেয় ওই অর্থ আনসার ভিডিপির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও টিআই জাহাঙ্গীর আলম মিলে আত্মসাত করেন।
অবশিষ্ট টাকা চাইতে গেলে প্রশিক্ষণ সনদ ও ভাতা দিবেনা বলেও হুমকি দেয় টিআই জাহাঙ্গীর আলম।

লামা উপজেলা আনসার ও ভিডিপির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা দেলোয়ার হোসেন অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, শুধু অনুপস্থিত প্রশিক্ষণার্থীর ভাতা কেটে রাখা হয়েছে, নিয়মের বাইরে আমি কিছুই করিনি, অবশিষ্ট টাকা আমরা ট্রেজারির মাধ্যমে জেলায় জমা দিব।

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।