২ মে, ২০২৬ | ১৯ বৈশাখ, ১৪৩৩ | ১৪ জিলকদ, ১৪৪৭


শিরোনাম
  ●  বীর মুক্তিযোদ্ধা এম. আবদুল হাই এর ১২তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ   ●  গর্জনিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ে জেন্ডার ও জলবায়ু বিষয়ক আলোচনা ও কুইজ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত   ●  ঘুমধুমে অবৈধ পাহাড় কাটা: ডাম্প ট্রাকে মাটি যাচ্ছে বদির ক্যাশিয়ার আঃলীগ নেতা খাইরুল আলম চৌধুরী’র ইটভাটায়   ●  সহকারী বন সংরক্ষক (এসিএফ) শাহিনুর ইসলামের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ প্রসঙ্গে প্রতিবাদ   ●  ছাত্রদল নেতা হত্যা মামলার আসামি হলেন রামু থানার নবাগত ওসি আরমান   ●  ইউজিসি ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের টিমের সঙ্গে সাউথ কোরিয়া গেলেন লায়ন মো. মুজিবুর রহমান   ●  কক্সবাজার সদর হাসপাতালে দায়িত্ব পেলেন উখিয়ার ডা. নুরুল আবছার শিমুল   ●  উখিয়ায় বসতভিটা দখলকে কেন্দ্র করে হামলা: নারী-পুরুষসহ আহত ৪, এলাকায় আতঙ্ক   ●  বার কাউন্সিলে উত্তীর্ণ সিবিআইইউ শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা   ●  এআই বিষয়ে কক্সবাজার ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে সেমিনার

রোহিঙ্গা ক্যাম্প: বসেছে ১৯২৯টি নলকূপ, ২৬৮০ টয়লেট

পানি সংগ্রহ করছে এক রোহিঙ্গা কিশোর

কক্সবাজার সময় ডেস্কঃ মিয়ানমার সেনাবাহিনীর হাতে নিপীড়ন ও নির্যাতনের মুখে বাংলাদেশে পালিয়ে এসে কক্সবাজারের উখিয়া ও টেকনাফের ১২টি অস্থায়ী আশ্রয়কেন্দ্রে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গাদের জন্য সরকারি উদ্যোগে স্যানিটেশন ব্যবস্থা ও সুপেয় পানির উৎস স্থাপন কাজ জোর গতিতে এগিয়ে চলছে।

মানবিক সহায়তার অংশ হিসেবে আশ্রয়কেন্দ্রগুলোতে নলকুপ বসানো ও স্বাস্থ্যসম্মত টয়লেট স্থাপন করা হচ্ছে। এ পর্যন্ত আশ্রয়কেন্দ্রগুলোতে ১ হাজার ৯২৯ টি নলকূপ এবং ২ হাজার ৬৮০ টি স্বাস্থ্যসম্মত টয়লেট স্থাপন করা হয়েছে। প্রতিদিনই বাড়ছে নলকুপ ও টয়লেটের সংখ্যা।

রোববার (০৮ অক্টোবর) ১৪ টি নলকুপ স্থাপন ও ১২০ টি স্বাস্থ্যসম্মত টয়লেট নির্মাণ করা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে এসব আশ্রয়কেন্দ্রগুলোতে সবমিলিয়ে ৩ হাজার নলকূপ ও ৫ হাজার স্বাস্থ্যসম্মত টয়লেট নির্মাণ করা হবে।

সূত্র জানায়, ১৪টি মোবাইল ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্লান্টের মাধ্যমে পানি সরবরাহ করা হচ্ছে। তিন হাজার লিটার ধারণ ক্ষমতা সম্পন্ন ৭টি ভ্রাম্যমান ওয়াটার ক্যারিয়ারের মাধ্যমে উখিয়া ও টেকনাফ উপজেলার বিভিন্ন ক্যাম্পে নিরাপদ খাবার পানি সরবরাহ করা হচ্ছে। পানি বিতরণ ব্যবস্থা সুবিধাজনক করার লক্ষ্যে রাস্তার পাশে ১ হাজার লিটার ধারণ ক্ষমতা সম্পন্ন ১১টি ওয়াটার রিজার্ভার স্থাপন করা হয়েছে। ওয়াটার ক্যারিয়ারের মাধ্যমে রিজার্ভারসূহে সার্বক্ষণিক পানি সরবরাহ করা হচ্ছে। সেসব রিজার্ভার হতে মিয়ানমারের নাগরিকরা টেপের মাধ্যমে খাবার পানি সংগ্রহ করছেন।

সূত্র আরও জানায়, পরিস্থিতি মোকাবেলায় কক্সবাজারে ইতোমধ্যে ৬ লাখ পানি বিশুদ্ধকরণ বডিমজুদ আছে এবং কেন্দ্রীয় ভাণ্ডারে আরও ১৬ লাখ বডি মজুদ রয়েছে। এছাড়া অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ রোধে ইতোমধ্যে আশ্রয়কেন্দ্রগুলোতে ৪৫ ড্রাম ব্লিচিং পাউডার ব্যবহার করা হয়েছে। ব্লিচিং পাউডার ছিটানো অব্যাহত আছে।

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।