মূল খবরে যান

শিরোনাম
● উখিয়া প্রেসক্লাবে নতুন নেতৃত্বের শপথ, দায়িত্ব হস্তান্তর ও নবীন সদস্য বরণ● বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালক হলেন সোহেল● দোকান মালিক সমিতি ফেডারেশন নির্বাচনে সভাপতি পদে এগিয়ে আবুল হাশেম● সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ সাবের এর নেতৃত্বে উখিয়া উপজেলার বেসরকারি ক্লিনিক-হাসপাতাল ও ডায়াগন্টিক সেন্টার পরিদর্শন● কক্সবাজার পুলিশ সুপারকে ঘিরে তিনজনের বদলি-পদায়ন বাণিজ্য● পৌরসভার অর্থায়নে সেগুনবাগিচায় ৪টি রাস্তা নির্মাণ শুরু● উখিয়ায় জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসে আলোচনা, রক্তদান ও উন্নত খাবার বিতরণ● আলোচিত ৫০ হাজার পিস ইয়াবা আটকের মামলায় নাম নেই ইয়াবার মুল মালিক ডালিম ও ভুট্টোর● ফরেস্ট রেঞ্জার্স ডে উপলক্ষে রাঙ্গুনিয়া ইকোপার্কে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন● জবিস্থ কক্সবাজার ছাত্রকল্যাণের নেতৃত্বে কলিম-নয়ন

রোহিঙ্গা ইস্যুতে ঢাকায় আসছেন ইন্দোনেশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী

শেয়ার করুন

ঢাকায় আসছেন ইন্দোনেশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী রেতনো এলপি মারসুদি। সফরকালে মায়ানমারের রোহিঙ্গা ইস্যু নিয়ে আলোচনা করবেন তিনি।

সোমবার (১৯ ডিসেম্বর) মায়ানমারের রাজধানী ইয়াঙ্গুনে অনুষ্ঠেয় দক্ষিণ-পূর্ব এশীয় দেশগুলোর পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠক শেষে তার ঢাকায় আসার কথা রয়েছে বলে জানিয়েছে ইন্দোনেশিয়ার পত্রিকা জাকার্তা পোস্ট।

পরদিন মঙ্গলবার পররাষ্ট্রমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলীর সঙ্গে বৈঠক করবেন রেতনো এলপি মারসুদি।

জাকার্তা পোস্ট জানিয়েছে, ইদোনেশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী রোহিঙ্গা মুসলমানদের দুর্দশা সমাধানের বিষয় নিয়ে আলোচনা করবেন।

এ বিষয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী রেতনো এলপি গত শুক্রবার জাকার্তায় সাংবাদিকদের বলেন, রোহিঙ্গা ইস্যুতে আলোচনার জন্য মায়ানমারের স্টেট কাউন্সিলর অং সান সু চি আসিয়ান পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। আগামী সোমবার (১৯ ডিসেম্বর) বৈঠক করবেন তারা। মায়ানমার সরকার রাখাইন পরিস্থিতি সম্পর্কে বিস্তারিত জানাবে।

গত ৯ অক্টোবর মায়ানমারের সীমান্ত রক্ষা বাহিনীর তিনটি নিরাপত্তা চৌকিতে বিচ্ছিন্নতাবাদীদের হামলায় বেশ কয়েকজন পুলিশ সদস্য নিহত ও কয়েকজন আহত হন। এর পরপরই ওই অঞ্চলে অভিযান শুরু করে দেশটির সেনাবাহিনী।

সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে হত্যা, নির্যাতন, ধর্ষণের অভিযোগ এনেছে জাতিসংঘসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থা। প্রাণ বাঁচাতে পালিয়ে বাংলাদেশে অনুপ্রবেশের চেষ্টা চালাচ্ছেন রোহিঙ্গারা। মানবিক কারণে তাদের অনেককেই বাংলাদেশে স্থান দেওয়া হলেও বিদ্যমান প্রায় ৫ লাখের মতো রোহিঙ্গার সঙ্গে নতুন করে আরও চাপ নেওয়ার সামর্থ্য নেই বলে মনে করছে বাংলাদেশ।

শেয়ার করুন