১৫ জুন, ২০২৬ | ১ আষাঢ়, ১৪৩৩ | ২৮ জিলহজ, ১৪৪৭


শিরোনাম
  ●  পাতেলী খালের তীরে ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি ৪৭ বছর পর আবারও আলোচনায় শাহজাহান চৌধুরী   ●  মরিচ্যা বাজারের মডেল মসজিদ ও মার্কেট পরিদর্শনে ইউএনও রিফাত আসমা   ●  দক্ষিণ এশিয়ার সেরা গোল রক্ষক জিকুকে সংবর্ধিত করলো ক্রীড়া সাংবাদিকদের শীর্ষ সংগঠন বিএসপিএ   ●  কৃষিখাতের উন্নয়নে নিরলস ভাবে কাজ করছে সরকার   ●  বদরখালী সমবায় কৃষি ও উপনিবেশ সমিতির বার্ষিক সাধারণ সভায় এমপি জাফর আলম   ●  টেকনাফে প্যারাবনে আটটি বস্তায় মিলল বিদেশি৩৮৮ক্যান বিয়ার ও৭৬ বোতল মদ   ●  মানুষের কথা বলেই যাবে কক্সবাজার বার্তা   ●  টেকনাফে বিদেশী হুইস্কিসহ মাদক কারবারী আটক   ●  নজিবুল ইসলামের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি : গ্রামীণ জনপদের মানুষের মুখে হাসি   ●  বিবেক’কে জাগ্রত রেখে দেশ ও মানুষের জন্য কাজ করতে হবে- অতিরিক্ত আইজি শাহাবুদ্দিন খান

রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. এছারুল হক চৌধুরীকে দাফন

নিজস্ব প্রতিবেদক:

রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. এছারুল হক চৌধুরীকে দাফন করা হয়েছে। শুক্রবার (৮ অক্টোবর) সকাল ১০টায় কক্সবাজার শহরের টেকপাড়া জামে মসজিদ প্রাঙ্গণে বীর মুক্তিযোদ্ধা
মো. এছারুল হক চৌধুরীকে গার্ড অব অনার দেওয়া হয়।

কক্সবাজার সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নু-এমং মারমা তার মরদেহে পুষ্পমাল্য অর্পণ করেন। এ সময় পুলিশের একটি চৌকস দল তাঁকে গার্ড অব অনার প্রদান করেন। সহকারী কমিশনার নু-এমং মারমা রাষ্ট্রের পক্ষে সালাম প্রদান করেন।

টেকপাড়া জামে মসজিদ মাঠে মরহুমের নামাজে জানাযা অনুষ্ঠিত হয়। পরে মসজিদ সংলগ্ন কবরস্থানে তাঁকে দাফন করা হয়। নামাজে জানাযায় ইমাতি করেন, টেকপাড়া জামে মসজিদের খতিব মুফতী মাওলানা সাইদুল ইসলাম।

নামাজে জানাযায় বীর মুক্তিযোদ্ধা, শিক্ষক, সাংবাদিক, আত্মীয়-স্বজনসহ সব শ্রেণী-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

এর আগের দিন বৃহস্পতিবার দুপুরে ঢাকায় ইন্তেকাল করেন বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. এছারুল হক চৌধুরী (ইন্না-লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিলো ৬৭ বছর। তিনি মা, স্ত্রী, দুই ছেলে, এক মেয়ে, তিন ভাই, দুই বোন, আত্মীয়-স্বজনসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে যান। তাঁর মৃত্যুর খবরে আত্মীয়-স্বজন, সামাজিক অঙ্গনে সর্বত্র শোকের ছায়া নেমে আসে।

নামাজে জানাযাপূর্ব সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বক্তব্য রাখেন, মুক্তিযোদ্ধ আবু তাহের মেম্বার, জেলা আওয়ামী লীগের অর্থ সম্পাদক আবদুল খালেক, মরহুমের বড় ভাই (জেঠাত) ফাঁসিয়াখালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক জাকের হোসেন, বড় ছেলে মো. রিয়াসাদ হক আবীর।

বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. এছারুল হক চৌধুরী কক্সবাজারের ঈদগাহ উপজেলার ফাঁসিয়াখালীর সিকদার পাড়ায় ১৯৫৪ সালে জন্মগ্রহণ করেন। মুক্তিযুদ্ধের তিনি সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন। বাংলাদেশ ছাত্রলীগের নেতা মো. এছারুল হক চৌধুরী ১৯৭৪ সালে কক্সবাজার কলেজ সংসদের সদস্য নির্বাচিত হন। ১৯৮১ সালে ঢাকা বাগদাদ জুট মিলে চাকরি জীবন শুরু করেন। ২০১৬ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে চট্টগ্রাম গুল আহমদ জুট মিলের এজিএম হিসেবে চাকরি জীবন থেকে অবসর গ্রহন করেন।

মরহুম আলহাজ্ব মো. এছারুল হক চৌধুরী কক্সবাজারের ঈদগাহ উপজেলার ফাঁসিয়াখালীর সিকদার পাড়ার মরহুম ফরিদুল আলম চৌধুরীর বড় ছেলে। কক্সবাজার শহরের টেকপাড়ার বাসিন্দা মরহুম মনির আহমদের বড় জামাতা।

মরহুম বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. এছারুল হক চৌধুরীর মেয়ে রাফিবা হক এলিন সোনালী ব্যাংক ঢাকা হেড অফিসে সিনিয়র পিন্সিপ্যাল অফিসার হিসেবে কর্মরত। বড় ছেলে মো. রিয়াসাদ হক আবীর বেসরকারী সংস্থা রেকিট বেনকিসার-এ কর্মরত এবং ছোট ছেলে মো. ইসতিয়াব হক ইসতি ওমরন ইঞ্জিনিয়ারিং ফার্মে সিটিও হিসেবে কর্মরত আছেন।

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।