১ জুলাই, ২০২৬ | ১৭ আষাঢ়, ১৪৩৩ | ১৫ মহর্‌রম, ১৪৪৮


শিরোনাম
  ●  লম্বরীপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নেতৃত্বে রমজান আলী   ●  পাতেলী খালের তীরে ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি ৪৭ বছর পর আবারও আলোচনায় শাহজাহান চৌধুরী   ●  মরিচ্যা বাজারের মডেল মসজিদ ও মার্কেট পরিদর্শনে ইউএনও রিফাত আসমা   ●  দক্ষিণ এশিয়ার সেরা গোল রক্ষক জিকুকে সংবর্ধিত করলো ক্রীড়া সাংবাদিকদের শীর্ষ সংগঠন বিএসপিএ   ●  কৃষিখাতের উন্নয়নে নিরলস ভাবে কাজ করছে সরকার   ●  বদরখালী সমবায় কৃষি ও উপনিবেশ সমিতির বার্ষিক সাধারণ সভায় এমপি জাফর আলম   ●  টেকনাফে প্যারাবনে আটটি বস্তায় মিলল বিদেশি৩৮৮ক্যান বিয়ার ও৭৬ বোতল মদ   ●  মানুষের কথা বলেই যাবে কক্সবাজার বার্তা   ●  টেকনাফে বিদেশী হুইস্কিসহ মাদক কারবারী আটক   ●  নজিবুল ইসলামের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি : গ্রামীণ জনপদের মানুষের মুখে হাসি

রামু দক্ষিণ মিঠাছড়ি ছদরপাড়ায় সন্ত্রাসী হামলায় আহত-৯

নিজস্ব প্রতিবেদক: রামু দক্ষিণ মিঠাছড়ি ছদরপাড়া এলাকার সন্ত্রাসী হামলায় কলেজ পড়ুয়া ছাত্র একই পরিবারের ৭ জনসহ ৯ জন গুরুত্বর আহত হয়েছে। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় এ হামলার ঘটনা ঘটেছে। আহতদের উদ্ধার করে জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এ ঘটনায় এলাকায় থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে হামলায় জড়িত থাকার অভিযোগে দুইজনকে আটক করেছে।

ছদর পাড়া এলাকার মৃত দলিলুর রহমানের পুত্র ফজল আহমদ (৮০), তাঁর কলেজ পড়ুয়া পুত্র হাবিব উল্লাহ (২৪), মোহাম্মদ উল্লাহ (৩০), আরিফ উল্লাহ (১৯), ছানা উল্লাহ (২০), শহিদ উল্লাহ (৩৬) পুত্রবধু মনোয়ারা বেগম (২৫), নুরুল ইসলামের পুত্র জমির উদ্দিন (২১), তার ভাই মোহাম্মদ নুরুল হক নুরু (১৯)।

আহত কলেজ ছাত্র হাবিব উল্লাহ জানান, স্থানীয় শামসুল আলম প্রকাশ ফকির শমসুর পুত্র বহু মামলার পলাতক আসামি অাবছার বুধবার রাতে আমাদের বাড়িতে ঢুকে বোনের গায়ে হাত দেয়। বোনের চিৎকার শুনে আমরা ঘরের ভেতর থেকে তাকে আটক করে স্থানীয়দের খবর দিই। এমনকি আবছারের পরিবারের সদস্যদের খবর পাঠায়। কিন্তু তারা দা, কিরিচসহ দেশীয় অস্ত্র নিয়ে রাতেই হামলা চালায়। এ সময় স্থানীয় সাবেক মেম্বার ছৈয়দ আলমসহ সমাজ কমিটির সভাপতিরাও উপস্থিত ছিলেন। পরে সামাজিকভাবে সমধান হবে এ অাশ্বাসে প্রাথমিকভাবে মিমাংসা হয়।

কিন্তু বৃহস্পতিবার কোন কারণ ছাড়া অভিযুক্ত আবছারের ভাই শুক্কুর আমার ছোটভাই আরিফ উল্লাহকে ২০ হাজার টাকা দেয়ার হুমকি দেয়। টাকা না দিলে গাড়ি চাপা দিয়ে মেরে ফেলবো। এরপর সন্ধ্যায় আরেকভাই আমির হামজা বিনা উস্কানিতে আমার ভাই শহিদুল্লাহকে হামলা চালায়। এর পরপরই তার ভাই জিয়াউর রহমান, মতিউর রহমান, আব্দু শুক্কুর, তাদের বোনের ছেলে শওকত হোসেন দা, কিরিচ নিয়ে হামলা চালায়। হামলায় আমার বৃদ্ধ বাবা ও বড়ভাইয়ের স্ত্রী আহত হয়। এছাড়া আমাদের উদ্ধার করতে এসে স্থানীয় আরো কয়েকজন আহত হয়।

তিনি বলেন, হামলাকারী আবছার ও তার পরিবারের সদস্যরা সামাজিক বিভিন্ন অপরাধের সাথে জড়িত। রাতে বিভিন্ন বাড়িতে গিয়ে নারী নির্যাতনের অপচেষ্টা করে। তাদের নেতৃত্বে এলাকায় প্রতিদিন চুরি সংগঠিত হয়। তাদের অত্যচার এলাকার সাধারণ মানুষ নিরাপত্তাহীনতায় রয়েছেন। বিশেষ করে স্কুল কলেজ পড়ুয়া শিক্ষার্থীরা ইভটিজিং এর শিকার হয়। এ ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে।

এদিকে খবর পেয়ে রামু থানা পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে হামলার সাথ জড়িত থাকার অভিযোগে দুইজনকে আটক করেছে।

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।