১১ জুলাই, ২০২৬ | ২৭ আষাঢ়, ১৪৩৩ | ২৫ মহর্‌রম, ১৪৪৮


শিরোনাম
  ●  প্রতিক্রিয়া : ৫ না ৮—রোহিঙ্গা ক্যাম্পে আসলে কতজন নিহত? সংখ্যার এই বিভ্রান্তির দায় কার?   ●  লম্বরীপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নেতৃত্বে রমজান আলী   ●  পাতেলী খালের তীরে ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি ৪৭ বছর পর আবারও আলোচনায় শাহজাহান চৌধুরী   ●  মরিচ্যা বাজারের মডেল মসজিদ ও মার্কেট পরিদর্শনে ইউএনও রিফাত আসমা   ●  দক্ষিণ এশিয়ার সেরা গোল রক্ষক জিকুকে সংবর্ধিত করলো ক্রীড়া সাংবাদিকদের শীর্ষ সংগঠন বিএসপিএ   ●  কৃষিখাতের উন্নয়নে নিরলস ভাবে কাজ করছে সরকার   ●  বদরখালী সমবায় কৃষি ও উপনিবেশ সমিতির বার্ষিক সাধারণ সভায় এমপি জাফর আলম   ●  টেকনাফে প্যারাবনে আটটি বস্তায় মিলল বিদেশি৩৮৮ক্যান বিয়ার ও৭৬ বোতল মদ   ●  মানুষের কথা বলেই যাবে কক্সবাজার বার্তা   ●  টেকনাফে বিদেশী হুইস্কিসহ মাদক কারবারী আটক

রমজানের আগেই বেড়েছে চালের দাম

রমজানের বাকি প্রায় ১ মাস। ভোগ্যপণ্য চালের বাজারে শুরু হয়েছে রমজানের প্রভাব। হঠাৎ করে বেড়ে গেছে পণ্যটির দাম। খুচরা বাজারে কেজিতে বেড়েছে ৫ থেকে ৭ টাকা। অন্যান্য পণ্যের মূল্যও বৃদ্ধির আভাস পাওয়া যাচ্ছে। বিশেষ করে রোজার পণ্য হিসেবে বিবেচিত ছোলা, খেসারি, মসুর, চিনি, দুধ, খেজুর, তেল, পেঁয়াজ এবং রসুন যেন মূল্যবৃদ্ধির অপেক্ষায় রয়েছে। এ পণ্যগুলোর মূল্য এখনও অপরিবর্তিত থাকলেও উল্লম্ফন ঘটতে পারে, এমনই আশঙ্কা ক্রেতাসাধারণের।

প্রতি বছর রোজার পূর্বে রাষ্ট্রীয় সংস্থা টিসিবির (ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ) প্রস্তুতি ও তৎপরতা দেখা গেলেও এবার তা এখনও দৃশ্যমান নয়। বেসরকারী খাতকে একচ্ছত্র কারবারের সুযোগ না দিতে টিসিবিকে সক্রিয় রাখার দাবি দীর্ঘদিনের। তবে শুধুমাত্র রোজার সময় নামকাওয়াস্তে কিছু তৎপরতা থাকলেও সারাবছরই নিষ্ক্রিয় থাকে সংস্থাটি।

চালের অতিরিক্ত দাম বেড়ে যাওয়ার পেছনে মিল মালিক, আড়তদার, পাইকারি ও খুচরা ব্যবসায়ীরা একে অন্যকে দুষছেন। মিল মালিকরা বলছেন, মৌসুমের শেষভাগে মিলের সব চাল আড়তে দেওয়া হয়েছে। আড়তদাররা চালের দাম বাড়িয়ে দিয়েছেন। এখন মিলে নতুন ধান আসছে, চাল উৎপাদন করে সরবরাহ করা হবে। তারা বলেন, সারাদেশে বৃষ্টির কারণে চাতালগুলোও নিয়মিতভাবে ধান প্রক্রিয়াজাত করতে পারেনি। হাওর অঞ্চলে অনেক চাতাল বন্ধ হয়ে গেছে। ধানের দাম বেড়ে যাওয়া ও বন্যার কারণে সরবরাহ বিঘি্নত হওয়ায় দামের ওপর প্রভাব পড়েছে। এদিকে আড়তদার ও পাইকারি ব্যবসায়ীরা বলেন, বন্যার কারণে বোরো ধানের চাল সময়মতো বাজারে আসতে পারেনি।

দেশের বৃহত্তম ভোগ্যপণ্যের পাইকারি বাজার খাতুনগঞ্জ। অনেকের মতে, এখান থেকেই ভোগ্যপণ্যের বাজার নিয়ন্ত্রিত হয়। সেই খাতুনগঞ্জে এখন দেদার বিক্রি। প্রতিদিনই সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত পণ্যবাহী ট্রাকের দীর্ঘ সারি। এখান থেকে পাইকারি দামে কেনা পণ্য চলে যাচ্ছে প্রত্যন্ত অঞ্চলে। খুচরা বাজারে মূল্যবৃদ্ধির কিছুটা প্রবণতা পরিলক্ষিত হলেও পাইকারি বাজারে তা বাড়েনি বলে দাবি করছেন পাইকাররা।

এদিকে, হঠাৎ ডলারের মূল্যবৃদ্ধিতে ভোগ্যপণ্যের মূল্য বাড়তে পারে এমন আশঙ্কা বিরাজ করছে। হঠাৎ করে ডলারের মূল্য চড়া হওয়ায় তা মূল্যকে প্রভাবিত করা অস্বাভাবিক নয়। তবে ব্যবসায়ী নেতারাই বলছেন, বর্তমানে যে পণ্যগুলোর মজুদ রয়েছে তা ডলারের মূল্যবৃদ্ধির আগে আমদানি করা। সুতরাং মূল্য বাড়িয়ে রাখার চেষ্টা যদি করা হয় তা হবে অনৈতিক এবং অসততা। এ ব্যাপারেও প্রশাসনের নজরদারি থাকা প্রয়োজন।

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।