৬ জুলাই, ২০২৬ | ২২ আষাঢ়, ১৪৩৩ | ২০ মহর্‌রম, ১৪৪৮


শিরোনাম
  ●  লম্বরীপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নেতৃত্বে রমজান আলী   ●  পাতেলী খালের তীরে ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি ৪৭ বছর পর আবারও আলোচনায় শাহজাহান চৌধুরী   ●  মরিচ্যা বাজারের মডেল মসজিদ ও মার্কেট পরিদর্শনে ইউএনও রিফাত আসমা   ●  দক্ষিণ এশিয়ার সেরা গোল রক্ষক জিকুকে সংবর্ধিত করলো ক্রীড়া সাংবাদিকদের শীর্ষ সংগঠন বিএসপিএ   ●  কৃষিখাতের উন্নয়নে নিরলস ভাবে কাজ করছে সরকার   ●  বদরখালী সমবায় কৃষি ও উপনিবেশ সমিতির বার্ষিক সাধারণ সভায় এমপি জাফর আলম   ●  টেকনাফে প্যারাবনে আটটি বস্তায় মিলল বিদেশি৩৮৮ক্যান বিয়ার ও৭৬ বোতল মদ   ●  মানুষের কথা বলেই যাবে কক্সবাজার বার্তা   ●  টেকনাফে বিদেশী হুইস্কিসহ মাদক কারবারী আটক   ●  নজিবুল ইসলামের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি : গ্রামীণ জনপদের মানুষের মুখে হাসি

যুবলীগ নেতার বাগানবাড়ি থেকে ইয়াবা, অস্ত্র, পর্ন সিডি উদ্ধার

রাজধানী লাগোয়া শিল্পাঞ্চল আশুলিয়ায় মাদক ব্যবসায়ী ও যুবলীগ নেতা মুনসুর আলম মাদবরের অভিযান চালিয়ে আড়াই শ’ পিস ইয়াবা, দেশি-বিদেশী ২টি চাইনিজ কুড়াল, বিদেশী ছুরি একটি ও ১টি রামদা উদ্ধার করেছে পুলিশ। অভিযানে আপত্তিকর অবস্থায় দুই নারীকেও আটক করেছে পুলিশ।
নির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে মাদক ব্যবসায়ী ও যুবলীগ নেতা মুনসুর আলম মাদবরের মালিকানাধীন গাজীরচট বসুন্ধরা বাগানবাড়িতে অভিযান পরিচালনা করে আশুলিয়া থানা অফিসার ইনচার্জ মহসিনুল কাদিরের নেতৃত্বে পুলিশ। অভিযানে তার বিলাসী নারী নিয়ে অসামাজিক কাজে লিপ্ত ব্যবহৃত কক্ষ হতে ইয়াবা, কুড়াল, ছুরি ইত্যাদি উদ্ধার করা হয় । ঘটনায় ধামসোনা ইউনিয়ন যুবলীগ নেতা হত্যাসহ থানায় এক ডজন মামলার আসামি মনসুর আলমকে অপ্রীতিকর অবস্থায় দুই নারীসহ (বয়স যথাক্রম ১৫ ও ২২) আটক করা হয়। এছাড়া তার দুই সহযোগীকেও আটক করা হয়।

মঙ্গলবার দুপুর সাড়ে ১২টায় আশুলিয়ার গাজীরচট বাইপাইল বসুন্ধরা হাউজিং এলাকার তার বিলাসী আয়েশের বাগান বাড়িতে পুলিশ এ অভিযান পরিচালনা করে।
এ ব্যাপারে এলাকাবাসী জানান, বসুন্ধরা, বগাবাড়ি, বাইপাইল ও গাজীরচট এলাকার শীর্ষ সন্ত্রাসী অস্ত্র ও মাদকের গডফাদার মুনসুর আলম মাদবরের ছিল একচ্ছত্র আধিপত্য। তার ভয়ে এলাকার কোন বাসিন্দা কথা বলতে পারতো না। তার রয়েছে আন্ডার গ্রাউন্ডে বিশাল অপরাধ জগৎ। অসামাজিক কর্মকান্ডের এক নেটওয়ার্ক ছিল তার বাগানবাড়ি।
ইতোপূর্বে তার বাগান বাড়িতে ২ নারী হত্যা ও তার লাশ উদ্ধার করেছিল থানা পুলিশ। এছাড়া অবৈধ মেলা বসানো, গরুর হাটের ইজারা নেয়া, বাইপাইল ট্রাক ও পরিবহণ স্ট্যান্ডের নিয়ন্ত্রণ ছিল তার। তার ছিল বিশাল এক অপরাধী বাহিনী। তার ও তার কয়েকজন সহকর্মীর আটকে এলাকায় স্বস্তি ফিরে এসেছে বলেও দাবি করে এলাকাবাসী।
থানার অফিসার ইনচার্জ মহসিনুল কাদির জানান, সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে মনসুর আলমের বাড়িতে অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে ২ ৪৮ পিস ইয়াবা। ইয়াবা গ্রহণের ইকুইপমেন্ট, ব্লু ও পর্ন ছবির বেশ কিছু ক্যাসেট, ল্যাপটপ, চাইনিজ কুড়াল ২ পিস, বিদেশী ছুড়ি, একটি রামদা জব্দ করে পুলিশ।
অভিযানের মুহূর্তে মুনসুর আলমকে অপ্রীতিকর অবস্থায় ২ নারী ও তার ২ সহযোগীকে আটক করে পুলিশ। ওদিকে তার বিলাসী কক্ষের ভিতর দিয়ে গোপন সুরঙ্গ পথ ২টি আবিস্কার করা হয়। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত একটি পরিত্যক্ত সুড়ঙ্গ পরিস্কারের কাজ চলছে। পুলিশের ধারণা ওই সুড়ঙ্গে কোনো লাশ বা অস্ত্র লুকানো থাকতে পারে। তিনি আরো বলেন, মুনসুর আলম মাদবরের নামে আশুলিয়া থানায় হত্যা, অস্ত্র, মাদক ও ধর্ষণসহ এক ডজন মামলার আসামি।

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।