১০ জুলাই, ২০২৬ | ২৬ আষাঢ়, ১৪৩৩ | ২৪ মহর্‌রম, ১৪৪৮


শিরোনাম
  ●  প্রতিক্রিয়া : ৫ না ৮—রোহিঙ্গা ক্যাম্পে আসলে কতজন নিহত? সংখ্যার এই বিভ্রান্তির দায় কার?   ●  লম্বরীপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নেতৃত্বে রমজান আলী   ●  পাতেলী খালের তীরে ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি ৪৭ বছর পর আবারও আলোচনায় শাহজাহান চৌধুরী   ●  মরিচ্যা বাজারের মডেল মসজিদ ও মার্কেট পরিদর্শনে ইউএনও রিফাত আসমা   ●  দক্ষিণ এশিয়ার সেরা গোল রক্ষক জিকুকে সংবর্ধিত করলো ক্রীড়া সাংবাদিকদের শীর্ষ সংগঠন বিএসপিএ   ●  কৃষিখাতের উন্নয়নে নিরলস ভাবে কাজ করছে সরকার   ●  বদরখালী সমবায় কৃষি ও উপনিবেশ সমিতির বার্ষিক সাধারণ সভায় এমপি জাফর আলম   ●  টেকনাফে প্যারাবনে আটটি বস্তায় মিলল বিদেশি৩৮৮ক্যান বিয়ার ও৭৬ বোতল মদ   ●  মানুষের কথা বলেই যাবে কক্সবাজার বার্তা   ●  টেকনাফে বিদেশী হুইস্কিসহ মাদক কারবারী আটক

মৃত্যুর দুয়ার থেকে ফিরে এসেছি’

এএইচ সেলিম উল্লাহ:

‘আল্লাহ অসীম রহমত, সন্তানদের উছিলায়, বন্ধু বান্ধব ও মুরব্বিদের দোয়ায় এক প্রকার মৃত্যুর দুয়ার থেকে ভাগ্যক্রমে জীবন নিয়ে ফিরে এসেছি’। মাগরিবের নামাজের অজু ছিল, বার বার কালেমা পড়ে ছিনতাইকারীদের কবল থেকে জীবন নিয়ে ফেরার দোয়া পড়ছিলাম। হয়তো আল্লাহ হায়ত দিয়েছে, বেঁচে আছি। মহান আল্লাহর দরবারে শোকরিয়া জ্ঞাপন করছি। গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে তাঁর বাসভবনে সাংবাদিকদের সাথে কথা বলার ফাঁকে ফাঁকে কান্না জড়িত কন্ঠে এই কথা বলেন ছিনতাইয়ের শিকার কক্সবাজার দায়রা জজ আদালতের আইনজীবী রেজাউল করিম রেজা।

তিনি আরও বলেন, তৎক্ষানিক অন্য গাড়ি যোগে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে না গেলে অতিরিক্ত রক্ষকরনে তিনি মারা যেতেন। ঘটনার দিন কক্সবাজার সদর হাসপাতালের জরুরী বিভাগের দায়িত্বরতদের প্রতি তিনি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।এছাড়া ঘটনার পর সিনিয়র, জুনিয়র আইনজীবী সহকর্মীরা তাঁর পক্ষে মানববন্ধন সহ তাঁর খোঁজ খবর নেয়ায় সবাই প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন তিনি।

প্রসঙ্গতঃ মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৭ টার দিকে উখিয়া উপজেলার পালংখালী নিজ বাড়ি থেকে ফিরে এডভোকেট রেজাউল করিম রেজা কক্সবাজার শহরের কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল এলাকায় এসে কলাতলী আসার জন্য একটি সিএনজি-তে উঠেন। সিএনজি’র পেছনের সিটে আগে থেকেই ২ জন যাত্রী ছিলো। সিএনজিটি টার্মিনাল থেকে কলাতলী আসার পথে উত্তরণ গৃহায়ণ সমিতির নিকটে আসলে চালক সিএনজিটি থামিয়ে ফেলে। সাথে সাথে সিএনজিতে আগে থেকেই থাকা ২ জন যাত্রী এডভোকেট রেজাউল করিম রেজাকে চুরি উচিয়ে জাপ্টে ধরে সব কেড়ে নিতে থাকে। এসময় এডভোকেট রেজাউল করিম রেজা ছিনতাইকারীদের ছুরিকাঘাতে তাঁর শরীরের সামনে নাভীর বাম পাশে ও পিটের নীচে গুরতর আহত হয়। ওই সময় যাত্রীবেশী ছিনতাইকারীরা এডভোকেট রেজাউল করিম রেজা’র কাছ থেকে নগদ ২৫ হাজার টাকা, মোবাইল ফোন, মানিব্যাগ সহ মূল্যবান জিনিসপত্র ছিনতাই করে নিয়ে নেয় এবং একই সিএনজি নিয়ে ছিনতাইকারীরা ফ্লিমি স্টাইলে দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে।
পরে এডভোকেট রেজাউল করিম রেজাকে ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার করে কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালে আনা হলে সেখানে জরুরি বিভাগে তাঁর দেহে ছুরিকাঘাতে কেটে যাওয়া সামনে নাভীর বাম পাশে ৬ টি সেলাই ও পিটের নীচে ৪ টি সেলাই দেওয়া হয়। চিকিৎসা সেবা নেওয়ার পর এডভোকেট রেজাউল করিম রেজা কক্সবাজার শহরের উত্তর রুমালিয়ার ছরার নিজ বাসভবন “ছগির ম্যানশন” রয়েছেন।

এ প্রসঙ্গে কক্সবাজার সদর মডেল থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ মুনীর-উল গিয়াস বলেন, ছিনতাইয়ের ঘটনা নিয়ে এড.রেজা বাদি হয়ে অজ্ঞাত চারজনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছেন। পৃথক ছিনতাইয়ের ঘটনা নিয়ে অভিযান চলছে বলে দাবি করেন ওসি।

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।