১০ জুলাই, ২০২৬ | ২৬ আষাঢ়, ১৪৩৩ | ২৪ মহর্‌রম, ১৪৪৮


শিরোনাম
  ●  প্রতিক্রিয়া : ৫ না ৮—রোহিঙ্গা ক্যাম্পে আসলে কতজন নিহত? সংখ্যার এই বিভ্রান্তির দায় কার?   ●  লম্বরীপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নেতৃত্বে রমজান আলী   ●  পাতেলী খালের তীরে ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি ৪৭ বছর পর আবারও আলোচনায় শাহজাহান চৌধুরী   ●  মরিচ্যা বাজারের মডেল মসজিদ ও মার্কেট পরিদর্শনে ইউএনও রিফাত আসমা   ●  দক্ষিণ এশিয়ার সেরা গোল রক্ষক জিকুকে সংবর্ধিত করলো ক্রীড়া সাংবাদিকদের শীর্ষ সংগঠন বিএসপিএ   ●  কৃষিখাতের উন্নয়নে নিরলস ভাবে কাজ করছে সরকার   ●  বদরখালী সমবায় কৃষি ও উপনিবেশ সমিতির বার্ষিক সাধারণ সভায় এমপি জাফর আলম   ●  টেকনাফে প্যারাবনে আটটি বস্তায় মিলল বিদেশি৩৮৮ক্যান বিয়ার ও৭৬ বোতল মদ   ●  মানুষের কথা বলেই যাবে কক্সবাজার বার্তা   ●  টেকনাফে বিদেশী হুইস্কিসহ মাদক কারবারী আটক

মুসা বিন শমসেরের গাড়ি জব্দ

বিতর্কিত ব্যবসায়ী মুসা বিন শমসেরের একটি কালো রেঞ্জ রোভার গাড়ি জব্দ করেছে শুল্ক ও গোয়েন্দা বিভাগ। শুল্ক ফাঁকি দিয়ে ওই গাড়িটি আমদানি করা হয়।

মঙ্গলবার বিকালে ধানমণ্ডির একটি বাড়ি থেকে গাড়িটি জব্দ করা হয়।

শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদফতরের মহাপরিচালক (ডিজি) ড. মইনুল খান জানান, ভুয়া দলিল দিয়ে গাড়িটির রেজিস্ট্রেশন নেয়া হয়েছিল। ভোলা ঘ ১১-০০-৩৫ নম্বরের এ গাড়িটি লুকিয়ে ফেলার চেষ্টাও চলছিল।

তিনি জানান, প্রাথমিকভাবে তথ্য ছিল- মুসার গুলশান ২ নম্বর সেকশনের ১০৪ নম্বর রোডের বাড়িতে ওই গাড়িটি আছে। সে অনুযায়ী মঙ্গলবার সকালে সেখানে যান শুল্ক গোয়েন্দারা। গাড়িটি জমা দিতে সকাল ৮টায় মুসাকে নোটিশ দেয়া হয়।

সিসি ক্যামেরার ফুটেজ দেখে শুল্ক গোয়েন্দারা নিশ্চিত হন, গাড়িটি ওই বাড়িতেই থাকে। গাড়িটিতে করে সকালে নাতিকে ধানমণ্ডির স্কুলে পাঠান মুসা। দুপুরে শুল্ক গোয়েন্দারা বাড়িতে অভিযান চালানোর পর গাড়িটি আর বাড়িতে আনা হয়নি। নাতিকে অন্য একটি গাড়িতে করে বাসায় আনা হয়।

পরে ধানমণ্ডির ৬ নম্বর সড়কের ৫১ নম্বর বাড়িতে অভিযান চালিয়ে গাড়িটি উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার করা গাড়িটি কালো রঙের হলেও নথিপত্রে গাড়িটির রঙ সাদা ছিল। এতে প্রমাণিত হয়- তিনি গাড়িটির রঙ বদলে ফেলেছিলেন।

ড. মইনুল খান আরও জানান, ভুয়া আমদানি দলিল দিয়ে গাড়িটির নিবন্ধন করা হয়েছিল।

শুল্ক গোয়েন্দা সূত্র জানায়, চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসের বিল অব এন্ট্রি ১০৪৫৯১১ (১৩/১২/২০১১) এর মাধ্যমে ১৩০ ভাগ শুল্ক দিয়ে ভোলা থেকে গাড়িটির রেজিস্ট্রেশন নেয়া হয়। পাবনার ফারুকুজ্জামান নামে এক ব্যক্তির নামে নিবন্ধন নেয়া হয়। গাড়িটি মুসা বিন শমসের ব্যক্তিগতভাবে ব্যবহার করেছিলেন।

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।