১১ জুলাই, ২০২৬ | ২৭ আষাঢ়, ১৪৩৩ | ২৫ মহর্‌রম, ১৪৪৮


শিরোনাম
  ●  প্রতিক্রিয়া : ৫ না ৮—রোহিঙ্গা ক্যাম্পে আসলে কতজন নিহত? সংখ্যার এই বিভ্রান্তির দায় কার?   ●  লম্বরীপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নেতৃত্বে রমজান আলী   ●  পাতেলী খালের তীরে ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি ৪৭ বছর পর আবারও আলোচনায় শাহজাহান চৌধুরী   ●  মরিচ্যা বাজারের মডেল মসজিদ ও মার্কেট পরিদর্শনে ইউএনও রিফাত আসমা   ●  দক্ষিণ এশিয়ার সেরা গোল রক্ষক জিকুকে সংবর্ধিত করলো ক্রীড়া সাংবাদিকদের শীর্ষ সংগঠন বিএসপিএ   ●  কৃষিখাতের উন্নয়নে নিরলস ভাবে কাজ করছে সরকার   ●  বদরখালী সমবায় কৃষি ও উপনিবেশ সমিতির বার্ষিক সাধারণ সভায় এমপি জাফর আলম   ●  টেকনাফে প্যারাবনে আটটি বস্তায় মিলল বিদেশি৩৮৮ক্যান বিয়ার ও৭৬ বোতল মদ   ●  মানুষের কথা বলেই যাবে কক্সবাজার বার্তা   ●  টেকনাফে বিদেশী হুইস্কিসহ মাদক কারবারী আটক

মুনাফাখোরের পাল্লায় রোহিঙ্গা শরণার্থীরা

কক্সবাজার সময় ডেস্কঃ বাংলাদেশে কক্সবাজার অঞ্চলে রোহিঙ্গাদের দুর্দশাকে পুঁজি করে এক শ্রেণীর ব্যবসায়ী ও লোকজন মোটা অঙ্কের মুনাফা লুটছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

মিয়ানমার থেকে বাংলাদেশ পর্যন্ত নৌকায় পৌঁছাতে দুপাশেই অনেকে বড় অংকের অর্থ দিয়েছেন বলে অভিযোগ করছেন। এছোড়া থাকার খুপরি বানাতে বাঁশ আর পলিথিনের দামও বেড়েছে।

যাতায়াতেও তাদের কাছ থেকে অনেক বেশি অর্থ নেয়া হচ্ছে। তবে বিজিবি ও স্থানীয় পুলিশ বলছে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে এধরনের লোকদের সাজা দেয়া হচ্ছে।

মংণ্ডূর শিগদাপাড়ার আজিজুর রহমান গত রাতে নৌকায় করে এসে পৌঁছেছেন শাহপরীর দ্বীপ। সেখান থেকে আবারও নৌকায় করে টেকনাফের নয়াপাড়া।

আজিজুর রহমান জানান, পরিবারের ১৮ জন সদস্যকে নিয়ে নৌকায় করে আসতে ওপারেই তাকে বার্মিজ মুদ্রায় ১৮ লাখ দিতে হয়েছে। পাড়ার প্রায় সব বাড়িঘর পুড়িয়ে দেয়া হয়েছে। তাই জীবনের ভয়ে বাঁচতে এই অর্থ খরচ করতে হয়েছে।

বাংলাদেশের সীমান্ত রক্ষী বাহিনী বিজিবির টেকনাফ ব্যাটালিয়নের কমান্ডিং অফিসার লেফটেন্যান্ট কর্নেল আরিফুল ইসলাম বলেন, নৌকায় করে তাদের আনা-নেয়ার একটি ব্যবসা তারা দেখেছেন এবং সেটি তারা বন্ধ করারও চেষ্টা করছেন। নৌকার মাঝিরা তাদের কাছ থেকে তিন হাজার থেকে শুরু বিশ হাজার টাকা পর্যন্তও নিয়েছে।

তিনি আরও বলেন, ‘তারা মাছ ধরার নাম করে সাগরে যাচ্ছে এবং এ ধরনের কাজ করছে। তো এখন আমরা জেলা প্রশাসনের সাথে কথা বলে মাছ ধরার ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছি।’

কিন্তু বাংলাদেশে একবার পৌঁছানোর পরও তাদের বেশ অর্থ খরচ করতে হচ্ছে মাথার উপর একটু খুপরি তৈরি করতে বা ক্যাম্প পর্যন্ত যাতায়াতে।

অনুসন্ধানে দেখা গেছে, খুপরি তৈরির বাঁশ বা পলিথিনের দাম ব্যবসায়ীরা দ্বিগুণেরও বেশি বাড়িয়ে দিয়েছেন।

কক্সবাজারের পুলিশ সুপার একেএম ইকবাল হোসেন বলছেন এ ধরনের ঘটনা ঠেকাতে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হচ্ছে। আমরা ভ্রাম্যমাণ আদালত দিয়ে এপর্যন্ত আমরা ২৭০ জনকে সাজা দিয়েছি।

তিনি দাবি করছেন গত কয়েক সপ্তাহে যে ধরনের পরিস্থিতি ঐ অঞ্চলে তৈরি হয়েছিল তার অনেকটাই তারা নিয়ন্ত্রণে এনেছেন।

মিয়ানমারের রাখাইনে নির্যাতনের হাত থেকে বাঁচতে আগস্টের ২৫ তারিখ থেকে এ পর্যন্ত চার লাখের বেশি রোহিঙ্গা শরণার্থী বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে।

সূত্র : বিবিসি বাংলা

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।