২১ জুন, ২০২৬ | ৭ আষাঢ়, ১৪৩৩ | ৫ মহর্‌রম, ১৪৪৮


শিরোনাম
  ●  পাতেলী খালের তীরে ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি ৪৭ বছর পর আবারও আলোচনায় শাহজাহান চৌধুরী   ●  মরিচ্যা বাজারের মডেল মসজিদ ও মার্কেট পরিদর্শনে ইউএনও রিফাত আসমা   ●  দক্ষিণ এশিয়ার সেরা গোল রক্ষক জিকুকে সংবর্ধিত করলো ক্রীড়া সাংবাদিকদের শীর্ষ সংগঠন বিএসপিএ   ●  কৃষিখাতের উন্নয়নে নিরলস ভাবে কাজ করছে সরকার   ●  বদরখালী সমবায় কৃষি ও উপনিবেশ সমিতির বার্ষিক সাধারণ সভায় এমপি জাফর আলম   ●  টেকনাফে প্যারাবনে আটটি বস্তায় মিলল বিদেশি৩৮৮ক্যান বিয়ার ও৭৬ বোতল মদ   ●  মানুষের কথা বলেই যাবে কক্সবাজার বার্তা   ●  টেকনাফে বিদেশী হুইস্কিসহ মাদক কারবারী আটক   ●  নজিবুল ইসলামের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি : গ্রামীণ জনপদের মানুষের মুখে হাসি   ●  বিবেক’কে জাগ্রত রেখে দেশ ও মানুষের জন্য কাজ করতে হবে- অতিরিক্ত আইজি শাহাবুদ্দিন খান

মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চায় মালয়েশিয়া

মালয়েশিয়ার সঙ্গে প্রথম ফরেন অফিস কনসালটেশনে (এফওসি) বসতে যাচ্ছে বাংলাদেশ। সোমবার ঢাকায় অনুষ্ঠিতব্য দু’দেশের পররাষ্ট্র সচিব পর্যায়ের বৈঠকে বাংলাদেশের সঙ্গে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি করার বিষয়ে আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব দেবে মালয়েশিয়া। দেশটিতে অধিকহারে শ্রমিক পাঠানোসহ দ্বিপাক্ষিক বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় তুলে ধরবে বাংলাদেশ। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

সোমবার বিকেলে অনুষ্ঠিতব্য ওই বৈঠকে বাংলাদেশের প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেবেন পররাষ্ট্র সচিব মো. শহীদুল হক। মালয়েশিয়ার পররাষ্ট্র সচিব দাতো রামলান বিন ইব্রাহিম নিজ দেশের পক্ষে নেতৃত্ব দেবেন। এ লক্ষ্যে রোববার দুপুরে তিনি ঢাকায় পৌঁছেছেন।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, জনশক্তি, বাণিজ্য ও বৈশ্বিক সন্ত্রাসবাদ দমনে সহযোগিতাসহ দু’দেশের মধ্যকার দ্বিপাক্ষিক সব বিষয় নিয়ে বৈঠকে আলোচনা হবে।

জানা যায়, বৈঠকে মালয়েশিয়ায় অবৈধভাবে বসবাসকারী বাংলাদেশিদের বৈধ করে নেয়ার প্রস্তাব দেয়া হবে।পাশাপাশি জিটুজি প্লাস পদ্ধতির আওতায় আরও বেশি সংখ্যক শ্রমিক নেয়ার অনুরোধও জানানো হবে।

কূটনৈতিক সূত্র বলছে, বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ার মধ্যকার সম্পর্ক বর্তমান সময়ে শীর্ষ পর্যায়ে রয়েছে।

এ প্রসঙ্গে মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশ দূতাবাসের এক শীর্ষ কর্মকর্তা বলেন, বর্তমান সময়ে দু’দেশের মধ্যকার বাণিজের পরিমাণ প্রায় আট বিলিয়ন ডলার। এর মধ্যে বাংলাদেশের বাণিজ্যের পরিমাণ প্রায় ২০৩ মিলিয়ন ডলার। ২০১০ সালে ছিল মাত্র ৫৬ মিলিয়ন ডলার। যা থেকে দু’দেশের মধ্যকার বাণিজ্যিক সম্পর্ক আঁচ করা যায়।

তবে বাণিজ্যিক ক্ষেত্রে বাংলাদেশ অনেকটাই পিছিয়ে আছে স্বীকার করে তিনি বলেন, আমরা পামওয়েল, ইলেক্ট্রনিক্সসহ অনেক প্রয়োজনীয় পণ্য মালয়েশিয়া থেকে আমদানি করে থাকি। এ কারণে দু’দেশের বাণিজ্যের পরিমাণে পার্থক্য রয়েছে। নিকট ভবিষ্যতে এ ঘাটতি কাটিয়ে ওঠা সম্ভব হবে।

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।