৩ মে, ২০২৬ | ২০ বৈশাখ, ১৪৩৩ | ১৫ জিলকদ, ১৪৪৭


শিরোনাম
  ●  বীর মুক্তিযোদ্ধা এম. আবদুল হাই এর ১২তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ   ●  গর্জনিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ে জেন্ডার ও জলবায়ু বিষয়ক আলোচনা ও কুইজ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত   ●  ঘুমধুমে অবৈধ পাহাড় কাটা: ডাম্প ট্রাকে মাটি যাচ্ছে বদির ক্যাশিয়ার আঃলীগ নেতা খাইরুল আলম চৌধুরী’র ইটভাটায়   ●  সহকারী বন সংরক্ষক (এসিএফ) শাহিনুর ইসলামের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ প্রসঙ্গে প্রতিবাদ   ●  ছাত্রদল নেতা হত্যা মামলার আসামি হলেন রামু থানার নবাগত ওসি আরমান   ●  ইউজিসি ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের টিমের সঙ্গে সাউথ কোরিয়া গেলেন লায়ন মো. মুজিবুর রহমান   ●  কক্সবাজার সদর হাসপাতালে দায়িত্ব পেলেন উখিয়ার ডা. নুরুল আবছার শিমুল   ●  উখিয়ায় বসতভিটা দখলকে কেন্দ্র করে হামলা: নারী-পুরুষসহ আহত ৪, এলাকায় আতঙ্ক   ●  বার কাউন্সিলে উত্তীর্ণ সিবিআইইউ শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা   ●  এআই বিষয়ে কক্সবাজার ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে সেমিনার

মালয়েশিয়ায় বৈধ হওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন প্রবাসী শ্রমিকরা

 

মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশিসহ বিদেশি অবৈধ শ্রমিকরা নতুন করে নিবন্ধনের সুযোগ পাচ্ছেন বলে জানিয়েছেন মালয়েশিয়ার অভিবাসন মহাপরিচালক মুস্তাফার আলী।
মালয়েশিয়ার অভিবাসন মন্ত্রণালয় এক ঘোষণায় জানিয়েছে, আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারি থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত এই নিবন্ধনে নতুন শ্রমিকরা প্রাথমিকভাবে এক বছরের জন্য ই-কার্ড (এনফোর্সমেন্ট কার্ড) পাবেন। মালয়েশিয়ার যে কোনও প্রদেশের অভিবাসন কেন্দ্রে এ নিবন্ধন করা যাবে।
প্রবাসী বাংলাদেশি গৌতম রায় বলেন, “মালয়েশিয়ায় আড়াই লক্ষের বেশি অবৈধ বাংলাদেশি আছেন। যাদের পারমিট নেই, এবং যারা রি-হায়ারিং নিবন্ধন করেননি তারা ই-কার্ডের জন্য নিজ নিজ মালিকের মাধ্যমে নিবন্ধন করে নিতে পারবেন।”
ই-কার্ডের মেয়াদ থাকবে ১৫ ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ সাল পর্যন্ত। এই সময়ের মধ্যে গত বছর থেকে শুরু হওয়া রি-হায়ারিং পদ্ধতিতে শ্রমিকরা নির্দিষ্ট মালিকের মাধ্যমে বৈধ ভিসা করতে পারবেন।
মালয়েশিয়ার অভিবাসন মহাপরিচালক দাতুক সারি মুস্তাফার আলী স্থানীয় পত্রিকা ‘সান ডেইলি’কে বলেন, “বিভিন্ন অর্থনৈতিক খাতে শ্রমিক সংকটের কারণে সরকার অবৈধ শ্রমিকের নিবন্ধনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।”
মালয়েশিয়ার উপ-প্রধানমন্ত্রী আহমেদ জাহিদ হামিদী স্থানীয় ‘দি স্টার অনলাইন’ পত্রিকাকে বলেন, “আমরা এই সুযোগ দিচ্ছি যাতে অবৈধ শ্রমিকরা তাদের কর্মস্থলে ফিরে যান এবং তাদের কাজে কোন বিঘ্ন না ঘটে।”
ই-কার্ড নিবন্ধন হবে বিনামূল্যে। শুধু পাঁচটি সেক্টরের জন্য ই-কার্ডের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এগুলো হলো- প্লানটেশন, এগ্রিকালচার, ইন্ডাস্ট্রিয়াল, কনস্ট্রাকশন ও সার্ভিস সেক্টর।

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।