৮ জুলাই, ২০২৬ | ২৪ আষাঢ়, ১৪৩৩ | ২২ মহর্‌রম, ১৪৪৮


শিরোনাম
  ●  লম্বরীপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নেতৃত্বে রমজান আলী   ●  পাতেলী খালের তীরে ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি ৪৭ বছর পর আবারও আলোচনায় শাহজাহান চৌধুরী   ●  মরিচ্যা বাজারের মডেল মসজিদ ও মার্কেট পরিদর্শনে ইউএনও রিফাত আসমা   ●  দক্ষিণ এশিয়ার সেরা গোল রক্ষক জিকুকে সংবর্ধিত করলো ক্রীড়া সাংবাদিকদের শীর্ষ সংগঠন বিএসপিএ   ●  কৃষিখাতের উন্নয়নে নিরলস ভাবে কাজ করছে সরকার   ●  বদরখালী সমবায় কৃষি ও উপনিবেশ সমিতির বার্ষিক সাধারণ সভায় এমপি জাফর আলম   ●  টেকনাফে প্যারাবনে আটটি বস্তায় মিলল বিদেশি৩৮৮ক্যান বিয়ার ও৭৬ বোতল মদ   ●  মানুষের কথা বলেই যাবে কক্সবাজার বার্তা   ●  টেকনাফে বিদেশী হুইস্কিসহ মাদক কারবারী আটক   ●  নজিবুল ইসলামের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি : গ্রামীণ জনপদের মানুষের মুখে হাসি

মহেশখালীতে বিধ্বস্ত বিমানের উদ্ধার চলছে : ঘটনাস্থলে এসেছেন বিমান বাহিনী প্রধান

বিশেষ প্রতিবেদক : মহেশখালীতে উড়ন্ত অবস্থায় সংঘর্ষে বিধ্বস্ত বিমানবাহিনীর প্রশিক্ষণ বিমান দুটির উদ্ধার তৎপরতা চলছে। বৃহস্পতিবার দুপুর থেকে দমকল বাহিনী, আনসার, পুলিশ ও বিমানবাহিনীর সদস্যরা যৌথভাবে উদ্ধার কাজ চালাচ্ছেন।
এদিকে বিমান বিধ্বস্ত স্থল পরিদর্শন করেছেন বিমান বাহিনী প্রধান এয়ার চীফ মার্সাল আবু এসরার। বেলা দু’টার দিকে বিমান বাহিনীর বিশেষ হেলিকপ্টারে তিনি মহেশখালী এসে চক্কর দিয়ে আকাশ থেকেই বিমান বিধ্বস্ত স্থল দেখেন। মহেশখালী উপজেলা নির্বাহি কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আবুল কালাম এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
ইউএনও জানান, বিমান বিধ্বস্তের ঘটনায় যারা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন তাদের তালিকা করা হচ্ছে। বিমান বাহিনীর পক্ষ থেকে তাদের ক্ষতিপূরণ দেয়া হবে।উল্লেখ্য, বুধবার সন্ধ্যা পৌনে সাতটার দিকে বিমান বাহিনীর দুটি প্রশিক্ষণ বিমান মহড়াকালে মহেশখালী এলাকার আকাশে সংঘর্ষে বিধ্বস্ত হয়। বিমান দুটির বিধ্বস্তাংশ মহেশখালী পৌরসভার পুটিবিলা পালপাড়া ও উপজেলার ছোট মহেশখালীর মাইজপাড়া এলাকায় পড়ে আগুনে বেশকিছু অংশ ভস্মিভূত হয়েছে। পুটিবিলা অংশে ধ্বসে পড়া বিমানের বিধ্বস্তাংশের আঘাতে স্থানীয় আবদুস সাত্তারের বাড়ির চালের বেশ কিছু অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বিমানের একটি খন্ডাংশ তার বাড়ির ভেতরে পড়ে আঘাত পেয়ে আঁখি (১৫) ও ফয়সাল (১২) নামের দু’শিশু আহত হয়েছে। তারা আব্দুস সাত্তারের সন্তান।
দূর্ঘটনার এক ঘন্টার মাথায় দু’বিমানে থাকা চার পাইলট গ্রুপ ক্যাপ্টেন শরীফ, স্কয়াড লিডার মনির, উইং কমান্ডার আজিম ও উইং কমান্ডার রাজীবকে দ্বীপের পৃথক স্থান থেকে অক্ষতাবস্থায় উদ্ধার করা সম্ভব হয়।
বিমান বাহিনী সূত্র জানায়, ওয়াইএকে-১৩০ প্রশিক্ষণ বিমান দু’টি সন্ধ্যা ৬টার দিকে চট্টগ্রাম জহিরুল হক ঘাটি থেকে উড্ডয়ন করে। পৌনে ৭টার দিকে বিধ্বস্ত হওয়ার কিছুক্ষণ আগ থেকে বিমান দু’টি রাডার থেকে বিচ্ছিন্ন ছিল।
উদ্ধার স্থল থেকে স্থানীয় শাহাবউদ্দিন জানান, বুধবার সন্ধ্যা বিকট শব্দে সংঘর্ষে বিমান দুটি বিধ্বস্ত হওয়ার পর থেকে পুটিবিলার পালপাড়া ও ছোট মহেশখালীর মাইজপাড়া এলাকায় উৎসুক লোকজন ছুটে আসে। বৃহস্পতিবার দুপুর থেকে উদ্ধার অভিযান শুরু হলে সেখানে আবারো সব বয়সী লোকজন ভীড় করছে।
মহেশখালী থানার ওসি প্রদীপ কুমার দাশ জানান, উদ্ধার তৎপরতা চলছে। ঘটনাস্থলে পুলিশসহ বিভিন্ন সংস্থার লোকজন রয়েছে।

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।