৪ জুন, ২০২৬ | ২১ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ | ১৭ জিলহজ, ১৪৪৭


শিরোনাম
  ●  দক্ষিণ এশিয়ার সেরা গোল রক্ষক জিকুকে সংবর্ধিত করলো ক্রীড়া সাংবাদিকদের শীর্ষ সংগঠন বিএসপিএ   ●  কৃষিখাতের উন্নয়নে নিরলস ভাবে কাজ করছে সরকার   ●  বদরখালী সমবায় কৃষি ও উপনিবেশ সমিতির বার্ষিক সাধারণ সভায় এমপি জাফর আলম   ●  টেকনাফে প্যারাবনে আটটি বস্তায় মিলল বিদেশি৩৮৮ক্যান বিয়ার ও৭৬ বোতল মদ   ●  মানুষের কথা বলেই যাবে কক্সবাজার বার্তা   ●  টেকনাফে বিদেশী হুইস্কিসহ মাদক কারবারী আটক   ●  নজিবুল ইসলামের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি : গ্রামীণ জনপদের মানুষের মুখে হাসি   ●  বিবেক’কে জাগ্রত রেখে দেশ ও মানুষের জন্য কাজ করতে হবে- অতিরিক্ত আইজি শাহাবুদ্দিন খান   ●  চট্টগ্রাম জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয়ে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন   ●  বেশি বাড়াবাড়ি করলে বিএনপি’র পদযাত্রা মরণযাত্রা হয়ে উঠবে-সাবেক সাংসদ বদি

জমি বিরোধের জের

মরিচ্যায় ডাঃ কামরান উদ্দিনের মাথা পাটালেন আপন সহোদর!


বিশেষ প্রতিবেদক:

জমি বিরোধের জের ধরে দিন দুপুরে উখিয়ার মরিচ্যা বাজারের চিকিৎসক ডাঃ কামরান উদ্দিনকে ব্যাপক মারধর করেছে তার আপন দুই সহোদরের নেতৃত্বে একদল সন্ত্রাসী। ওই সময় কামরান উদ্দিনের ব্যবসা প্রতিষ্টান পালং মেডিসিন সেন্টার ভাংচুর চালায় সহোদররা। শুধু তাই নয়, কামরান উদ্দিনকে পিঠিয়ে মারাত্নক জখম করা হয়। তার মাথায় সাতটি সেলাই করা হয়েছে বলে টিকিৎসক জানিয়েছেন। গতকাল সোমবার বিকেল ৩ টায় মরিচ্যা বাজারের মধ্যম স্টেশনে এই হামলার ঘটনা ঘটে।

স্থানীয়দের মতে, হলদিয়াপালং ইউনিয়নের পূর্ব মরিচ্যা এলাকার মৃত মুকবুল সওদাগরের ছেলে জয়নাল আবেদীন, কামরান উদ্দিন ও ইমরান উদ্দিন। তারা তিন ভাইয়ের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছিল। ইতিমধ্যে কামরান উদ্দিনকে তার সহোদর জয়নাল ও ইমরান নানা ভাবে হুমকি দিয়ে আসছিল। এই নিয়ে তার মা ফাতেমা বেগম বাদি হয়ে ছেলে কামরান উদ্দিনের নিরাপত্তা চেয়ে গত ২১ জুলাই উখিয়া থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন। এমনকি হুমকি দেয়ার অডিও রেকর্ডও কামরানের হাতে সংরক্ষিত রয়েছে। এই সব কিছু তোয়াক্কা না করে কামরানের উপর হামলা চালায় তারা।

আহত কামরান উদ্দিন দাবি করেন, তার দুই সহোদরের হামলায় মাথায় মারাত্বক জখম হয়েছে। সাতটি সেলাই দেয়া হয়েছে। এমনকি দিনদুপুরে তার ব্যবসা প্রতিষ্টান ভাংচুর চালিয়েছে তারা। কামরান জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে প্রশাসনের হম্তাক্ষেপ কামনা করেছেন।

এব্যাপারে হলদিয়া পালং ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য এম. মনজুর আলম বলেন, তাদের পারিবারিক সম্পত্তি নিয়ে তারা তিন ভাইসহ তাদের পরিবার নিয়ে বেশ কয়েকবার বৈঠক হয়েছে। সর্বশেষ আজকে জায়গা বন্টন করতে গেলে তারা তিন ভাইয়ের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে সহোদররা কামরানকে আঘাত করে। ঘটনাটি দুঃখজনক।

এইদিকে অভিযুক্ত দুই সহোদরের বক্তব্য নেয়ার জন্য নানা ভাবে চেষ্টা করে তাদের না পাওয়ায় বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি।

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।