২২ মে, ২০২৬ | ৮ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ | ৪ জিলহজ, ১৪৪৭


শিরোনাম
  ●  দক্ষিণ এশিয়ার সেরা গোল রক্ষক জিকুকে সংবর্ধিত করলো ক্রীড়া সাংবাদিকদের শীর্ষ সংগঠন বিএসপিএ   ●  কৃষিখাতের উন্নয়নে নিরলস ভাবে কাজ করছে সরকার   ●  বদরখালী সমবায় কৃষি ও উপনিবেশ সমিতির বার্ষিক সাধারণ সভায় এমপি জাফর আলম   ●  টেকনাফে প্যারাবনে আটটি বস্তায় মিলল বিদেশি৩৮৮ক্যান বিয়ার ও৭৬ বোতল মদ   ●  মানুষের কথা বলেই যাবে কক্সবাজার বার্তা   ●  টেকনাফে বিদেশী হুইস্কিসহ মাদক কারবারী আটক   ●  নজিবুল ইসলামের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি : গ্রামীণ জনপদের মানুষের মুখে হাসি   ●  বিবেক’কে জাগ্রত রেখে দেশ ও মানুষের জন্য কাজ করতে হবে- অতিরিক্ত আইজি শাহাবুদ্দিন খান   ●  চট্টগ্রাম জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয়ে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন   ●  বেশি বাড়াবাড়ি করলে বিএনপি’র পদযাত্রা মরণযাত্রা হয়ে উঠবে-সাবেক সাংসদ বদি

বাংলাদেশের কৃষির জন্য তৈরি হলো পাঁচটি নতুন অ্যাপস

বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনে (বিটিআরসি) বাংলাদেশ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তা ও জাপান থেকে আগত কে.ডি.ডি.আই ফাউন্ডেশনের প্রতিনিধিবৃন্দের উপস্থিতিতে বিটিআরসির চেয়ারম্যান কৃষির জন্য পাঁচটি নতুন অ্যাপ উদ্বোধন করেন।

রোববার উদ্বোধন করা এসব কৃষি অ্যাপগুলো হচ্ছে- ক্রপ প্রোডাকশন (ফসল উৎপাদন রিপোর্ট), ডিএই অফিস ডিরেক্টরি, স্যালিনিটি ইনফরমেশন সিস্টেম (লবনাক্তার তথ্য), অর্গানিক ফারমিং (প্রাকৃতিক চাষাবাদ) এবং ওয়েদার ফোরকাস্টিং (আবহাওয়ার পূর্বাবাস)।

ক্রপ প্রোডাকশন অ্যাপটি থেকে মূলত নির্দিষ্ট এলাকা এবং নির্দিষ্ট ফসলের জন্য রিপোর্ট দেখা যায় এবং তৈরি করা যায়। ডিএই অফিস ডিরেক্টরি অ্যাপটিতে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের সকল কর্মচারীর তথ্য এবং প্রয়োজনে তাদের কল করার সুবিধা আছে। অর্গানিক ফারমিং অ্যাপটির মাধ্যমে একজন কৃষক তার ঘরে বসেই মোবাইলের মাধ্যমে কৃষি বিষয়ক বিভিন্ন তথ্য, অর্গানিক চাষের বিভিন্ন তথ্য এবং নিয়মাবলী এবং ফসল সার ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে পারবেন।

স্যালিনিটি ইনফরমেশন সিস্টেম অ্যাপটির মাধ্যমে একজন কৃষক মোবাইলের মাধ্যমে তার চাষকৃত জমিতে কোন ফসলের উৎপাদন ভাল হবে তা জানতে পারবেন। আবহাওয়া অ্যাপটি থেকে যেকোনো মুহূর্তের আবহাওয়ার খবর যেমন, তাপমাত্রা, বাতাসের প্রবাহ, বায়ুমন্ডলের চাপ ও বাতাসের আদ্রতা সম্পর্কের জানা যাবে এবং এ ছাড়াও পরবর্তী পাঁচ দিনের আবহাওয়ার পূর্বাভাসও পাওয়া যাবে।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন বিটিআরসি’র সিস্টেম ও সার্ভিসের পরিচালক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. জুলফিকার। অনুষ্ঠানে কর্মসূচির মূল প্রস্তাবনা এবং উন্নয়নকৃত অ্যাপগুলির বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করেন ড. রাজেশ পালিত। এরপর বক্তব্য রাখেন ইএটিএল-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম এ মুবিন খান।

তিনি বলেন, এই কর্মসূচির অংশ হতে পেরে তিনি আনন্দিত এবং ভবিষ্যতেও দেশের উন্নয়নের লক্ষ্যে তথ্য ও প্রযুক্তির কার্যক্রম এগিয়ে নিতে এই জাতীয় আরও কর্মসূচিতে অংশগ্রহণের ইচ্ছা পোষণ করেন।

অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন, বাংলাদেশ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের পরিচালক চৈতন্য কুমার দাস, কেডিডিআই ফাউন্ডেশনের প্রেসিডেন্ট ফুমিও ওয়াতানাবে এবং বিটিআরসির চেয়ারম্যান শাহাজাহান মাহমুদ।

তারা এই পাঁচটি নতুন মোবাইল অ্যাপ ডেভেলপমেন্টের ব্যাপারে সন্তোষ প্রকাশ করেন। জাপান সরকারের অনুদানে এশিয়া-প্যাসেফিক টেলিকমিউনিটির এই ধরণের প্রকল্প বাংলাদেশে এই প্রথম এবং জাপানের কেডিডিআই ফাউন্ডেশন, বিটিআরসি ও ইএটিএল যৌথভাবে এই প্রকল্প বাস্তবায়ন করে।

প্রকল্পটি বাংলাদেশ ও জাপানে কৃষিক্ষেত্রে তথ্য প্রযুক্তির ব্যবহারের উপর পর্যালোচনা ও মোবাইল অ্যাপ উন্নয়ন এই দুই ভাগে বিভক্ত ছিল। আশা করা যায় এই নতুন অ্যাপগুলি বাংলাদেশের কৃষিক্ষেত্রে তথ্য ও প্রযুক্তির সংযোগ স্থাপনে বিশেষ ভূমিকা রাখবে।

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।