১১ জুলাই, ২০২৬ | ২৭ আষাঢ়, ১৪৩৩ | ২৫ মহর্‌রম, ১৪৪৮


শিরোনাম
  ●  প্রতিক্রিয়া : ৫ না ৮—রোহিঙ্গা ক্যাম্পে আসলে কতজন নিহত? সংখ্যার এই বিভ্রান্তির দায় কার?   ●  লম্বরীপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নেতৃত্বে রমজান আলী   ●  পাতেলী খালের তীরে ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি ৪৭ বছর পর আবারও আলোচনায় শাহজাহান চৌধুরী   ●  মরিচ্যা বাজারের মডেল মসজিদ ও মার্কেট পরিদর্শনে ইউএনও রিফাত আসমা   ●  দক্ষিণ এশিয়ার সেরা গোল রক্ষক জিকুকে সংবর্ধিত করলো ক্রীড়া সাংবাদিকদের শীর্ষ সংগঠন বিএসপিএ   ●  কৃষিখাতের উন্নয়নে নিরলস ভাবে কাজ করছে সরকার   ●  বদরখালী সমবায় কৃষি ও উপনিবেশ সমিতির বার্ষিক সাধারণ সভায় এমপি জাফর আলম   ●  টেকনাফে প্যারাবনে আটটি বস্তায় মিলল বিদেশি৩৮৮ক্যান বিয়ার ও৭৬ বোতল মদ   ●  মানুষের কথা বলেই যাবে কক্সবাজার বার্তা   ●  টেকনাফে বিদেশী হুইস্কিসহ মাদক কারবারী আটক

বছরে ৬৫ দিন ইকোনোমিক জোনে মাছ ধরা নিষিদ্ধ

সমুদ্রের ইকোনোমিক জোনে ২০ মে থেকে ২৩ জুলাই পর্যন্ত মাছ ধরা নিষিদ্ধ করার বিষয়ে সরকারের সিদ্ধান্তের গেজেট বৈধ ঘোষণা করেছেন হাইকোর্ট। এর ফলে প্রতিবছর এ সময়ে মাছ ধরা নিষিদ্ধ  থাকবে বলে জানিয়েছেন আইনজীবীরা।

সোমবার এ বিষয়ে জারি করা রুল খারিজ করে বিচারপতি  নাইমা হায়দার ও বিচারপতি আবু তাহের সাইফুর রহমানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন।

আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল  মোখলেসুর রহমান।

পরে মোখলেসুর রহমান বলেন, ২০১৫ সালের ২০ মে  সমুদ্রের  ইকোনোমিক জোনে প্রতিবছর ২০ মে থেকে ২৩ জুলাই পর্যন্ত মাছ ধরা নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্তের গেজেট প্রকাশ করে সরকার। এ বিষয়ে গণমাধ্যমে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। সমুদ্রের পার থেকে ২০০ নটিক্যাল মাইল পর্যন্ত এক্সক্লুসিভ জোন বলা হয়।

পরে ওই গেজেটের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে মেরিন ফিসারিজ অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি আহসান ইকবাল চৌধুরী হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন।

রিটের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে হাইকোর্টের একটি বেঞ্চ একই বছরের ৯ জুলাই মাছ ধরা বন্ধে গেজেটের কার্যকারিতা স্থগিত করেন। পাশাপাশি রুল জারি করেন হাইকোর্ট।

সোমবার এই রুলের চূড়ান্ত শুনানি নিয়ে আদালত রুল খারিজ করে দেন।

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।